JKNews24 Bangla Disk: বিপুল জনসমর্থন পেয়ে Bangladesh Nationalist Party ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে, আর প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে চলেছেন Tarique Rahman। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন দেশ ও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই তালিকায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-ও। শুভেচ্ছাবার্তার পাশাপাশি তিনি তারেক রহমানের উদ্দেশে পাঠিয়েছেন ফুল ও মিষ্টি, যা দুই বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের দিক থেকেও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তারেককে শুভেচ্ছা বার্তা মমতার
গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পরদিনই, শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee তাঁর ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman-কে এই বিরাট জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান। তাঁকে ‘তারেক ভাই’ বলে সম্বোধন করে লেখেন, “শুভনন্দন, আমার সকল ভাই-বোন এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন। সবাইকে অগ্রিম রমজান মোবারক। এই বিরাট জয়ের জন্য আমার তারেক ভাই, তার দল এবং সব দলকে অভিনন্দন।” এরপর শুধু বার্তাতেই থেমে থাকেননি তিনি; শনিবার সন্ধ্যায় Bangladesh Nationalist Party-র চেয়ারম্যানের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফুল ও মিষ্টি পাঠান মমতা। সেই উপহার গ্রহণ করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান, আর মুহূর্তের মধ্যেই প্রকাশ্যে আসে সেই ছবিও, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
শুভেচ্ছার আড়ালে রয়েছে কোন উদ্দেশ্য?
প্রথম থেকেই পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের গভীর ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক চুক্তিও। তাই দুই বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণে Mamata Banerjee-র এই শুভেচ্ছা আদান-প্রদানকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন কূটনীতিবিদরা। অন্যদিকে, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-ও। তিনি ‘এক্স’-এ লেখেন, “বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার পরিচয় দেয়। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়াবে।” সব মিলিয়ে, এই শুভেচ্ছা বার্তাগুলি দুই দেশের ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, অনেক আগে থেকে শোনা যাচ্ছিল যে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের BNP-র সম্পর্ক একটু আলাদা এবং ভারত যে বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, তাও বোঝা যাচ্ছিল। কারণ এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সময়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন তারেকের সঙ্গে। এমনকি লোকসভা এবং রাজ্যসভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল। তাই এখন সকলের নজর ভারত এবং বাংলাদেশের সুসম্পর্কের দিকে।









