Home প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 130

ATM Fraud: একটা বোতাম টিপেই বাঁচতে পারবেন ATM জালিয়াতির হাত থেকে! জানুন কীভাবে

ATM Fraud: দুনিয়া যতই উন্নত হোক, এটিএম (Automated Teller Machine) এখনও আমাদের দৈনন্দিন লেনদেনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর মূল কারণ? বাজারে বা দোকানে খুচরো টাকার দরকার এখনও রয়ে গেছে! যদিও ডিজিটাল পেমেন্ট জনপ্রিয় হয়েছে। কিন্তু এখনো অনেক দোকানে অনলাইন পেমেন্টের সুবিধা নেই। তাই হাতে নগদ টাকা রাখার প্রয়োজন পড়েই। আর তখনই একমাত্র ভরসা ATM। তবে এটিএম ব্যবহারে একটুও অসাবধান হলে টাকা প্রতারকদের হাতে চলে যেতে পারে। সামান্য ভুলের কারণে বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে! তাই এটিএম ব্যবহার করা যত সহজই হোক না কেন, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।

এটিএম ব্যবহার করছেন? এই অভ্যাসগুলো আপনাকে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাবে!

এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় তাড়াহুড়ো করা একদমই উচিত নয়। একটু সতর্ক থাকলেই আপনার কষ্টার্জিত টাকা সুরক্ষিত থাকবে, আর প্রতারকদের ফাঁদেও পড়তে হবে না।

👉 টাকা তোলার পর এই কাজটি করতেই হবে!
যখনই আপনি এটিএম থেকে টাকা তুলবেন, বেরিয়ে আসার আগে অবশ্যই “Cancel” বোতামটি টিপে দিন। এতে মেশিনটি Standby Mode-এ চলে যাবে এবং আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকবে।

👉 এই অভ্যাস আপনাকে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাবে!
প্রতিবার এটিএম ব্যবহারের পর এই সহজ স্টেপটি ফলো করলে আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য কেউ চুরি করতে পারবে না, আর টাকা হাতিয়ে নেওয়াও সহজ হবে না।

সাধারণত যারা প্রতারণা করার তাগিদে থাকেন তাদের প্রধান কাজ হচ্ছে আপনার এটিএম এর কাজ আপনাকে সম্পূর্ণ করতে না দেওয়া। তাই যখনই দেখবেন আপনাকে খুব বেশি তাড়াহুড়ো দেওয়া হচ্ছে তখনই আপনি বেশি সতর্ক হয়ে যান। আর অবশ্যই আপনি মনে রাখবেন আপনি যখন এটিএম এর পরিষেবা নেবেন তখন যেনো অচেনা কোনো ব্যক্তি আপনার পিছনে এসে না দাঁড়ায়।

মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারীদের জন্য ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তবে, যারা এটিএম পরিষেবা ব্যবহার করেন, তারা লেনদেন সম্পন্ন করার পর অবশ্যই রসিদ সংগ্রহ করবেন। যদি কোনো এটিএম মেশিনে রসিদ প্রিন্ট করার সুবিধা না থাকে, তাহলে আরও সতর্ক থাকুন এবং লেনদেনের বিবরণ নিজে থেকে নোট করে রাখুন। নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সবসময় চারপাশে খেয়াল রাখুন।

West Bengal Weather Update: শীতের শেষে আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের কারণ জানুন!

আগামী ৪৮ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলা শুষ্ক থাকবে বলে পূর্বাভাস মিলেছে। অন্যদিকে, কালিম্পং ও দার্জিলিঙে আজ, বুধবার এবং আগামীকাল, বৃহস্পতিবার সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যার সঙ্গে তুষারপাতও হতে পারে। এছাড়া রাজ্যের কিছু অংশে ঘন কুয়াশা দখল নিতে পারে। বিশেষ করে সকালের দিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কুয়াশার চাদর দেখা যেতে পারে। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি হতে পারে যে কিছু জায়গায় দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারেরও নিচে নেমে আসতে পারে।

আগামীকাল ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে আটটা থেকে পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে, যেমন, দার্জিলিং জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজকের সোনার দাম: দেখে নিন ১ ভরি কিনতে আজ কত খরচ হবে

