Homeপাঁচমিশালিজলে ঘুরত ৪৩ ফুটের দানব ডাইনোসর, সবচেয়ে বড় তিমির দ্বিগুণ! চমকে দিল...

জলে ঘুরত ৪৩ ফুটের দানব ডাইনোসর, সবচেয়ে বড় তিমির দ্বিগুণ! চমকে দিল নতুন আবিষ্কার

-

ডাইনোসরদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণীদের কথা উঠলে সবার আগে আসে টিরেক্সের নাম। তবে তারা ছিল স্থলচর। এবার বিজ্ঞানীরা এমন এক বিশালাকার ও ভয়ংকর প্রাগৈতিহাসিক শিকারির সন্ধান পেয়েছেন, যারা জলের রাজ্যে আধিপত্য বিস্তার করত। টেক্সাসে আবিষ্কৃত এই প্রাণীগুলির দেহ ছিল অত্যন্ত বড় এবং শক্তিশালী, যা তাদের সেই সময়ের সামুদ্রিক পরিবেশের শীর্ষ শিকারিতে পরিণত করেছিল। এই আবিষ্কার প্রাগৈতিহাসিক যুগের জলজ প্রাণীদের সম্পর্কে নতুন তথ্য সামনে এনেছে।

প্রায় ৪৩ ফুট লম্বা এই প্রাগৈতিহাসিক শিকারির জীবাশ্ম উদ্ধার করে বিস্মিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরাও। গবেষণায় জানা গিয়েছে, এরা ছিল অত্যন্ত হিংস্র এবং শক্তিশালী। তাদের চোয়াল এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে সহজেই অন্য প্রাণীর করোটি গুঁড়িয়ে দিতে পারত। চোয়ালের প্রবল চাপে হাড়গোড় ভেঙে টুকরো হয়ে যেত। শুধু অন্য প্রাণীই নয়, নিজেদের প্রজাতির সদস্যদের সঙ্গেও এদের সংঘর্ষে জড়ানোর প্রমাণ মিলেছে। ক্রেটেসিয়াস যুগে, অর্থাৎ প্রায় ১৪.৫ কোটি থেকে ৬.৬ কোটি বছর আগে, এই বিশাল জলচর শিকারিরা সমুদ্রে ঘুরে বেড়িয়ে কার্যত আতঙ্কের রাজত্ব কায়েম করেছিল।

- Advertisement -

বিজ্ঞানীদের দাবি, এই বিশালাকার সামুদ্রিক শিকারির আকার ছিল এতটাই বড় যে তা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাণী নীল তিমিরও প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। সেই কারণেই একে ‘জলের টিরেক্স’ নামে অভিহিত করা হচ্ছে। একটি মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক জার্নালে এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। যদিও সাধারণভাবে একে ডাইনোসর বলা হচ্ছে, গবেষকদের মতে এটি আসলে মোসাসর প্রজাতির একটি সামুদ্রিক সরীসৃপ, যারা কোটি কোটি বছর আগে সমুদ্রে বাস করত। উদ্ধার হওয়া জীবাশ্মটির বয়স প্রায় ৮ কোটি বছর বলে অনুমান করা হয়েছে। অতীতে মোসাসরের বিভিন্ন প্রজাতির সন্ধান মিললেও এত বিশাল আকৃতির মোসাসরের প্রমাণ এই প্রথম পাওয়া গেল বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

- Advertisement -
- Advertisement -
Breaking News
- Advertisement -
Related Stories
- Advertisement -