আবারও রাজ্যে নাবালিকার মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল (Dinhata Rape Case)। কোচবিহারের দিনহাটার বামনহাট ১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায় একটি পাটক্ষেত থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্যাতনের পর তাকে খুন করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে ওই নাবালিকার গৃহশিক্ষক সফিকুল শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ধর্ষণের অভিযোগ ও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পূর্ণাঙ্গ ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শিক্ষকই ভক্ষক? (Dinhata Rape Case)
মৃতের পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, বুধবার সকাল ১০ টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ওই নাবালিকা। কিন্তু বিকেল করিয়েও যখন সে বাড়ি ফিরল না তখন সন্ধ্যায় সময় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর কাছের একটি পাটক্ষেত থেকে ওই নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গলায় পেঁচানো ছিল একটি লেগিংস। নাবালিকা সেদিন বাড়ি থেকে বেরোয় বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌঁছায় সাহেবগঞ্জ থানা পুলিশ তারা দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, বিকেল গড়িয়ে যাওয়ার পরও নাবালিকার খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং পরে পাটক্ষেত থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে সফিকুল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি ওই নাবালিকার গৃহশিক্ষক বলে জানা গিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্গঠন করা হচ্ছে। কীভাবে এবং কী কারণে এই মৃত্যু ঘটেছে, তা জানতে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তবে নির্যাতন ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্য তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরই স্পষ্ট হবে।