আজকের সোনার দাম: বুধবার সকালে সোনার দামে বেশ খানিকটা পতন লক্ষ্য করা গেছে। বাজারের নিয়ম মেনেই কখনও সোনার দর ঊর্ধ্বমুখী হয়, তো কখনও তা কমে আসে। তবে দাম যতই কমুক না কেন, সোনা তো শেষ পর্যন্ত বহুমূল্যবান ধাতুই! তাই ইচ্ছা থাকলেও সবার পক্ষে এটি কেনা সবসময় সম্ভব হয় না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সোনার বাজার একের পর এক রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে।

মার্কেট বিশেষজ্ঞদের মতে ২০২৫-এ বিপুল দাম বাড়তে চলেছে সোনার দাম ৷ ইতিমধ্যেই ফের শুরু হয়ে গিয়েছে বিয়ের মরশুম ৷ এর জেরে স্বাভাবিক ভাবেই সোনার চাহিদা থাকবে তুঙ্গে ৷

বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি – সোনার ও রুপোর আপডেটেড দাম

ধাতুর প্রকারনতুন দাম (টাকা)
২২ ক্যারেট সোনা (প্রতি ১০ গ্রাম)৮,০৪৫
১৮ ক্যারেট সোনা (প্রতি ১০ গ্রাম)৬,৬০৫
রুপো (প্রতি ১ কেজি)৯৪,৫৯৫

 সোনা ও রুপো কেনার সময়ে উপরে দেওয়া দামের সঙ্গে আরও ৩ শতাংশ GST যুক্ত হবে।

গত কয়েক বছরে সোনার দাম যেভাবে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে। তাতে অনেকেই এখন বিনিয়োগের নতুন পথ খুঁজছেন। তবুও সোনার প্রতি মানুষের আস্থা কিন্তু কমেনি! বরং অনেকে অন্যান্য বিনিয়োগের পাশাপাশি সোনাকেও লাভজনক বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি (SSBC)-র তথ্য অনুযায়ী সোনার বাজারের এই ঊর্ধ্বগতি বিনিয়োগকারীদের জন্য যেমন লাভজনক, তেমনই সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জেরও।

শহরে বসন্তের ছোঁয়া, জেলায় শীতের শেষ ইনিংস! জেনে নিন সর্বশেষ আবহাওয়া আপডেট

শেষবেলায় শীত যেন জমিয়ে ‘খেল’ দেখাচ্ছে! তাপমাত্রার পতনে জেলায়-জেলায় বাড়ছে ঠান্ডার অনুভূতি। সপ্তাহের প্রথম দিনেই শহর থেকে গ্রাম— সর্বত্র শীতের দারুণ মেজাজ। কিন্তু প্রশ্ন একটাই— তাপমাত্রা কি আরও নামবে? শীতের পাকাপাকি বিদায় কবে? এর মধ্যেই কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসও মিলেছে, যা আবহাওয়ার চরিত্র আরও বদলে দিতে পারে। সব মিলিয়ে কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া? দেখে নিন বিস্তারিত আপডেট!

সপ্তাহের প্রথম দিনেই দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে জমজমাট শীতের আমেজ! আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে। তবে শীতপ্রেমীদের জন্য সুখবর, কারণ এই ঠান্ডার আমেজ আরও কিছুদিন থাকছে।

আগামীকাল, অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। এর ফলে শীতের আমেজও কিছুটা ফিকে হতে থাকবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই পরিবর্তন যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকেই শীতের পাকাপাকি বিদায় হতে পারে।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া এখনো শীতের মেজাজ বজায় রেখেছে। তবে সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বিশেষ করে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের কিছু কিছু অংশে বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, কুয়াশার দাপটও লক্ষ্য করা যাবে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। কলকাতার ওয়েদার আপডেটশহর কলকাতাতেও সপ্তাহের প্রথম দিনে শীতের আমেজ ভরপুর। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ কলকাতা শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে। তবে এবার কলকাতা শহরেও ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। বিদায় নেবে শীত।

শীতের বিদায় কবে?আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত শীতের মেজাজ থাকলে আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে ফের বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে তাপমাত্রা। চলতি সপ্তাহের শেষ দিক থেকে শীত এবারের মতো বিদায় নিতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে আবেদন করেছেন? বৃদ্ধ ভাতা, বিধবা ভাতা সহ সমস্ত প্রকল্পের অনলাইন স্ট্যাটাস দেখুন!

