JKNews24 Bangla Disk: বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় বড় বদলের পথে হাঁটছে Delhi। খুব শিগগিরই সাধারণ মানুষ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে বিদ্যুৎ কেনাবেচা করতে পারবেন (Electricity Sale) । এই নতুন ব্যবস্থার নাম রাখা হয়েছে ভার্চুয়াল নেট মিটারিং। ইতিমধ্যেই Delhi Electricity Regulatory Commission এই প্রকল্পের নির্দেশিকা জারি করেছে। রাজধানীর তিনটি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রথম ধাপে অন্তত ১০০০ জন গ্রাহক প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও স্বচ্ছতা ও বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরি হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
কী এই ভার্চুয়াল নেট মিটারিং? (Electricity Sale)
ভার্চুয়াল নেট মিটারিং এমন এক আধুনিক ব্যবস্থা, যেখানে এক জায়গায় উৎপাদিত সৌর বিদ্যুৎ একাধিক গ্রাহকের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া যায়, তাও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেই। অর্থাৎ যাঁদের নিজের বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর মতো জায়গা নেই, তাঁরাও সৌর বিদ্যুতের সুবিধা নিতে পারবেন। ধরুন, একটি বহুতল আবাসনের ২০ জন বাসিন্দা মিলে খালি জায়গায় একটি কমন সোলার প্ল্যান্ট বসালেন—তাহলে সেই প্ল্যান্টে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রত্যেকের মধ্যে নির্দিষ্ট অনুপাতে ভাগ হয়ে যাবে এবং প্রত্যেকে নিজের ব্যবহারের ভিত্তিতে আলাদা বিল পাবেন। তবে এই সুবিধা পেতে স্মার্ট মিটার থাকা বাধ্যতামূলক।
মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেই হবে কাজ
নতুন এই ব্যবস্থার মূল ভরসাই হবে একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমেই গ্রাহকরা নিজেদের উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবেন, প্রয়োজনে অন্যের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতেও পারবেন এবং নিজেদের দরও ঠিক করতে পারবেন। কত ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি হল বা কেনা হল, কত টাকা লাভ বা সাশ্রয় হল—সব তথ্যই অ্যাপে সহজে দেখা যাবে। সবচেয়ে বড় কথা, প্রতিটি লেনদেন ডিজিটালভাবে রেকর্ড থাকবে, ফলে পুরো প্রক্রিয়াতেই স্বচ্ছতা অনেকটাই বাড়বে।
কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে?
ভার্চুয়াল নেট মিটারিং চালু হলে একাধিক সুবিধা মিলবে গ্রাহকদের। প্রথমত, যারা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করবেন, তারা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে বাড়তি আয় করতে পারবেন। দ্বিতীয়ত, ক্রেতারা অনেক সময় সরকারি নির্ধারিত দামের থেকেও কম খরচে বিদ্যুৎ পেতে পারেন, ফলে সাশ্রয়ের সুযোগ থাকবে। আর তৃতীয়ত, যাঁদের নিজের ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর জায়গা নেই, তাঁরাও এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন। সব মিলিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে বড় ভূমিকা নেবে এই উদ্যোগ।







