JKNews24 Desk: শেখ হাসিনা সিংহাসনচ্যুত হওয়ার পর থেকেই দফায় দফায় অশান্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। বিক্ষোভের আগুনে ফের জ্বলছে প্রতিবেশী বাংলাদেশ। আর পদ্মাপারের দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের একটা বিস্তীর্ণ অংশ আন্তর্জাতিক সীমানা ভাগ করেছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার বড় পদক্ষেপ করল ভারতীয় নৌসেনা। কলকাতার কাছে হলদিয়ায় ঘাঁটি তৈরিতে তৎপর হয়েছে নৌসেনা। এই ঘাঁটি তৈরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের ছাড়পত্র পাওয়া গিয়েছে। দ্রুত হামলা করা যায় এমন ছোট মাপের রণতরী এই ঘাঁটিতে মোতায়েন থাকবে।
হলদিয়া ঘাঁটি নিয়ে তৎপর ভারতীয় নৌসেনা
ভবিষ্যতে যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে এবং বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে হলদিয়া ঘাঁটিতে বিশেষ নজর দিয়েছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ভারতীয় নৌ বাহিনীর এই ঘাঁটির নাম ঠিক না হলেও এখানে 100 টন ওজনের 45 ন্যাটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করতে তৎপর ভারতীয় নৌবাহিনী। সূত্রের খবর, ভারতীয় নৌসেনার এই ঘাঁটিতে মোতায়ন হতে যাওয়া প্রতিটি যুদ্ধ জাহাজে থাকবে মেশিনগান। যা দিয়ে দ্রুত হামলা চালাতে পারবে নৌবাহিনী।
শুধু তাই নয়, একাধিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, হলদিয়া ঘাঁটিতে ছোট ও দ্রুত আঘাত হানতে সক্ষম যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের পাশাপাশি অন্তত ১০০ জন নৌবাহিনীর আধিকারিকও রাখা হবে। এই আধিকারিকদের মূল দায়িত্ব থাকবে গোটা ঘাঁটির নিরাপত্তা ও পরিচালনা সামলানো। সব মিলিয়ে বলা যায়, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনওরকম সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে যাতে দ্রুত মোকাবিলা করা যায়, সেই লক্ষ্যেই সীমান্তের কাছাকাছি হলদিয়া ঘাঁটিকে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রাখতে চাইছে ভারতীয় নৌবাহিনী।
প্রসঙ্গত, বিগত দিনগুলিতে ভারতের সাথে সখ্যতা কমিয়ে পাকিস্তানের সাথে বন্ধুত্ব বাড়িয়েছে মহম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশ। বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ হঠাৎ বাংলাদেশের বন্দরে নোঙ্গর করে পাকিস্তানের সব যুদ্ধজাহাজ। যা ভারতের জন্য বেশ উদ্বেগের। তাছাড়াও একাধিক সূত্র মারফত খবর, সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশকে দুটি সাবমেরিন দিয়েছে পাকিস্তান। আর সেসব নিয়েই আগামীতে যাতে অল্প দূরত্ব থেকে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হলে সহজে হামলা চালানো যায় সেজন্যই বাংলাদেশের নিকটবর্তী হলদিয়া ঘাঁটিতে যুদ্ধ জাহাজ মোতায়েন করতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনী।