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প। এই ক্যাম্পের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ আবেদন করেছেন বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প যেমন বৃদ্ধ ভাতা, বিধবা ভাতা, লক্ষ্মীর ভান্ডার, কৃষক বন্ধু, প্রতিবন্ধী কার্ড, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বা অন্যান্য সুবিধা লাভের জন্য। কিন্তু আবেদন করার পর অনেকেরই মনে একটাই প্রশ্ন, “আমার আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে কিনা?” চিন্তা করার কিছু নেই! এখন আপনি সহজেই অনলাইনে চেক করতে পারেন, আপনার আবেদন জমা পড়েছে কিনা বা গ্রহণ হয়েছে কিনা।

দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের সমস্ত আবেদনের স্ট্যাটাস চেক

‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মাধ্যমে আবেদন করা বিভিন্ন প্রকল্পের স্ট্যাটাস এখন অনলাইনে চেক করা খুবই সহজ। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের তালিকা দেওয়া হলো, যেগুলির স্ট্যাটাস আপনি অনলাইনে দেখে নিতে পারবেন:

  • বৃদ্ধ ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড, রেশন কার্ড সংক্রান্ত আবেদন
  • কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, ঐক্যশ্রী, লক্ষ্মীর ভান্ডার, তপশিলি বন্ধু, জয় জোহার, মানবিক পেনশন
  • কৃষক বন্ধু, কৃষকদের কিষান ক্রেডিট কার্ড, মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড, জমির পাট্টা আবেদন
  • স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, শিক্ষাশ্রী, মেধাশ্রী, ব্যাংকিং সংক্রান্ত কাজের আবেদন
  • জমির মিউটেশন সংশোধন, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ, বিদ্যুৎ ছাড়ের আবেদন ইত্যাদি

কিভাবে অনলাইনে আবেদন স্ট্যাটাস চেক করবেন?

১. গুগলে সার্চ করুন “Duare Sarkar Status Check” বা সরাসরি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে যান।
২. ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনার মোবাইল নম্বর দিন, যেটি আপনি আবেদন করার সময় ব্যবহার করেছিলেন।
৩. তারপর যে প্রকল্পের আবেদন স্ট্যাটাস জানতে চান, সেটি সিলেক্ট করুন এবং সাবমিট করুন।
৪. আপনার মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) আসবে। সেটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করিয়ে সার্চ করুন।

দীপেন্দু বিশ্বাসের জীবনী নিয়ে আসছে সিনেমা, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় সোহম চক্রবর্তী!

ফুটবল যেন কথা বলে তাঁর পায়ে! মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিং—তিন প্রধান ক্লাবেই খেলেছেন তিনি। আর এবার, সেই কিংবদন্তি ফুটবলারের গল্প আসতে চলেছে বড় পর্দায়! ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসের (Dippendu Biswas) জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন ছবি ‘দিপু’। দেশের হয়ে যিনি বহুবার সম্মানিত হয়েছেন, তাঁর জীবনের অনেক অধ্যায় এখনও অনেকের কাছে অজানা। এই ছবিতে উঠে আসবে ছোট্ট দীপুর ফুটবল স্বপ্ন দেখা থেকে শুরু করে জাতীয় স্তরে নিজের জায়গা করে নেওয়ার অসাধারণ সফর। গ্রামের এক ফুটবল কোচের হাত ধরে স্বপ্ন দেখতে শেখা, কলকাতার মাঠে নিজেকে প্রমাণ করা, সম্মান জয় করা—এই উত্থান, সংগ্রাম আর সাফল্যের কাহিনিই এবার ফুটবে রুপোলি পর্দায়!

