অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে ‘Rejected’ স্ট্যাটাস? এই কারণগুলির জন্য বাতিল হতে পারে আবেদন

-

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ১ জুলাই থেকে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ কোটি ৯ লক্ষেরও বেশি মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় ৩,০০০ টাকা পেয়েছেন। এতদিন প্রকল্পের আবেদনপত্রের স্ট্যাটাস দেখা না গেলেও, এখন সোশ্যাল রেজিস্ট্রি-র অফিসিয়াল পোর্টালে তা দেখা যাচ্ছে। তবে স্ট্যাটাস চেক করতে গিয়ে অনেক আবেদনকারী দেখছেন যে তাঁদের আবেদন “Rejected” দেখাচ্ছে। ঠিক কী কারণে বাতিল হচ্ছে আবেদন? পুনরায় কি আবেদন করা যাবে?

বাতিল হচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন

যাঁরা এতদিন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্রের স্ট্যাটাস দেখতে পারছিলেন না, তাঁরা এখন সোশ্যাল রেজিস্ট্রি-র অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে সহজেই তা চেক করতে পারবেন। এর জন্য প্রথমে পোর্টালে গিয়ে নিজের জেলা নির্বাচন করতে হবে। এরপর আবেদন করার সময় যে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছিলেন, সেটি দিয়ে OTP যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। তারপর Submit-এ ক্লিক করলে আপনার Acknowledgement Number-সহ আবেদনের বর্তমান স্ট্যাটাস স্ক্রিনে দেখা যাবে।

- Advertisement -

তবে অনেক আবেদনকারী বর্তমানে “Payment Failure” স্ট্যাটাস দেখতে পাচ্ছেন। এই স্ট্যাটাস দেখালেই যে আবেদন বাতিল হয়েছে, এমন নয়। সাধারণত এর অর্থ হলো আবেদনটি যাচাই (Verification) সম্পন্ন হয়েছে এবং টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, কিন্তু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা দেওয়ার সময় প্রযুক্তিগত বা ব্যাঙ্ক-সংক্রান্ত সমস্যা হয়েছে। এর অন্যতম কারণ হতে পারে DBT (Direct Benefit Transfer) সক্রিয় না থাকা, আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঠিক সংযোগ না থাকা বা ব্যাঙ্কের KYC অসম্পূর্ণ থাকা। তাই যাঁদের “Payment Failure” দেখাচ্ছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে গিয়ে KYC আপডেট এবং DBT লিঙ্কিং-এর বিষয়টি যাচাই করে নেওয়া উচিত।

এবার যাদের অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট হচ্ছে, তার পিছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, আধার কার্ড কিংবা ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য যদি ভুল দেওয়া হয় তাহলে অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট হয়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, কোনও মহিলার আধার কার্ড কিংবা ভোটার আইডি কার্ড যদি বাবার বাড়িতে থাকে, কিন্তু আবেদনের সময় পরিবারের প্রধান তার স্বামীকে দেখানো হয়, সেক্ষেত্রেও বাতিল হতে পারে। এমনকি বেশিরভাগ মহিলার অভিযোগ, বাড়িতে ৩ টির বেশি পাকা ঘর দিলে আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে। এমনকি যদি ২০২৬ এর এসআইআর-এ নাম বাদ যায়, কিন্তু আবেদনের সময় তা উল্লেখ না করা হয় সেক্ষেত্রেও বাতিল হতে পারে আবেদন। তবে হ্যাঁ, যাদের আবেদন বাতিল হচ্ছে, তারা এখনই আর নতুনভাবে আবেদন করতে পারবেন না। আশা করা যাচ্ছে, খুব তাড়াতাড়ি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে এডিটের অপশন খুলবে। সেখানে গিয়ে আবার পুনরায় নতুনভাবে তথ্য দেওয়া যাবে।

🔔 সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে যুক্ত হন

ব্রেকিং নিউজ, চাকরির খবর, টেক আপডেট ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাদের WhatsAppTelegram চ্যানেলে এখনই যুক্ত হন।

Breaking News