JKNews24 Desk: ডিসেম্বর আর জানুয়ারির শুরুতে বাংলায় শীত বেশ ভালোই টের পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু মাঘ পড়তেই ছবিটা অনেকটাই বদলে গেছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দিনের বেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশ খানিকটা বেড়ে গিয়েছে—সকালে হালকা ঠান্ডা থাকলেও দুপুর গড়াতেই কপালে ঘাম দেখা যাচ্ছে। তবে রাতের দিকে এখনও মাঝে মাঝে পারদ ১৪ ডিগ্রির আশপাশে নেমে আসছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন, শীত কি তাহলে পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছে, নাকি আবার নতুন করে চমক দিতে চলেছে বাংলা আবহাওয়ায়?
হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি বঙ্গে শীতের আমেজ ধীরে ধীরে কমতে চলেছে। ভোরের সময় এখনও কামড় বসাচ্ছে ঠান্ডা, তবে বেলা বাড়তেই উধাও সেই আমেজ। তবে এখনই শীত পুরো বিদায় নেবে কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলতে নারাজ আবহাওয়াবিদরা। আগামী কয়েক দিনে হয়ত পরিষ্কার জানা যাবে যে, শীত এবার বিদায় নিচ্ছে নাকি ফিরে আসবে আরও এক দফা দাপট নিয়ে। এক নজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া।
দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া আপডেট
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, আগামীকাল মঙ্গলবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা শীতল ও শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় তেমন বড় পরিবর্তন না হলেও দিনের বেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার এক বা দু’টি অংশে কুয়াশা থাকতে পারে, বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে কুয়াশার প্রভাব বেশি দেখা যেতে পারে।
উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া আপডেট
উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট ক্রমশ বাড়ছে, আর তার সঙ্গে তুষারপাতের জেরে পাহাড়ি এলাকায় যান চলাচলেও দেরি হচ্ছে। দার্জিলিঙে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রির ঘরে, আর কালিম্পঙে পারদ ঘোরাফেরা করতে পারে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই কমবেশি কুয়াশার প্রভাব থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরের কিছু এলাকায় ঘন কুয়াশার জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যেখানে দৃশ্যমানতা কমে ১৯৯ থেকে এমনকি ৫০ মিটার পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।