এই ছবিতে দিপু-র ভূমিকায় দেখা যাবে ‘ময়দান’ সিনেমায় অভিনীত শিল্পী আমন মুন্সি-কে। দিপুর কোচের চরিত্রে থাকছেন সোহম চক্রবর্তী, যিনি এই প্রথম কোনও স্পোর্টস ড্রামায় অভিনয় করছেন। দিপুর জীবনের আদর্শ, ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস-এর চরিত্রও ছবিতে উপস্থিত থাকবেন, যেখানে দীপেন্দু নিজেই অভিনয় করেছেন নিজের চরিত্রে।

এছাড়া, ছবিতে বর্ষা সেনগুপ্ত-কেও দেখা যাবে, যিনি এই ছবির মাধ্যমে রুপোলি পর্দায় তাঁর অভিনয়ের অভিষেক করবেন। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শান্তিলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, তুলিকা বসু, মৌসুমী সাহা, বিশ্বনাথ বসু, সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়, তমাল রায় চৌধুরী, দেব রঞ্জন নাগ, অনুশ্রী ভট্টাচার্য, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, সৌরভ চট্টোপাধ্যায় এবং আরও অনেকে। ছবিটি পরিচালনা করছেন মিউজিক ডিরেক্টর শ্রী প্রীতম, যিনি কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ এবং সঙ্গীতের দায়িত্বও নিয়েছেন। ফুটবল কিংবদন্তির জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবি একেবারে এক নতুন আঙ্গিকে ফুটবে পর্দায়।

এই ছবিটি নিয়ে সোহম চক্রবর্তী বলেছেন, “কেরিয়ারে এই প্রথম এমন একটা চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছি, যেটা আমায় ভাবাচ্ছে। নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে, আমি রোমাঞ্চিত হচ্ছি। গ্রামবাংলার একটা খুব সাধারণ ঘরের ছেলের স্বপ্নপূরণের গল্প। তারই কোচের চরিত্রে রয়েছি আমি। দীপেন্দু বিশ্বাস না থাকলে এই ছবিটা ভাবা অসম্ভব ছিল। ওঁর তত্ত্বাবধানেই ছবিটি তৈরি হচ্ছে। সেই সঙ্গে ‘বর্ষা এন্টারটেইনমেন্ট’-কে অনেক ধন্যবাদ। এই ধরণের বিষয় নিয়ে কাজ করতে গেলে সবসময়ে আলাদা ইচ্ছে বা রুচির প্রয়োজন হয়—গ্রামবাংলার ছেলেদের ইচ্ছে, তাদের স্বপ্নপূরণের খিদে, ভালোবাসা, আবেগ, উন্মাদনা। গল্পের পরতে পরতে এই সবকিছুর ঝলক রয়েছে। এই ছবির আরও যে দিকটা বলতে হবে, সেটা হল—এই ছবিটা ভীষণ উদ্বুদ্ধ করতে পারবে সাধারণ মানুষকে। সবাই মন ভালো করে বাড়ি ফিরবেন।

বাজেটে নতুন KYC ঘোষণা: আধার নিয়মে পরিবর্তন, কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি জারি!

আধার নিয়মে পরিবর্তন: আধার কার্ড (Aadhaar) নিয়ে সমস্যায় পড়ার দিন শেষ! এবার সরকারের নতুন ঘোষণায় অনেকের জন্যই স্বস্তির খবর এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকার আধার আইন সংশোধন করেছে, যার ফলে শুধু সরকারি নয়, এবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিও তাদের পরিষেবা প্রদানের জন্য আধার যাচাইকরণ (প্রমাণীকরণ) ব্যবহার করতে পারবে। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য আরও সুবিধা আনবে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট আধার আইনের ৫৭ ধারাকে ‘অপব্যবহারপ্রবণ’ বলে ঘোষণা করে। এই ধারায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আধার যাচাইয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

সুশাসন সংশোধনী বিধিমালা ২০২৫

এখন সরকার ‘সুশাসনের জন্য আধার যাচাইকরণ (সমাজকল্যাণ, উদ্ভাবন, জ্ঞান) সংশোধনী বিধি, ২০২৫’ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিও আধার যাচাইয়ের সুবিধা পেতে পারে, তবে এর জন্য তাদের পরিকল্পনা অনুমোদিত হতে হবে। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন, আধার যাচাইকরণের জন্য অনুমতি কীভাবে পাওয়া যাবে?

