Homeপশ্চিমবঙ্গএকুশের ‘গ্যাসের ব্যথা’ ছাব্বিশে আরও তীব্র! ভোটের কেন্দ্রে ফের সিলিন্ডার ইস্যু

একুশের ‘গ্যাসের ব্যথা’ ছাব্বিশে আরও তীব্র! ভোটের কেন্দ্রে ফের সিলিন্ডার ইস্যু

সময় বদলেছে, ক্যালেন্ডার বলছে নতুন নির্বাচনের বছর, কিন্তু সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাসের যন্ত্রণা যেন কমার বদলে আরও বেড়েছে। আসন্ন West Bengal Assembly Election-এর আগে আবারও সেই সিলিন্ডার ইস্যুই হয়ে উঠছে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। LPG-র বাড়তি দাম আর জোগানের টানাপোড়েন—এই দুইকে হাতিয়ার করেই রাস্তায় নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালের ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে সিলিন্ডার মিছিল করে এই ইস্যুকেই […]

- Advertisement -

সময় বদলেছে, ক্যালেন্ডার বলছে নতুন নির্বাচনের বছর, কিন্তু সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাসের যন্ত্রণা যেন কমার বদলে আরও বেড়েছে। আসন্ন West Bengal Assembly Election-এর আগে আবারও সেই সিলিন্ডার ইস্যুই হয়ে উঠছে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। LPG-র বাড়তি দাম আর জোগানের টানাপোড়েন—এই দুইকে হাতিয়ার করেই রাস্তায় নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালের ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে সিলিন্ডার মিছিল করে এই ইস্যুকেই সামনে এনেছিলেন Mamata Banerjee, যখন গ্যাসের দাম ৬২০.৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৮৪৫.৫০ টাকায় পৌঁছেছিল এবং তা ভোটের ফলাফলেও বড় প্রভাব ফেলেছিল। পাঁচ বছর পর, ২০২৬-এর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে সেই ছবিটাই যেন আরও তীব্র—গ্যাসের দাম ও সিলিন্ডার সংকট নিয়ে মানুষের ক্ষোভ এখন আরও বেশি স্পষ্ট।

কত দাম বেড়েছে?

এখন সিলিন্ডার পিছু দাম পৌঁছেছে প্রায় ৯৩৯ টাকায়, তবে সমস্যাটা শুধু দামেই সীমাবদ্ধ নয়—সবচেয়ে বড় চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরবরাহ ঘাটতি। গ্রাহকদের অভিযোগ, যেখানে আগে বুকিংয়ের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সিলিন্ডার পাওয়া যেত, এখন সেখানে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত। এমনকি বুকিংয়ের সময়সীমাও বেড়েছে। ‘ইন্ডেন এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন, ওয়েস্ট বেঙ্গল’-এর প্রাক্তন সম্পাদক বিজন বিশ্বাস জানিয়েছেন, প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ কমে গেছে—অর্থাৎ আগে যেখানে ১০টি সিলিন্ডার মিলত, এখন সেখানে ৭টিও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার কারণে, বিশেষ করে Strait of Hormuz অঞ্চলে ভারতীয় জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায়। পাশাপাশি যেসব আরব দেশ থেকে ভারত জ্বালানির কাঁচামাল আমদানি করত, সেখানকার অনেক অবকাঠামো যুদ্ধের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যুদ্ধ থেমে গেলেও LPG-র সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিকেই হাতিয়ার করে তৃণমূল কংগ্রেস কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের-এর মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ কটাক্ষ

এই ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তুঙ্গে উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের-এর মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi ইজরায়েল সফরে গিয়ে Benjamin Netanyahu-এর সঙ্গে সৌহার্দ্য দেখালেও যুদ্ধ পরিস্থিতির আগাম আঁচ করতে পারেননি, যার ফল এখন ভুগতে হচ্ছে গোটা দেশকে। তাঁর প্রশ্ন, কেন আগে থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রাখা হল না? অন্যদিকে Communist Party of India (Marxist) নেতা রবীন দেবের অভিযোগ, শুধু জ্বালানি নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিই চাপে—টাকার মান কমছে, বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম, আর এই সব ঢাকতেই ধর্মের রাজনীতি করা হচ্ছে। পাল্টা গেরুয়া শিবিরের দাবি, এখনও LPG-তে যথেষ্ট ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে, না হলে এক একটি সিলিন্ডারের দাম ১৬০০ টাকা ছুঁয়ে যেত। তাদের মতে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতার কারণেই দাম বেড়েছে।

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপটেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -

- Advertisement -
- Advertisement -

Breaking News

- Advertisement -

Related Stories

- Advertisement -