অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্প নিয়ে রাজ্যে এখনও চর্চা অব্যাহত। সম্প্রতি এই প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত প্রকল্পে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন কারণে প্রায় ২৬ লক্ষ আবেদন বাদ পড়েছে, অন্যদিকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পৌঁছে গিয়েছে। আবেদন বাতিল, স্ট্যাটাস যাচাই এবং অর্থপ্রাপ্তি নিয়ে যখন উপভোক্তাদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল নতুন একটি পোর্টাল চালুর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
খবরের শিরোনামে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১ জুলাই নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অন্নপূর্ণা যোজনা উপলক্ষে একটি সরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকজন মহিলা উপভোক্তার হাতে প্রকল্পের শংসাপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালও। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে খুব শীঘ্রই অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য একটি নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে। এই পোর্টাল চালু হলে আবেদন, তথ্য যাচাই এবং অন্যান্য পরিষেবা।
কী বলছেন মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়াল?
রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন যে, “অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ সফলভাবে চলছে। ৩ জুনে এই প্রকল্প চালু হওয়ার পরই যোগ্যদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছিল। আমাদের কাজ চলছে এখনও। পোর্টাল খোলা আছে। অনলাইন-অফলাইন অ্যাপ্লিকেশনও চলেছে। এলিজিবিলিটি অনুসারে স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ চলছে। এনকোয়ারি অফিসার, ডেটা ব্যাঙ্কেও পুরোদমে কাজ চলছে। সব দিকে নজর রেখেই কাজ হবে। এবং কিছুদিনের মধ্যেই আরও একটা নতুন পোর্টাল আনা হতে চলেছে।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল জানান, নতুন অন্নপূর্ণা যোজনা পোর্টাল চালু হলে সাধারণ মানুষ নিজেদের এলাকার উপভোক্তাদের তালিকা অনলাইনে দেখতে পারবেন। তাঁর কথায়, প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রকাশ্যেই রাখা হবে, যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে। যদি কেউ মনে করেন যে তালিকায় এমন কোনও ব্যক্তির নাম রয়েছে, যিনি প্রকল্পের যোগ্য নন, তাহলে সেই পোর্টালের মাধ্যমেই সরাসরি আপত্তি বা অভিযোগ জানানো যাবে। প্রশাসনের দাবি, ১৫ দিন থেকে ১ মাসের মধ্যে সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করা হবে।