প্রস্তাব প্রস্তুতি: যদি কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আধার যাচাইকরণ ব্যবহার করতে চায়, তবে তাদের অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে এই পরিষেবা বিধি ৩-এর আওতায় পড়ে এবং এটি “রাজ্যের স্বার্থে” গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ, শুধুমাত্র সরকারি কাজ নয়, সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য বা জাতীয় স্বার্থে ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুমতি মিলতে পারে।

পরীক্ষা ও অনুমোদন: প্রস্তাবটি প্রথমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগে জমা দিতে হবে। সেখানে যাচাই করা হবে, এটি সত্যিই “রাজ্যের স্বার্থে” কিনা। যদি মন্ত্রক মনে করে যে প্রস্তাবটি জনগণের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তারা সুপারিশসহ এটি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠাবে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই প্রতিষ্ঠানটি আধার যাচাইকরণের অনুমতি পাবে।

ইউআইডিএআই ও আইটি মন্ত্রকের পর্যালোচনা: আবেদন জমা দেওয়ার পর, ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (UIDAI) সেটি খতিয়ে দেখবে। UIDAI যদি মনে করে যে আবেদনটি যথাযথ, তাহলে তারা সুপারিশ পাঠাবে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের (IT মন্ত্রক) কাছে। এরপর IT মন্ত্রক সেই সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। অর্থাৎ, পুরো প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে, যেখানে প্রতিটি ধাপে নিরীক্ষা করা হবে আবেদনকারীর উদ্দেশ্য ও যোগ্যতা।

চূড়ান্ত অনুমোদন: একবার সব পর্যায়ের পর্যালোচনা সম্পন্ন হলে, কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক বা বিভাগ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আধার যাচাইয়ের অনুমোদন সম্পর্কে জানিয়ে দেবে। অনুমোদন পাওয়া মানে প্রতিষ্ঠানটি এখন সরকারি নিয়ম মেনে আধার যাচাইকরণ করতে পারবে, যা তাদের পরিষেবাকে আরও সহজ ও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে।

বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির অপব্যবহার রোধ করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা জ্ঞান উদ্ভাবন এবং প্রচারিত করার একটি নতুন সুযোগ পাচ্ছি। তাছাড়া, বিধি ৩ এর অধীনে একটি উপ-বিধি অনুযায়ী, আধার যাচাইকরণ পুরোপুরি স্বেচ্ছাসেবী হবে।

কিন্তু, আধার যাচাইকরণের ফলে যে পরিষেবাগুলি উপকৃত হবে তা কী কী? সরকারের মতে, এই সংশোধনী ই-কমার্স, ভ্রমণ, পর্যটন, হোটেল, স্বাস্থ্যসেবা সহ আরও অনেক ক্ষেত্রের মানুষের জন্য সহায়ক হবে। তাছাড়া, উদ্ভাবন ও ডিজিটাল সেবায় মানুষের প্রবেশাধিকারও বাড়বে। এখন, যেকোনো সংস্থা একটি বিশেষ পোর্টালে আধার যাচাইকরণের অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারবে, যেখানে তাদের প্রয়োজনীয়তার বিস্তারিত সরবরাহ করতে হবে। এই পদক্ষেপটি সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর মাধ্যমে জনগণের কাছে নির্ভরযোগ্য সেবা পৌঁছানোর পথে বড় একটি পদক্ষেপ।

প্রতি মাসে লাখ টাকা আয়! মাত্র ২ মাসেই সফল ব্যবসায়ী হন

0

প্রতি মাসে লাখ টাকা আয়! প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকা মূল্যবৃদ্ধির এই সময়ে শুধুমাত্র চাকরির আয়ে সংসার চালানো সত্যিই চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। তাই অনেকেই নিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে নিজস্ব ব্যবসার দিকে ঝুঁকছেন। আপনিও কি তেমনটাই ভাবছেন? তাহলে চিন্তা নেই! আজ আপনাদের জন্য রইল একটি দুর্দান্ত ব্যবসার আইডিয়া, যা কম বিনিয়োগেই প্রতিমাসে মোটা অঙ্কের আয় করার সুযোগ করে দেবে।

বাজারে ব্যবসার সুযোগ অনেক, তবে সফল হতে হলে এমন একটি আইডিয়া বেছে নিতে হবে, যার চাহিদা বেশি কিন্তু সাপ্লাই ততটা নেই। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার পণ্য বা পরিষেবার বিক্রি বাড়বে, আর বিক্রি বেশি মানেই লাভও বেশি! এক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের সংমিশ্রণে এক দারুণ ব্যবসার সম্ভাবনা তৈরি করা যায়। ভাবছেন, সেটি কী? চলুন, আজকের প্রতিবেদনে জেনে নেওয়া যাক সেই চমকপ্রদ ব্যবসার আইডিয়া!

