ট্রাফিক আইন নিয়ে কড়াকড়ি বাড়ানোর আলোচনা চলতেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হেলমেটের চাহিদা বেড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর ক্ষেত্রে জরিমানা ও সচেতনতা নিয়ে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ার পর অনেকেই এখন নিরাপত্তার দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এর প্রভাব পড়েছে বাজারেও— বিক্রেতাদের একাংশের মতে, আগের তুলনায় হেলমেট কেনার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে নিরাপদে গাড়ি চালানোর অভ্যাস নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে (Helmet Sales In West Bengal)।
হেলমেট ছাড়া রাস্তায় নামলেই জরিমানা (Helmet Sales In West Bengal)
ব্যস্ত রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ম না মেনে দ্রুতগতিতে বাইক চালানোর ঘটনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে রাতের দিকে অনেক এলাকায় বেপরোয়া বাইক চালানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। আগে অনেক ক্ষেত্রেই নিয়ম ভাঙার পরেও চালকেরা সতর্কবার্তা পেয়ে ছাড় পেয়ে যেতেন বলে অভিযোগ ছিল। তবে এখন ট্রাফিক নিয়ম প্রয়োগে আরও জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে জরিমানা করা হতে পারে।
৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে হেলমেটের চাহিদা
ট্রাফিক নিয়ম প্রয়োগে কড়াকড়ি বাড়ানোর আলোচনা শুরু হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হেলমেট কেনার প্রবণতা বেড়েছে বলে বাজার মহলের দাবি। কলকাতা থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, বাঁকুড়া, মালদহ, মেদিনীপুর, কৃষ্ণনগর, আসানসোল, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির মতো একাধিক এলাকায় হেলমেটের চাহিদা বাড়ার খবর সামনে এসেছে। এর প্রভাব পড়েছে হেলমেট প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির বিক্রিতেও। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু সংস্থার বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এবং শিশুদের জন্য হেলমেট কেনার প্রবণতাও আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
নিরাপদ বাইক চালানোর বার্তা দিচ্ছে নতুন নিয়ম
বাজারে যখন হেলমেটের চাহিদা দ্রুত গতিতে বাড়ছে সেই সময় স্টাডস অ্যাক্সেসরিজের জেনারেল ম্যানেজার আদিত্য ভার্মা জানিয়েছেন, মানুষ ধীরে ধীরে সচেতন হচ্ছে। যে সব এলাকায় আগে মানুষ কখনও হেলমেট ব্যবহার করতেন না, সেখানে এখন নিয়ম মেনে হেলমেট পরার প্রবণতা বেড়েছে। পাশাপাশি শিশুদের হেলমেট বিক্রি বৃদ্ধিও সেই পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন দেখার এই ট্রাফিক আইন কতদিন এমন কড়াকড়ি অবস্থান করে।
