নতুন Bajaj Pulsar N160 S ও N160 SS, ১৬০cc বাইকে মিলবে ১৮.৫ PS শক্তি

-

Bajaj Auto সম্প্রতি Pulsar N160-এর নতুন দুটি ভ্যারিয়েন্ট বাজারে এনেছে। নতুন Pulsar N160 S এবং N160 SS-এর দাম স্ট্যান্ডার্ড N160-এর তুলনায় কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে। N160 S-এর এক্স-শোরুম দাম ১ লক্ষ ৩৩,৫১১ টাকা এবং N160 SS-এর দাম ১ লক্ষ ৪২,৫৮৫ টাকা থেকে শুরু হচ্ছে। নতুন দুই মডেলের সঙ্গে আগের N160-ও বাজারে বিক্রি হতে থাকবে। পুরনো N160-এর তুলনায় N160 S-এর দাম প্রায় ১০,৭০৮ টাকা এবং N160 SS-এর দাম প্রায় ১৪,০৮৯ টাকা বেশি।

নতুন Pulsar N160-এর ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্স

নতুন Pulsar N160 S এবং N160 SS-এর সবচেয়ে বড় আপগ্রেড এসেছে ইঞ্জিনে। দুই মডেলেই রয়েছে ১৬৪.৫ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার, ফোর-ভালভ, অয়েল-কুলড ইঞ্জিন, যা সর্বোচ্চ ১৮.৫ PS শক্তি এবং ১৪.৫ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। অর্থাৎ আগের N160-এর ১৬ PS ইঞ্জিনের তুলনায় নতুন মডেলগুলিতে শক্তি প্রায় ২.৫ PS বেড়েছে। নতুন ইঞ্জিনের সঙ্গে রাইড-বাই-ওয়্যার প্রযুক্তিও যুক্ত হয়েছে।

- Advertisement -

নতুন Pulsar N160 S ও SS-এ কী কী ফিচার থাকছে?

নতুন Pulsar N160 S এবং N160 SS মডেলগুলিতে ইলেকট্রনিক থ্রটল বডি বা Ride-by-Wire প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় একাধিক রাইডিং মোড পাওয়া যাচ্ছে। Road, Rain ও Sport-এর পাশাপাশি Off-road মোডও রয়েছে, ফলে পরিস্থিতি অনুযায়ী বাইকের থ্রটল রেসপন্স ও পাওয়ার ডেলিভারি সামঞ্জস্য করা যাবে। পাশাপাশি কম গতিতে বারবার ক্লাচ ব্যবহার কমানোর জন্য রয়েছে Crawl Technology। টপ-স্পেক N160 SS মডেলে অতিরিক্ত Responsive Traction Control-ও দেওয়া হয়েছে। দুই ভ্যারিয়েন্টেই ৫-স্পিড গিয়ারবক্স রয়েছে। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—Bajaj-এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী নতুন N160 S ও N160 SS-এর ০–৬০ কিমি/ঘণ্টা গতি তুলতে প্রায় ৪.৫ সেকেন্ড সময় লাগে; ০–১০০ কিমি/ঘণ্টার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেকেন্ডের দাবি নয়।

নতুন Pulsar N160-এ রাইডিং মোড ও ট্র্যাকশন কন্ট্রোল

সাসপেনশনেও নতুন Pulsar N160 S ও N160 SS-এ বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। আগের ৩৩ মিমি ফর্কের পরিবর্তে নতুন মডেলগুলিতে ৩৭ মিমি আপসাইড-ডাউন ফ্রন্ট ফর্ক দেওয়া হয়েছে। তবে দুই ভ্যারিয়েন্টের ফিচারে পার্থক্য রয়েছে। টপ-স্পেক N160 SS-এ রয়েছে ৫ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে, যেখানে Google Maps মিররিং করা যায়। ফলে ফোনের Google Maps নেভিগেশন সরাসরি বাইকের ডিসপ্লেতে দেখা যাবে। এর সঙ্গে Bluetooth ও Wi-Fi কানেক্টিভিটিও রয়েছে। অন্যদিকে, N160 S-এ রয়েছে ৫ ইঞ্চির কালার LCD ডিসপ্লে ও Bluetooth কানেক্টিভিটি। N160 SS মডেলে আরও মিলবে অ্যাডজাস্টেবল ক্লাচ ও ব্রেক লিভার।

- Advertisement -

সাসপেনশন ও ব্রেকিং সিস্টেমে কী পরিবর্তন হয়েছে?

নতুন Pulsar N160 S এবং N160 SS-এর মূল ডিজাইন আগের মডেলের মতোই রাখা হলেও নতুন গ্রাফিক্স ও রঙিন অ্যালয় হুইলের মাধ্যমে বাইক দুটিকে আরও স্পোর্টি লুক দেওয়া হয়েছে। Atlantic Blue, Brooklyn Black এবং Pearl Metallic White-সহ একাধিক কালার অপশন পাওয়া যাচ্ছে। তবে নতুন মডেল দুটি পুরনো N160-এর জায়গা নিচ্ছে না; বরং স্ট্যান্ডার্ড N160-এর উপরে অবস্থান করছে এবং বেশি ফিচার ও শক্তিশালী ইঞ্জিনের কারণে এদের দামও বেশি। ১৮.৫ PS শক্তির নতুন ৪-ভালভ ইঞ্জিনের কারণে N160 S ও N160 SS এখন Pulsar পরিবারের সবচেয়ে শক্তিশালী ১৬০cc মডেলগুলির মধ্যে রয়েছে। ফলে ১৬০cc সেগমেন্টে TVS Apache RTR 160 4V এবং Hero Xtreme 160R 4V-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে Bajaj-এর লড়াই আরও জোরদার হবে।

Breaking News