Sugar Price Hike: কেন বাড়ছে চিনির দাম? আরও বাড়বে কি? আখ থেকে ইথানল, কারণ জানাল কেন্দ্র

-

সাদিকুল খান, কলকাতা: গত এক মাসে ভারতে চিনির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা নিয়ে মধ্যবিত্তের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০ জুলাই ২০২৬-এ প্রতি কেজি চিনির গড় খুচরো দাম ছিল ৪৮.১৮ টাকা, যা ২০ আগস্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫.৭০ টাকা (Sugar Price Hike)। অর্থাৎ এক মাসে কেজিপ্রতি দাম ৭.৫২ টাকা বা প্রায় ১৫.৬ শতাংশ বেড়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে কম চিনি উৎপাদন, আবহাওয়ার কারণে আখের ক্ষতি, উৎসবের মরশুমের আগে চাহিদা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহের চাপ এবং কিছু ক্ষেত্রে মজুতদারি ও জল্পনামূলক লেনদেনের কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে চিনির দাম বাড়ার সঙ্গে ইথানল উৎপাদনের জন্য চিনি সরিয়ে নেওয়াকে সরাসরি দায়ী করা ঠিক নয় বলে স্পষ্ট করেছে সরকার। বরং ইথানলের জন্য চিনির ব্যবহার ২০২২-২৩ সালের প্রায় ১২ শতাংশ থেকে ২০২৫-২৬ সালে প্রায় ৯ শতাংশে নেমেছে।

চিনির দাম আরও বাড়তে চলেছে (Sugar Price Hike)

চিনির চাহিদা সারা বছরই রয়েছে, তবে উৎসবের মরশুমে এর ব্যবহার আরও বেড়ে যায়। ফলে আখের সরবরাহ কমে গেলে বা উৎপাদন চাহিদার তুলনায় কম হলে বাজারে চিনির দাম বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। উৎসবের মরশুমে বাড়তি চাহিদার কারণে আগামী দিনে দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত ২০ জুলাই ২০২৬-এ প্রতি কেজি চিনির গড় দাম ছিল ৪৮.১৮ টাকা, যা ২০ আগস্ট বেড়ে ৫৫.৭০ টাকা হয়েছে। উপভোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা এবং বাজারে চিনির দাম স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উৎসবের সময় যাতে বাজারে চিনির ঘাটতি না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

- Advertisement -

চিনির দাম বৃদ্ধির জন্য ইথানল দায়ী নয়, বরং দায়ী আখের কম উৎপাদন

চিনির দাম সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০ জুলাই ২০২৬-এ প্রতি কেজি চিনির গড় দাম ছিল ৪৮.১৮ টাকা, যা এক মাসের ব্যবধানে ২০ আগস্ট বেড়ে ৫৫.৭০ টাকা হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি নজরে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাধারণ মানুষের জন্য বাজারে পর্যাপ্ত চিনি সরবরাহ বজায় রাখা এবং দাম যাতে অস্বাভাবিকভাবে না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উৎসবের মরশুমে চাহিদা বাড়লেও যাতে বাজারে চিনির ঘাটতি তৈরি না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে চিনির মূল্যবৃদ্ধির পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রত্যাশার তুলনায় কম দেশীয় উৎপাদন, উৎসবের মরসুমের আগে চাহিদা বৃদ্ধি, আবহাওয়ার কারণে আখের ক্ষতি, বিশ্ববাজারে চিনির সরবরাহ কমে যাওয়া এবং শিল্পের কিছু অংশের মজুতদারি ও কালোবাজারি বা অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা।

বিশ্ববাজারেও বাড়ছে চিনির দাম

চিনির দাম বাড়ার প্রবণতা শুধু ভারতেই নয়, বিশ্ববাজারেও দেখা যাচ্ছে। ২০২৬-২৭ মরশুমে বিশ্বে প্রায় ৩৩ লাখ মেট্রিক টন (LMT) চিনি ঘাটতি হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া নিয়ে উদ্বেগও চিনি উৎপাদন ও সরবরাহের উপর প্রভাব ফেলছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারেও চিনির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ৩০ জুন ২০২৬-এ প্রতি টন চিনির দাম যেখানে ৪৭৪ ডলার ছিল, ২০ আগস্ট তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫২ ডলারে। অর্থাৎ দুই মাসেরও কম সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম ৭৮ ডলার বা ১৬ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

Breaking News