ভার্টিকাল ফার্মিং ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা

আজকাল আর প্রচলিত পদ্ধতিতে বিশাল জমিতে চাষ না করলেও চলে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ভার্টিক্যাল ফার্মিং করে অল্প জায়গায়ই প্রচুর ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। অন্যদিকে, সময়ের সাথে মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ছে, সবাই এখন হেলদি ও অর্গানিক খাবারের দিকে ঝুঁকছেন। আর এখানেই লুকিয়ে আছে এক দারুণ ইউনিক ব্যবসার সুযোগ!

আপনার যদি বাড়ির সামনে বা রাস্তার ধারে বেশ কিছুটা খালি জায়গা থাকে! আর যদি জায়গা না থাকে, তাহলেও চিন্তার কিছু নেই—ভাড়া নিয়ে সহজেই শুরু করতে পারেন এক অনন্য থিম রেস্টুরেন্ট। কেমন হবে এই রেস্টুরেন্ট? এখানে চারপাশজুড়ে থাকবে ভার্টিক্যাল ফার্মিং, যেখানে তাজা শাক-সবজি চাষ হবে, আর মাঝখানে থাকবে রেস্টুরেন্ট, যেখানে পরিবেশন করা হবে সম্পূর্ণ অর্গানিক খাবার।

কীভাবে শুরু করবেন ?

আপনি যদি শুরু করতে চান, তাহলে প্রথমেই উপযুক্ত জায়গা নির্বাচন করা জরুরি। এরপর কিছু টেবিল-চেয়ার আর আকর্ষণীয় ডেকোরেশনের মাধ্যমে আপনার রেস্টুরেন্টের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ভালো মানের খাবার পরিবেশন করতে একজন দক্ষ রাঁধুনি ও একজন সহকারী রাখার প্রয়োজন হবে। যখন রেস্টুরেন্ট থেকে ভালো আয় আসতে শুরু করবে, তখন আপনি ভার্টিকাল ফার্মিংয়ের সেটআপ করতে পারেন। এতে আপনার রেস্টুরেন্টে ব্যবহৃত তাজা সবজিগুলো নিজেই চাষ করতে পারবেন, পাশাপাশি আরও বেশ কিছু দামি সবজি উৎপাদন করে অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব হবে। এইভাবে, আপনার ব্যবসা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে!

কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে?

যেহেতু দুটি ব্যবসার কম্বিনেশন হবে, তাই একসাথে শুরু করতে চাইলে খরচ একটু বেশি হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, রেস্টুরেন্ট খোলার জন্য কমপক্ষে ৪০,০০০ টাকা লাগতে পারে। তবে যদি এর সাথে ভার্টিকাল ফার্মিংও শুরু করতে চান, তাহলে আরও ৫০,০০০ টাকা খরচ হতে পারে। কারণ সেক্ষেত্রে সেটআপ তৈরির খরচ এবং গাছ, সার, কম্পোস্ট কেনার প্রয়োজন হয়। সব মিলিয়ে দুটো একসাথে চালু করতে গেলে প্রায় ১ লক্ষ টাকা খরচ হবে। তবে আপনি প্রথমে রেস্টুরেন্ট চালু করতে পারেন এবং কয়েক মাস পর লাভের টাকা দিয়ে ভার্টিকাল ফার্মিং চালু করতে পারবেন।

কত টাকা আয় হবে?

