Homeপশ্চিমবঙ্গবাংলায় শুরু হতে চলেছে ডিজিটাল জনগণনা, জারি হল নতুন বিজ্ঞপ্তি

বাংলায় শুরু হতে চলেছে ডিজিটাল জনগণনা, জারি হল নতুন বিজ্ঞপ্তি

-

আর দেরি নয়, এবার পশ্চিমবঙ্গেও (West Bengal) জনগণনার প্রস্তুতি (Census 2027) শুরু হতে চলেছে। এই প্রেক্ষিতে সেনসাস অফিসার (Census Officers Appointment) নিয়োগ নিয়ে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের পক্ষ থেকে কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা বা সেনসাস করা হয়, তবে করোনার সময়ে তা স্থগিত থাকায় নির্ধারিত সময়ে জনগণনা হয়নি, যা নিয়ে তখন ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার ২০২৬ সালের নির্বাচন পর্ব শেষ হওয়ার পর ফের জনগণনা ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে, এবং জানা যাচ্ছে এই প্রথমবার ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ জনগণনা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ দায়িত্ব অফিসারদের (Census 2027)

গত ১৮ মে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ডিভিশনাল কমিশনারদের ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার, জেলা শাসকদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং অতিরিক্ত জেলা শাসকদের ডিস্ট্রিক্ট সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হতে চলেছে। পাশাপাশি ডিস্ট্রিক্ট প্ল্যানিং অফিসার, ডিস্ট্রিক্ট স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসার, জেলা ইনফরমেটিক্স অফিসার এবং জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের অতিরিক্ত জেলা জনগণনা আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে। এছাড়াও মহকুমা শাসক ও মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেটরা সাব-ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার হিসেবে কাজ করবেন বলে জানানো হয়েছে, যার মাধ্যমে আগামী জনগণনার কাজ আরও সুসংগঠিতভাবে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

- Advertisement -

দায়িত্ব পালনের সতর্কবার্তা

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (BDO)-দের চার্জ সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হতে চলেছে। একইভাবে শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে পুরসভা স্তরের আধিকারিকদেরও এই কাজে যুক্ত করা হবে। জানা গিয়েছে, মিউনিসিপ্যাল কমিশনারদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং পুরসভা ও স্ট্যাটিউটরি টাউনের এক্সিকিউটিভ অফিসার, প্রশাসক ও সচিবদের টাউন সেনসাস অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে জনগণনার জন্য। পাশাপাশি সবাই যাতে নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন, সে বিষয়ে কড়া সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, জনগণনা সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত কেউ যদি দায়িত্ব পালনে অস্বীকার করেন বা অন্যের কাজে বাধা দেন, তাহলে জনগণনা আইন, ১৯৪৮-এর ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রদফতর সূত্রে খবর, জনগণনা আধিকারিকের অপরাধ যদি প্রমাণিত হয় তাহলে তাকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে এবং গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জনগণনা দুই ধাপে হবে, প্রথম ধাপ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। এইবারের জনগণনায় নাগরিকরা নিজস্ব নথিভুক্তকরণ-এর সুযোগ পাবেন।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে এবার সাধারণ মানুষ নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। পরিবারের বিস্তারিত তথ্যের পাশাপাশি বাড়ি ও সম্পত্তির তথ্যও সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। এরপর জনগণনার আধিকারিকরা প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন, এবং যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর আবেদনপত্র লক করে দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, এবারের জনগণনার জন্য মোট বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা।

- Advertisement -
- Advertisement -
Breaking News
- Advertisement -
Related Stories
- Advertisement -