ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ (FIFA World Cup 2026)-এর ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও স্পেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই ফ্রান্সের নাম সেই ম্যাচের আলোচনায় থাকার কথা নয়। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালের ফল প্রকাশের পরই শিরোনামে উঠে এল ফ্রান্স এবং তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে (Kylian Mbappé)। মাঠে না খেলেও নিজের কৃতিত্বের জোরে নতুন ইতিহাস গড়েছেন এই ফরাসি তারকা। সোমবার ভোরে ফাইনালের পর প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এমবাপে এমন এক নজির গড়েছেন, যা এর আগে বিশ্বের আর কোনও ফুটবলারের ঝুলিতে ছিল না।
ভবিষ্যতে এই রেকর্ড ভাঙা প্রায় অসম্ভব!
এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে থেমে যায় ফ্রান্স। এরপর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও ইংল্যান্ডের কাছে হার মানতে হয় দিদিয়ের দেশঁর দলকে। তবে দল জিততে না পারলেও নিজের পারফরম্যান্সে আবারও নজর কেড়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের আগে তাঁর গোলসংখ্যা ছিল ৮। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে মোট ১০টি গোল করার নজির গড়েন তিনি। শুধু গোলই নয়, পুরো টুর্নামেন্টে তাঁর ঝুলিতে ছিল ৪টি অ্যাসিস্টও।
অন্যদিকে এ বছর ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসি। তাঁর গোল সংখ্যা 8 হওয়ায় 2022 কাতার বিশ্বকাপের পর একটানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জিতেছেন এমবাপে। আর সেই সূত্র ধরেই বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হয়ে উঠেছেন তিনি। এর আগে পরপর দুটি বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতার নজির তুলে ধরতে পারেননি বিশ্বের কেউই। যেই রেকর্ড ভবিষ্যতে ভেঙে ফেলা বেশ কঠিন!
উল্লেখ্য, ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে-র বর্তমান বয়স মাত্র ২৭ বছর। তাই সামনে তাঁর আরও কয়েকটি ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে আরও বহু রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল। ইতিমধ্যেই এবারের বিশ্বকাপে দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে তিনি নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। টুর্নামেন্টে নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে লিওনেল মেসিকে পিছনে ফেলে ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নাম লিখিয়েছেন এমবাপে।
