Homeপশ্চিমবঙ্গWB Primary Recruitment Case: চন্দ্রনাথ সিংয়ের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের পথে ইডি

WB Primary Recruitment Case: চন্দ্রনাথ সিংয়ের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের পথে ইডি

রহান, কলকাতা: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (WB Primary Recruitment Case) প্রথম থেকেই ইডির নজরে ছিলেন রাজ্যের কারা ও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিং। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তাঁর সাড়ে তিন কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পথে। গোয়েন্দা সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক দুর্নীতি মামলার অভিযুক্ত হওয়ায় বীরভূমের বোলপুর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়কের সম্পত্তি অ্যাটাচমেন্টের প্রক্রিয়া […]

- Advertisement -

রহান, কলকাতা: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (WB Primary Recruitment Case) প্রথম থেকেই ইডির নজরে ছিলেন রাজ্যের কারা ও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিং। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তাঁর সাড়ে তিন কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পথে। গোয়েন্দা সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক দুর্নীতি মামলার অভিযুক্ত হওয়ায় বীরভূমের বোলপুর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়কের সম্পত্তি অ্যাটাচমেন্টের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

চন্দ্রনাথের পরিবারের সদস্যদের স্থাবর সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করবে ইডি (WB Primary Recruitment Case)

রাজ্যের প্রাথমিক দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিংয়ের নাম জড়িয়েছিল। এরপরই তদন্ত এগিয়ে নিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতের কাছে আবেদন জানায়, যাতে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া যায়। যদিও আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয় এবং চন্দ্রনাথের আগাম জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়, তবু এবার ইডির দখলেই রয়েছেন রাজ্যের এই মন্ত্রী।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানাচ্ছে, চন্দ্রনাথ সিংয়ের পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ও বাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হবে। ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। মোট সম্পত্তির বাজারমূল্য প্রায় তিন কোটি ষাট লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে।

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপটেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রাথমিক দুর্নীতি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে চন্দ্রনাথ সিংয়ের বাড়িতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালায় ইডি। সেই অভিযানেই মন্ত্রীর বাড়ি থেকে নগদ ৪১ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। যদিও পরে চন্দ্রনাথ জানিয়েছিলেন, ওই টাকা মূলত কৃষি কাজ ও জমি বিক্রির আয় থেকে এসেছে। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একের পর এক নোটিশ পাঠায়, যাতে তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির নথি জমা দেওয়া হয়। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে গিয়ে চন্দ্রনাথ আত্মসমর্পণ করেন।

--Advertisement--
- Advertisement -
- Advertisement -

Breaking News

- Advertisement -

Related Stories

- Advertisement -