পশ্চিমবঙ্গে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে প্রি-পেইড স্মার্ট মিটার (Smart Meter) চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ইতিমধ্যেই দ্রুত কাজ এগোচ্ছে। এই ব্যবস্থায় আগের মতো মাসের শেষে বিল দেওয়ার বদলে মোবাইল রিচার্জের মতো আগে থেকে ব্যালেন্স ভরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হবে। তাই স্মার্ট মিটার ব্যবহারের আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি
স্মার্ট মিটার নতুন নিয়ম
জুলাই মাস থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রি-পেইড স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ আরও জোরদার হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তাই যাদের বাড়িতে এই নতুন মিটার লাগানো হবে, তাদের আগে থেকেই কয়েকটি বিষয় জেনে রাখা দরকার। এই ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ ব্যবহার, অবশিষ্ট ব্যালেন্স, রিচার্জের হিসাব এবং খরচের বিস্তারিত তথ্য WBSEDCL-এর অ্যাপের মাধ্যমে দেখা যাবে। পাশাপাশি পোস্ট-পেইড থেকে প্রি-পেইড ব্যবস্থায় যাওয়ার আগে পুরনো বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকলে তা মিটিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও থাকতে পারে। সূত্র অনুযায়ী, বকেয়া নিষ্পত্তি সংক্রান্ত কিছু নতুন নিয়ম আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে পারে।
বকেয়া বিল মেটাতে কী করতে হবে?
স্মার্ট মিটার বসানোর আগে যদি কারও পুরনো বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকে, তাহলে তা মেটানোর জন্য মূলত দু’টি বিকল্প রাখা হয়েছে। প্রথমত, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে বকেয়া বিল ডাউনলোড করে একবারে পুরো টাকা জমা করা যাবে। আর যারা একসঙ্গে সম্পূর্ণ টাকা দিতে পারবেন না, তাদের জন্য দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, WBSEDCL প্রায় ৩০০ দিনের কিস্তির মাধ্যমে বকেয়া বিল মেটানোর সুবিধা দিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।
সম্প্রতি গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর করার জন্য বিদ্যুৎ সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে, স্মার্ট মিটারের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বন্ধ করা হবে না। ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ অগ্রিমভাবে ব্যবহার করা যাবে। তারপরও রিচার্জ না করলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হতে পারে। তাছাড়া ছুটির দিন, রবিবার এবং অফিস টাইমের বাইরে ব্যালেন্স ফুরিয়ে গেলে বিদ্যুৎ বন্ধ করা হবে না।
