বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কার পর মঙ্গলবার প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ধর্মতলার Y চ্যানেলে ধর্না দেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি নিটের প্রশ্ন ফাঁস, ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং হকার উচ্ছেদসহ একাধিক ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। একই মঞ্চ থেকে তিনি বাংলাদেশের ছাত্রনেতা ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়েও বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন এবং দাবি করেন, হত্যাকারীরা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলায় ঢোকার পর এসটিএফ তাদের গ্রেফতার করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনও তাঁর কাছে এসেছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন পেয়েছিলেন মমতা!
নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্থিরতা আরও বেড়েছে, দলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশের ঘটনাও সামনে আসছে এবং ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে আলাদা দল গঠনের জল্পনাও ঘুরছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার ধর্না মঞ্চ থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করে বাংলাদেশের ছাত্রনেতা ওসমান হাদি প্রসঙ্গ টেনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে হাদিকে হত্যা করার পর তার অভিযুক্তরা বাংলায় পালিয়ে আসে এবং পরে এসটিএফ তাদের গ্রেফতার করে; পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে তাঁর কাছে ফোন এসেছিল এবং সেই কথোপকথনে বিষয়টি বাইরে না জানাতে বলা হয়েছিল।
মমতা বললেন, দেশের স্বার্থে তিনি নাম বলবেন না তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে ফোনে বলেছিলেন, “আপনি শুধু আপনার বাংলার পুলিশকে একটু বলে দিন যাতে এই কথা বাইরে না যায়।” এক কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দোষীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছেন! যদিও এমন খবরের সত্যতা যাচাই করিনি আমরা। বিজেপির তরফেও এ নিয়ে নতুন কোনও বক্তব্য আসেনি। তবে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় যে নতুন করে বিতর্ক জন্মেছে সে কথা বলাই যায়।
