সাদিকুল খান, কলকাতাঃ দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় বিল্ডিং ধসের ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে মালিক হরিরাম-সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, তবে এই ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ ক্যাম্পাস থানায় FIR নম্বর ১৫৩/২৬-এ BNS-এর ১০৫, ২৯০ ও ১২৫(a) ধারায় মালিক হরিরাম এবং অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ধসে পড়া বিল্ডিংটি PG হিসেবে ব্যবহার করা হত। অভিযোগ, বিল্ডিংটির গ্রাউন্ড ফ্লোরে সংস্কারের কাজ চলছিল এবং সেই কাজের জেরেই আচমকা পুরো বিল্ডিংটি ধসে পড়ে। ঘটনায় অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক পুলিশ দল গঠন করা হয়েছে এবং তাদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে।
বিল্ডিং ধসের ঘটনায় শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর
দিল্লির সত্য নিকেতনে বিল্ডিং ধসে প্রাণহানির ঘটনায় রবিবার গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর X পোস্টে জানান, এই দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য তিনি প্রার্থনা করছেন। ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘দিল্লির সত্য নিকেতনে একটি বিল্ডিং ধসে পড়ার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানাই।’ আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্যও প্রার্থনা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করতে ঘটনাস্থলে প্রশাসন কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ১০০ বছরের ব্যবসায় বড় ধাক্কা! টাটাকে কেনিয়া ছাড়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
সত্য নিকেতনে বিল্ডিং ধসে ৫ জনের মৃত্যু
সত্য নিকেতন মার্কেটে বিল্ডিং ধসে এখনও পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী ৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চলছে এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে পড়া বা ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে প্রশাসনের তরফে লাগাতার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোকপ্রকাশ করে বলেন, “ঘটনাস্থলে প্রশাসন কাজ করছে এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করছে।” সত্য নিকেতনে বিল্ডিং ধসের পর উদ্ধারকারী দলগুলি যখন ঘটনাস্থলে অভিযান চালাচ্ছে, সেই সময়ই প্রধানমন্ত্রীর এই শোকবার্তা সামনে এসেছে।
