অনন্ত মহারাজকে বঙ্গ বিভূষণ কেন? প্রশ্ন ঋতব্রতের

-

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে প্রকাশ্যে কুরুচিকর মন্তব্য এবং সমাজমাধ্যমে অবমাননাকর পোস্ট ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই অনন্ত মহারাজের ‘বঙ্গ বিভূষণ’ সম্মান ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতাজিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের ঘটনায় রাজ্য সরকারের এই কড়া পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিরোধী শিবিরের একাংশ। ফলে সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে আরও কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি বলেন, “অনন্ত মহারাজের পাগড়ি খুলে নেওয়া হলে আমি আরও খুশি হব।” পাশাপাশি, তাঁকে কেন ‘বঙ্গ বিভূষণ’ সম্মান দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নও তোলেন ঋতব্রত। সম্মান প্রত্যাহারের রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তকে তিনি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। একইসঙ্গে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের ঘটনায় অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

- Advertisement -

কেন দেওয়া হয়েছিল অনন্ত মহারাজকে বঙ্গ বিভূষণ?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাজ্য ও রাজ্যের মানুষের প্রতি বিশিষ্ট ও অনুকরণীয় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজকে ‘বঙ্গ বিভূষণ’ সম্মান দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্মান পাওয়ার পর প্রকাশ্যে আসা কিছু ঘটনা ও পরিস্থিতিকে সরকার অত্যন্ত গুরুতর বলে মনে করছে। সেই কারণেই অনন্ত মহারাজকে এই সম্মান দেওয়া বা তা বহাল রাখা বঙ্গ বিভূষণের মর্যাদা ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

নির্দেশিকায় স্পষ্ট লেখা হয়েছে, “পরিস্থিতি বিস্তারিত বিবেচনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, শ্রী নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজের ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মান বহাল রাখা এই সম্মানের মর্যাদা ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; অতএব, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এতদ্বারা ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে শ্রী নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজকে প্রদান করা ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মান অবিলম্বে প্রত্যাহার ও বাতিল করছে।”

Breaking News