সাধারণত রেস্তোরার ব্যবসার ক্ষেত্রে ৬০% লাভ হয়ে থাকে। যেটা মাসের শেষে গড়ে ৫০% এ দাঁড়ায়। অর্থাৎ দিনে যদি সব মিলিয়ে ২,০০০ টাকার খাবার বিক্রি হয় তাহলে ১০০০ টাকা প্রফিট। তবে ছুটির দিনে ও স্পেশাল দিনগুলোতে বিক্রি কম করে ৫০০০ – ৭০০০ টাকা অবধি হয়ে যেতে পারে। তাই রেস্টুরেন্ট থেকেই প্রায় ৫০,০০০ টাকা থেকে ৭০,০০০ টাকা লাভ করা সম্ভব। এছাড়া ভার্টিকাল ফার্মিংয় করে যে সবজি পাওয়া যাবে সেগুলো বিক্রি করেও ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব। সুতরাং বলা ভালো মাসে ১ লক্ষ টাকা অবধিও আয় করা সম্ভব এভাবে ব্যবসা শুরু করলে।

মাধ্যমিক পাসে CISF কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন প্রক্রিয়া ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি

আপনি কি সরকারি চাকরির স্বপ্ন দেখছেন? তাহলে আপনার জন্য দারুণ একটা সুযোগ এসেছে! সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (CISF) সম্প্রতি এক হাজারেরও বেশি শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। যেকোনো প্রার্থীর জন্য এটি বড় সুযোগ হতে পারে, কারণ গোটা দেশ থেকেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। কিন্তু কীভাবে আবেদন করবেন? কী যোগ্যতা লাগবে? আবেদন প্রক্রিয়া কখন শুরু হচ্ছে? এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন!

মাধ্যমিক পাসে CISF কনস্টেবল নিয়োগ

CISF-এর তরফ থেকে বিশাল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে! গোটা দেশ জুড়ে একাধিক পদের জন্য এক হাজারেরও বেশি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। যারা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এটি দারুণ সুযোগ! ইতিমধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে, তাই দেরি না করে জেনে নিন – মোট শূন্যপদ কত? শিক্ষাগত যোগ্যতা কী লাগবে? দৈহিক মাপঝোপ ও বয়সসীমা কত হওয়া দরকার?

শূন্যপদের বিবরণ

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মোট ১১২৪টি শূন্যপদের জন্য নিয়োগ করা হবে। যার মধ্যে কনস্টেবল বা ড্রাইভার পদের জন্য ৮৪৫টি ও কনস্টেবল বা ড্রাইভার কাম পাম্প অপারেটর পদের জন্য ২৭৯টি শূন্যপদ থাকছে।

এইআইএসএফ কনস্টেবল বেতন

CISF-এর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শুধু শূন্যপদের সংখ্যাই নয়, বেতনের বিষয়েও স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে। যারা কনস্টেবল (ড্রাইভার) বা ড্রাইভার কাম পাম্প অপারেটর পদে নির্বাচিত হবেন, তারা পে গ্রেড লেভেল-৩ অনুযায়ী ২১,৭০০ টাকা থেকে ৬৯,১০০ টাকা পর্যন্ত বেতন পাবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

আপনি যদি এই পদগুলোর জন্য আবেদন করতে চান, তাহলে ন্যূনতম যোগ্যতা হতে হবে মাধ্যমিক বা সরকারি স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যমিক সমমানের পরীক্ষা উত্তীর্ণ। বিশেষ করে, ড্রাইভার পদের জন্য বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা আবশ্যক। তাই যারা মাধ্যমিক পাশ করেছেন, তারা নির্দ্বিধায় এই পদের জন্য আবেদন করতে পারেন!

ড্রাইভার পদের জন্য কমপক্ষে ৩ বছরের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিশেষ করে, হেভি মোটর ভেহিকেল, ট্রান্সপোর্ট ভেহিকেল বা লাইট মোটর ভেহিকেল চালানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি। তাই, আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স অবশ্যই কমপক্ষে ৩ বছর আগের হতে হবে। অর্থাৎ, ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৩-এর পর ইস্যু হওয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স এখানে গ্রহণযোগ্য নয়।

নিয়োগের পদ্ধতি

যারা এই শূন্যপদগুলোর জন্য আবেদন করবেন, তাদের একাধিক ধাপে নির্বাচন করা হবে। প্রথমেই হাইট বার টেস্ট হবে, যেখানে প্রার্থীদের উচ্চতা মাপা হবে। সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা হতে হবে ১৬৭ সেন্টিমিটার, আর বুকের মাপ হতে হবে কমপক্ষে ৮০ সেন্টিমিটার। অন্যান্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতার বিস্তারিত তথ্য জানতে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি দেখে নিতে হবে।

