শীতকালের মতো গরমকালে বাজারে খুব বেশি টাটকা সবজির দেখা মেলে না। আর সেই সময় কুমড়ো, পটল বা ঝিঙের মতো পুষ্টিকর সবজিগুলো দেখলেই অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নেন। বিশেষ করে কুমড়োর নাম শুনলেই অনেকের নাক সিটকানো শুরু হয়। তবে আজ আমরা কুমড়ো দিয়েই এমন এক দুর্দান্ত রেসিপির কথা বলব, যা একবার খেলে বাচ্চা থেকে বড় সবাই আরও চাইবে। এই বিশেষ পদটির নাম ‘তিলবাহারি কুমড়ো’ (Tilbahari Kumro)। তিল আর মশলার অসাধারণ স্বাদে তৈরি এই রান্না ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে খেতে দারুণ লাগে। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক কীভাবে খুব সহজে বানাবেন এই মুখরোচক রেসিপি।
Tilbahari Kumro উপকরণ
তিলবাহারি কুমড়ো বানাতে খুব বেশি কিছু লাগে না, বাড়িতে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়েই সহজে তৈরি করা যায় এই সুস্বাদু পদ। এর জন্য লাগবে কুমড়ো, আলু, টমেটো, কাঁচা লঙ্কা, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, কালো জিরে, আদা বাটা, কাঁচা লঙ্কা বাটা, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, নুন, হলুদ, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো, সাদা তিল বাটা, ভিজিয়ে রাখা কাঁচা ছোলা, ধনেপাতা এবং রান্নার জন্য সর্ষের তেল। এই সব উপকরণের মিশ্রণেই তৈরি হবে দারুণ স্বাদের তিলবাহারি কুমড়ো।
পদ্ধতি
তিলবাহারি কুমড়ো বানানোর জন্য প্রথমে কাঁচা ছোলা আগের রাত থেকেই জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর কুমড়ো, আলু ও টমেটো মাঝারি আকারে কেটে আলাদা করে রাখুন। এবার কড়াইতে সামান্য সর্ষের তেল গরম করে তার মধ্যে কাঁচা লঙ্কা, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা ও কালো জিরে ফোড়ন দিন। ফোড়নের সুন্দর গন্ধ বেরোতে শুরু করলে কেটে রাখা আলু ও কুমড়ো কড়াইতে দিয়ে ভালো করে নেড়ে ভেজে নিতে হবে।
আলু আর কুমড়ো ভাজার সময় তাতে সামান্য নুন, আদা বাটা, কাঁচা লঙ্কা বাটা, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, হলুদ ও শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। এরপর ৫-৭ মিনিট রান্না হওয়ার পর কড়াইয়ের ঢাকনা খুলে সবজিগুলো ভালোভাবে নেড়ে তার মধ্যে সাদা তিল বাটা মিশিয়ে দিন। সবকিছু ভালো করে মাখিয়ে আরও ২-৩ মিনিট রান্না করে আগের রাত থেকে ভিজিয়ে রাখা কাঁচা ছোলা দিয়ে দিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু তিলবাহারি কুমড়ো। নামানোর আগে উপর থেকে সামান্য ধনেপাতা ছড়িয়ে দিলে স্বাদ আর গন্ধ দুটোই আরও বেড়ে যাবে।
