আবহাওয়া খেলাধূলা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য টাকাপয়সা প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ারবাজার বিনোদন  শিল্প অন্যান্য
প্রথম পাতা / / West Bengal Assembly Election 2026: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোন আসনে লড়বেন?

West Bengal Assembly Election 2026: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোন আসনে লড়বেন?

West Bengal Assembly Election 2026

West Bengal Assembly Election 2026: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হবেন কি না তা নিয়েও ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে তৃণমূলের সভাপতির সুব্রত বক্সীর একটি মন্তব্যের পর শোরগোল আরও বেড়েছে। এই কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে মমতার জন্যই খ্যাত, তবে ২০২১ সালে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে তাদের লড়াই ছিল তীব্র এবং নির্বাচনের ফলাফলে মমতা জয়ী হন, যদিও সেই ফলাফলের বিরুদ্ধে বিস্তর বিতর্ক এবং আদালতের মামলা ছিল। পরে মমতা ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, যা আবারও কেন্দ্রে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি থাকায় মুখ্যমন্ত্রী কোন আসনে লড়বেন তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তুঙ্গে। ফের তিনি নন্দীগ্রামে লড়বেন নাকি আবার ভবানীপুরকে বেছে নেবেন, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সভাপতির সুব্রত বক্সীর একটি মন্তব্য নতুন শোরগোল সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার ভবানীপুরে তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চ থেকে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হতে চলেছেন এবং প্রচুর ভোটে জেতানো হবে। একই সভায় ফিরহাদ হাকিমও বলেন, ১ লাখের বেশি ভোটে জয় নিশ্চিত করতে হবে। এই মন্তব্যগুলোই রাজনৈতিক মহলে ধোঁয়াশা তৈরি করেছে যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ভবানীপুর আসন থেকেই লড়বেন কি না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ভবানীপুরে প্রচুর বাইরের লোক ঢোকানো হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা শোনা হচ্ছে না, কারণ অনেকেই ফ্ল্যাট কিনে সেখানে বসবাস শুরু করেছেন। তিনি বলেন, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেষ কয়েক মাস ধরেই ভবানীপুরকে লক্ষ্য করেছে বিজেপি। খোদ শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর চত্বরে একাধিক কর্মসূচি করেছেন। মাত্র এক সপ্তাহ আগে সেখানে বিজেপি একটি মিছিলের আয়োজন করে, যেখানে শুভেন্দু বলেন, নন্দীগ্রামে হারার পর এবার ভবানীপুরেও হারাব। যদিও সেই সময় তৃণমূলের কুণাল ঘোষ দাবি করেন, নন্দীগ্রামে তাদের হারানো হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের কার্যকলাপের কারণে, এবং ভবানীপুরে দাঁড়ালে জামানতও বাজেয়াপ্ত হবে। ভোটের মাত্র কয়েক মাস আগে থেকেই বঙ্গ রাজনীতিতে উত্তাপ তৈরি হয়েছে, পাশাপাশি এসআইআর ইস্যুর উত্তেজনা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে প্রার্থী হবেন কি না তা নিয়েও জলঘোলা শুরু হয়েছে।