আবহাওয়া খেলাধূলা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য টাকাপয়সা প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ারবাজার শিল্প অন্যান্য

Border 2 Review: তিন দশক পর যুদ্ধের নতুন সংজ্ঞা, কেমন হলো ছবিটি?

Border 2 Review

জে.পি. দত্তের ১৯৯৭ সালের কালজয়ী ছবি ‘বর্ডার’ শুধু একটি যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়, এটি ভারতীয় দর্শকের আবেগ, দেশপ্রেম এবং স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক অনন্য অভিজ্ঞতা (Border 2 Review)। প্রায় তিন দশক পর তার সিক্যুয়াল ‘বর্ডার ২’ সেই আবেগ এবং উত্তরাধিকার বহনের ভার কাঁধে নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে এসেছে, যার ফলে দর্শকদের প্রত্যাশা স্বাভাবিকভাবেই ছিল আকাশছোঁয়া।

এই ছবিটি মূল ‘বর্ডার’ ছবির আত্মাকে ধরে রেখে আরও বড় ক্যানভাসে যুদ্ধের ব্যাপ্তি ও গভীরতা ফুটিয়েছে। স্থল, আকাশ এবং জল—তিন ক্ষেত্রেই সংঘর্ষের চিত্রায়ণ দর্শককে এক অনন্য অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। পরিচালনায় অনুরাগ সিং যথেষ্ট সংযম এবং সংবেদনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, যাতে দেশপ্রেম কখনো উগ্রতায় না পরিণত হয়, বরং মানবিক আবেগের সঙ্গে মিশে যায়।

অভিনয়ে সানি দেওল আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তিনি এই ঘরানার ছবির অবিচ্ছেদ্য অংশ; তাঁর উপস্থিতি মানেই থাকে শক্তি, আবেগ এবং দৃঢ়তা। বরুণ ধাওয়ান, দিলজিৎ দোসাঞ্জ এবং আহান শেঠি—তিনজনই নিজেদের মতো করে চরিত্রে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন। বিশেষভাবে দিলজিৎ দোসাঞ্জের অভিনয় চোখে পড়ার মতো, যিনি পাইলটের ভূমিকায় দৃঢ়তা এবং সংবেদনশীলতার একটি সুন্দর মেলবন্ধন উপস্থাপন করেছেন।

চিত্রনাট্যের অন্যতম শক্তিশালী দিক হল সৈনিকদের ব্যক্তিগত জীবনের পরিসর। তাঁদের পরিবার, গ্রাম, ভালোবাসা, অপেক্ষা এবং অনিশ্চয়তার মুহূর্তগুলো যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফ্ল্যাশব্যাক দৃশ্যে, প্রশিক্ষণকালীন বন্ধুত্বের গল্প ছবির আবেগী গভীরতা বাড়িয়েছে। মহিলা চরিত্ররা তুলনামূলকভাবে কম স্ক্রিন টাইম পেলেও নিজেদের উপস্থিতি ছাপিয়ে গেছেন।

অবশ্যই কিছু জায়গায় ছবির দৈর্ঘ্য অত্যধিক অনুভূত হতে পারে এবং কয়েকটি দৃশ্য আরও সংক্ষিপ্ত করা যেত। তবুও আবেগ, অ্যাকশন ও দেশপ্রেমের ভারসাম্য বজায় রেখে বর্ডার ২ দর্শককে শেষ পর্যন্ত টেনে রাখে। ক্লাইম্যাক্সে সানি দেওলের আইকনিক প্রত্যাবর্তন নস্টালজিয়াকে নতুন মাত্রা দেয়।

Ranjan Mahato

Ranjan Mahato একজন বিনোদন সংবাদ লেখক, যিনি সিনেমা, টেলিভিশন, ওয়েব সিরিজ ও তারকাদের লাইফস্টাইল নিয়ে লেখেন। সহজ ভাষায় দ্রুত ও নির্ভুল আপডেট দেওয়াই তার মূল লক্ষ্য। অবসরে তিনি নতুন ছবি ও সিরিজ দেখে রিভিউ করতে ভালোবাসেন। অনলাইন মিডিয়া জগতে তার যাত্রা শুরু 2025 সালে। লেখালেখির পাশাপাশি Ranjan Mahato নতুন ছবি, গান ও সিরিজ দেখে রিভিউ করতে ভালোবাসেন। অবসরে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ট্রেন্ড অনুসরণ করেন এবং পাঠকদের জন্য নতুন কনটেন্ট আইডিয়া সংগ্রহ করেন।

Join WhatsApp

Join Now