Homeপড়াশোনা খবরশিক্ষানবম শ্রেণি থেকেই ৩ ভাষা বাধ্যতামূলক, কী বলছে CBSE?

নবম শ্রেণি থেকেই ৩ ভাষা বাধ্যতামূলক, কী বলছে CBSE?

-

দেশের স্কুল শিক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে (CBSE Borad)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে নবম শ্রেণিতে ওঠা সমস্ত পড়ুয়াকে তিনটি ভাষা পড়তে হবে। এই সিদ্ধান্ত জাতীয় শিক্ষানীতি বা NEP-এর নির্দেশিকা মেনেই কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের জন্য স্বস্তির খবর হলো, তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানো হলেও দশম শ্রেণির ফাইনাল বোর্ড পরীক্ষায় সেই ভাষার আলাদা পরীক্ষা দিতে হবে না। কোন কোন ভাষা? জানুন বিস্তারিত।

নতুন নিয়মে কী কী শর্ত রয়েছে? (CBSE Borad)

CBSE-র নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, নবম শ্রেণি থেকে পড়ুয়াদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে এবং তার মধ্যে অন্তত দু’টি ভাষা অবশ্যই ভারতীয় ভাষা হতে হবে। অর্থাৎ কোনও ছাত্রছাত্রী যদি ফরাসি, জার্মান বা চীনা ভাষার মতো বিদেশি ভাষা শিখতে চায়, তাহলে সেটিকে শুধুমাত্র তৃতীয় ভাষা বা অতিরিক্ত চতুর্থ ভাষা হিসেবেই বেছে নেওয়া যাবে। বাকি দু’টি ভাষা ভারতীয় হওয়াই বাধ্যতামূলক। জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে মিল রেখেই এই নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে বলে বোর্ড জানিয়েছে।

- Advertisement -

তবে এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে যাতে পড়ুয়াদের উপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ না পড়ে, সেদিকেও বিশেষ নজর দিয়েছে বোর্ড। সিবিএসই স্পষ্ট করেছে যে, তৃতীয় ভাষার জন্য কোনও আলাদা বোর্ড পরীক্ষা নেওয়া হবে না। স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন বা ইন্টার্নাল অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমেই এই বিষয়ের নম্বর দেওয়া হবে। সেই নম্বর বা গ্রেড অবশ্য চূড়ান্ত সিবিএসই সার্টিফিকেটে উল্লেখ থাকবে। পাশাপাশি বোর্ড এও জানিয়েছে যে, তৃতীয় ভাষায় কম নম্বর পাওয়ার কারণে কোনও ছাত্রছাত্রীকে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় বসা থেকে আটকানো যাবে না।

নতুন এই ব্যবস্থা দ্রুত চালু করতে গিয়ে যাতে স্কুলগুলির কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য কিছু অন্তর্বর্তীকালীন ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। নতুন পাঠ্যবই তৈরি না হওয়া পর্যন্ত নবম শ্রেণির পড়ুয়ারা আপাতত ষষ্ঠ শ্রেণির তৃতীয় ভাষার বই ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া ভাষা শিক্ষকের অভাব মেটাতে স্কুলগুলি পার্শ্ববর্তী স্কুলের শিক্ষক শেয়ার করতে পারবে কিংবা অনলাইন ক্লাসের সাহায্য নিতে পারবে। প্রয়োজনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বা যোগ্য পোস্ট গ্র্যাজুয়েটদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সুযোগও রাখা হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, প্রবাসী ভারতীয় এবং বিদেশি পড়ুয়াদের জন্যও আবেদন সাপেক্ষে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এক্ষেত্রে আরও উল্লেখ করার বিষয়, উচ্চ মাধ্যমিক বা দ্বাদশ শ্রেণীর ফলাফল প্রকাশের পর পদার্থবিদ্যা, জীববিদ্যা, রসায়ন বা গণিতের নম্বর নিয়ে সমাজ মাধ্যমে তৈরি হওয়া বিতর্কের জবাব দিয়েছে বোর্ড। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাদের ওয়ান স্ক্রিন মার্কিং বা ডিজিটাল খাতা দেখার পদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং নির্ভুল। আর ডিজিটাল মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রতিটি উত্তর এর মার্কিং সুনিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি যদি কোনও পড়ুয়া নম্বরে সন্তুষ্ট না হয়, সেক্ষেত্রে আগের মতোই খাতা রিভিউ করার জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকছে।

- Advertisement -
- Advertisement -
Breaking News
- Advertisement -
Related Stories
- Advertisement -