এরপর শারীরিক দক্ষতার পরীক্ষা নেওয়া হবে, যেখানে থাকতে পারে ৮০০ মিটার দৌড়, লং জাম্প ও হাই জাম্প। তারপর ফিজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট হবে, এবং যে পদে আবেদন করেছেন তার উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট দক্ষতার পরীক্ষা ও লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। সবশেষে, মেডিকেল চেকআপের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।

অনলাইন আবেদনের পদ্ধতি

এই শূন্যপদে আবেদন করতে হলে অনলাইনের মাধ্যমেই আবেদন করতে হবে। কিভাবে করবেন? আসুন, স্টেপ বাই স্টেপ দেখে নেওয়া যাক:

১. প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান এবং সেখান থেকে বিজ্ঞপ্তিটি ভালোভাবে পড়ুন। তারপর রেজিস্ট্রেশন করুন।
২. রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনার ইমেইলে একটি আইডি ও পাসওয়ার্ড আসবে। সেগুলি ব্যবহার করে লগ ইন করুন এবং আবেদন ফর্ম ফিলআপ শুরু করুন।
৩. আবেদন ফর্মটি সঠিকভাবে পূর্ণ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপলোড করুন
৪. ডকুমেন্টস আপলোড করার পর, আবেদন ফর্মটি একবার ভালোভাবে চেক করুন এবং সাবমিট করুন।
৫. সাবমিট বাটনে ক্লিক করার পর আবেদন ফি জমা করুন। ফি জমা হলে আবেদন ফর্ম ও পেমেন্ট স্লিপ ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট নিন এবং ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সংরক্ষণ করুন।

যে সমস্ত প্রার্থীরা এই পদের জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক তাদের ১০০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে। তবে SC, ST, OBC, EWS প্রার্থীদের জন্য কোনো আবেদনের ফি লাগবে না বলে জানানো হয়েছে।

আবেদনের শেষ তারিখ

আজ অর্থাৎ ৩ রা ফেব্রুয়ারি থেকে CISF কনস্টেবল পদের জন্য অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে। যেটা ৪ঠা মার্চ ২০২৫ রাত্রি ১১টা বেজে ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে। যারা আবেদন করতে ইচ্ছুক তাদের এই সময়ের মধ্যেই আবেদন করতে হবে।

অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি লিংক : Official Recruitment Notification

Brinjal Health effects: এই শীতে বিভিন্ন পদে বেগুন খাচ্ছেন?

Brinjal Health effects: বঙ্গে শীত পড়তেই খাদ্যরসিক বাঙালি যেন বেগুনে মজে যায়। বেগুন পোড়া, ভাজা, পাতলা মাছের ঝোল অথবা বেগুন বাহার— বেগুন পেলে বাঙালির আর কিছু চাই না! শীতে গরম গরম বেগুন খাওয়ার আনন্দই আলাদা। তবে, বেগুন যেমন শরীরের জন্য উপকারী, তেমনই অতিরিক্ত বেগুন খাওয়ার ফলে নানা সমস্যা হতে পারে। তাই, শরীরের খেয়াল রেখে পরিমাণমতো বেগুন খাওয়া উচিত, যেন উপকারিতা বজায় থাকে।

Brinjal Health effects: হার্টের জন্য উপকারী

বেগুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্ল্যাভোনয়েড হার্টকে সুস্থ রাখতে বেশ সাহায্য করে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। তাই, বেগুন খাওয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে পারেন—এটা সত্যিই একটা উপকারী খাবার!

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

বেগুনে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফাইবার, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে। তাই, বেগুন খেলে শুধু স্বাদই পাওয়া যায় না, বরং স্বাস্থ্যেও উপকার পাওয়া যায়!

ওজন কমাতে সহায়ক

কম ক্যালোরি ও উচ্চ ফাইবার থাকার কারণে বেগুন দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

বেগুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। এই শক্তিশালী উপাদানগুলো আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাই বেগুন খাওয়া শুধুই স্বাদে নয়, শরীরের সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ!