JKNews24 Desk: নতুন বছরের শুরুতেই রেশন কার্ডধারকদের জন্য এল সত্যিই সুখবর। রেশন কার্ড নতুন নিয়ম জানুয়ারি থেকে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের (PDS) অধীনে রেশন ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন আনল রাজ্য সরকার। রেশন কার্ড নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন সমস্ত যোগ্য রেশন গ্রাহক প্রতি ইউনিটে পাবেন ২ কেজি গমের সঙ্গে ৩ কেজি চাল। সরকারের লক্ষ্য একটাই—সাধারণ মানুষের হেঁশেলে যেন আরও পুষ্টিকর ও বৈচিত্র্যময় খাবার পৌঁছয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে দরিদ্র ও অভাবী পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
রেশন কার্ড নতুন নিয়ম বড় পরিবর্তন করল সরকার
আজ কথা হচ্ছে বিহারকে ঘিরে। জানা গিয়েছে, বিহারের ব্লক সরবরাহ কর্মকর্তা তেজস্বী আনন্দ জানিয়েছেন যে রাজ্য সরকারের নতুন নীতির আওতায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাঁর কথায়, আগে অনেক এলাকায় রেশন গ্রাহকরা শুধুমাত্র চাল বা খুব সীমিত পরিমাণে শস্য পেতেন, যার ফলে খাদ্যতালিকায় পুষ্টির ভারসাম্য বজায় থাকত না। কিন্তু এখন নতুন নিয়মে গম ও চাল—দু’টিই বাধ্যতামূলকভাবে রেশনে দেওয়া হবে।
ব্লক সরবরাহ কর্মকর্তা জানান যে নতুন ব্যবস্থার অধীনে, অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা (AAY) এবং অগ্রাধিকার গৃহস্থালি (PHH) বিভাগের সকল সুবিধাভোগী একটি নির্ধারিত পরিমাণ গম এবং চাল পাবেন। পূর্বে অনেক সুবিধাভোগী শুধুমাত্র এক ধরণের শস্য পাওয়ার অভিযোগ করতেন, কিন্তু এখন এই সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। গম এবং চাল উভয়ই প্রদান করলে পরিবারের খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আসবে এবং তাদের পুষ্টির মাত্রা উন্নত হবে।
উপকৃত হবেন কারা?
তিনি আরও জানিয়েছেন, এই নতুন নিয়ম কার্যকর করতে সমস্ত পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (পিডিএস) দোকানদারদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত পরিমাণের থেকে এক কেজিও বেশি বা কম রেশন দেওয়া যাবে না। পুরো রেশন বিতরণ প্রক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, আর প্রতিটি লেনদেন বাধ্যতামূলকভাবে ই-পস মেশিনের মাধ্যমে নথিভুক্ত করা হবে। নিয়ম ভাঙলে সংশ্লিষ্ট দোকানদারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের যে বড়সড় উপকার হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
খাদ্য দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাস থেকে রেশন বিতরণের পাশাপাশি সুবিধাভোগীদের ই-কেওয়াইসি ও নথি যাচাইকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা এখনও ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করেননি, তাঁদের দ্রুত এই প্রক্রিয়া শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-কেওয়াইসি না হলে ভবিষ্যতে রেশন পেতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রশাসনের লক্ষ্য হল সকল যোগ্য উপভোক্তার তথ্য হালনাগাদ রাখা, যাতে কোনও মানুষই অকারণে রেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন।









