Sunday, August 31, 2025
36.7 C
Kolkata

𝐉𝐊𝐍𝐄𝐖𝐒𝟐𝟒 𝐁𝐀𝐍𝐆𝐋𝐀 ➠ 𝐎𝐧𝐞 𝐬𝐭𝐨𝐩 𝐬𝐨𝐥𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐟𝐨𝐫 𝐈𝐦𝐩𝐨𝐫𝐭𝐚𝐧𝐭 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚 𝐍𝐞𝐰𝐬 !

আট মাসে কুমিল্লার পদুয়ার...

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ইউটার্ন এখন মানুষের কাছে যেন এক মৃত্যুফাঁদে পরিণত...

BANGLADESHI INFILTRATOR ARRESTED: বিএসএফের...

কলকাতা, 24 অগস্ট:  সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়লেন বড়সড় এক...

SMP Kolkata Recruitment 2025:...

SMP Kolkata Recruitment: পশ্চিমবঙ্গের ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য এ যেন এক দারুণ সুখবর! কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ...

ISRO Recruitment 2025: ভারতীয়...

ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা ISRO-র পক্ষ থেকে সম্প্রতি বিপুল সংখ্যক অ্যাপ্রেন্টিস নিয়োগের...

Join or social media

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন

Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

- Advertisement -

Recommended for You

- Advertisement -

MIGRANT WORKERS DEAD: উত্তরপ্রদেশে রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়ে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

কাঁথি, 24 অগস্ট: ভিনরাজ্যে রুজিরুটির সন্ধানে গিয়ে চরম দুর্ঘটনার শিকার হলেন এক মা ও ছেলে। কাঁথির বাসিন্দা ওই পরিবার শনিবার সকালে উত্তরপ্রদেশের বরেলিতে ভয়াবহ সড়ক...

Most Popular

- Advertisement -
Homeব্যবসা বাণিজ্যশিল্পপশ্চিমবঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স কী? জানুন সম্পূর্ণ বিস্তারিত

পশ্চিমবঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স কী? জানুন সম্পূর্ণ বিস্তারিত

ট্রেড লাইসেন্স কী?: আপনি যদি নতুন করে কোনো ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছেন, তাহলে প্রথমেই যেটা মাথায় রাখা জরুরি — সেটা হলো ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া। সহজ ভাষায় বললে, ট্রেড লাইসেন্স হচ্ছে এমন একটি অনুমতিপত্র, যা প্রমাণ করে যে আপনি যেই ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন, সেটা আইন অনুযায়ী বৈধ এবং আপনি নির্দিষ্ট এলাকা বা সীমার মধ্যে সেই ব্যবসা করার অনুমতি পেয়েছেন। এই নিবন্ধে ট্রেড লাইসেন্স কী, কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, নিয়ম ও প্রকারভেদ, আবেদন প্রক্রিয়া, স্ট্যাটাস চেক এবং ডাউনলোড প্রক্রিয়া সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হল।

সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করন -

WhatsApp Group Join Now

ট্রেড লাইসেন্স কী?

ট্রেড লাইসেন্স হল স্থানীয় পৌর কর্পোরেশন দ্বারা জারি করা একটি অনুমতি পত্র যা দিয়ে কোন একজন পণ্য উৎপাদন বা বিক্রয়, পরিষেবা প্রদান ইত্যাদি বাণিজ্যিক কার্যকলাপ শুরু করতে পারেন। এই অনুমতি পত্র অনুযায়ী কোন ব্যাক্তি নির্দিষ্ট এলাকায় আইন সম্মত কোন নির্দিষ্ট ব্যবসা শুরু করার ছাড়পত্র পান। ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করে যে ব্যবসাটি আইনি সীমানার মধ্যে এবং নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং নৈতিক নিয়ম রক্ষা করে পরিচালিত হচ্ছে।

ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে অনেকেরই একটা সাধারণ ভুল ধারণা থাকে। তাই একটা বিষয় স্পষ্ট করে জানা খুব জরুরি — আপনি যে ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স পেয়েছেন, সেই নির্দিষ্ট ব্যবসাটাই আপনি করতে পারবেন। এর বাইরে অন্য কোনও ব্যবসা চালানো যাবে না, লাইসেন্স সেই অনুমতি দেয় না।

সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করন -

WhatsApp Group Join Now

এছাড়া, ট্রেড লাইসেন্সের নিয়ম কিন্তু রাজ্যভেদে বদলে যায়। মানে, এক রাজ্যের নিয়ম আরেক রাজ্যের মতো নাও হতে পারে। তাই নতুন জায়গায় ব্যবসা শুরু করার আগে সেখানকার স্থানীয় নিয়ম ভালোভাবে জেনে নেওয়া দরকার।

আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো — ট্রেড লাইসেন্স আপনার দোকান বা অফিসের মালিকানা প্রমাণ করে না। এটা কখনই বলে না যে আপনি ওই সম্পত্তির মালিক। এমনকি বেআইনি কোনও কাজের অনুমতিও এটি দেয় না।

ট্রেড লাইসেন্স কেন প্রয়োজন

ট্রেড লাইসেন্স যে কোন ব্যবসা আইনত পরিচালনা করার জন্যই আবশ্যিক। এটি সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের পৌর কর্পোরেশন আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে সরকার রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রমগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করা বেআইনি, সেক্ষেত্রে আপনাকে জরিমানা দিতে এমনকি আপনার ব্যবসা বন্ধ হওয়ারও ঝুঁকি থাকে।

ট্রেড লাইসেন্স কত প্রকার

ট্রেড লাইসেন্স বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে যা প্রধানত ব্যবসায়িক কার্যকলাপের ধরণ এবং অবস্থানের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয় যেমনঃ

জেনারেল ট্রেডিং লাইসেন্স

এই লাইসেন্স পাওয়ার মানে হল, আপনি একটার বেশি ব্যবসা করতে পারেন – একসঙ্গে একাধিক ক্ষেত্রে ট্রেডিং করার সুবিধা পাবেন। এতে করে নির্দিষ্ট একটা ক্ষেত্রের মধ্যেই আটকে থাকতে হয় না। আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরণের পণ্য বা পরিষেবা কেনাবেচা করতে পারবেন, তাও কোনও বাধা ছাড়াই। এটা ব্যবসায়িক দিক থেকে অনেকটা স্বাধীনতা এনে দেয়।

পেশাদার লাইসেন্স

পেশাদার লাইসেন্স মূলত তাদের জন্য, যারা আইনি পরিষেবা, চিকিৎসা, ইঞ্জিনিয়ারিং, কন্সালটেন্সি বা বিভিন্ন ধরণের পরামর্শমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত। এই লাইসেন্স থাকার মানে, আপনি এই ধরনের পেশাদার কাজ করার জন্য অনুমোদিত ও যোগ্য। পাশাপাশি, এটা নিশ্চিত করে যে, আপনার পরিষেবার মান একটি নির্দিষ্ট পেশাদার স্তরে রয়েছে। সহজ কথায়, এটি আপনার পেশাগত বিশ্বাসযোগ্যতা ও মান বজায় রাখতে সাহায্য করে।

শিল্প লাইসেন্স

এই লাইসেন্সটি মূলত ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় আকারের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রযোজ্য। যারা পণ্য তৈরি করে, প্রক্রিয়াজাত করে বা assembling-এর কাজ করে—তাদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইসেন্সের মূল লক্ষ্য হলো, শিল্পের প্রতিটি ধাপে কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, পরিবেশের প্রতি যত্নশীল থাকা এবং একটি সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত পরিচালনা ব্যবস্থা বজায় রাখা। সহজভাবে বললে, এটা শিল্প প্রতিষ্ঠানকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতনভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।

বাণিজ্যিক লাইসেন্স

বাণিজ্যিক লাইসেন্স পাওয়ার পর আপনি খুচরা বিক্রি, পাইকারি ব্যবসা কিংবা পণ্যের বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন)-এর মতো কাজ করতে পারবেন। তবে মনে রাখতে হবে, এসব ব্যবসা অবশ্যই নির্দিষ্ট এলাকার জোনিং নিয়ম এবং বাণিজ্যিক আইন মেনে চালাতে হবে। মানে, যেভাবে সরকার বা কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা দিয়েছে, সেভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। এতে আপনি যেমন নিরাপদ থাকবেন, তেমনি আপনার ব্যবসাও চলবে নিয়ম মেনে ও নির্ভরযোগ্যভাবে।

খাদ্য প্রক্রিয়াজাত লাইসেন্স

যে কোনো ব্যবসা যেখানে খাবার তৈরি, পরিচালনা বা বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত—সেই ব্যবসার জন্য এই লাইসেন্সটি থাকা একেবারে জরুরি। এই লাইসেন্স নিশ্চিত করে যে, আপনি খাবার তৈরি বা পরিবেশন করার সময় স্বাস্থ্যবিধি, স্যানিটেশন এবং খাদ্য সুরক্ষার নিয়মগুলি ঠিকমতো মেনে চলছেন। মূলত, এটি জনসাধারণের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখে এবং ব্যবসার ওপর মানুষের আস্থা তৈরি করে। খাবারের মান ঠিক রাখা ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই লাইসেন্সের মূল উদ্দেশ্য।

ট্রেড লাইসেন্স কোথায় হয়

ট্রেড লাইসেন্স মূলত পৌর কর্পোরেশনের লাইসেন্সিং বিভাগ থেকে জারি করা হয়। এই লাইসেন্স শিল্প, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিভাগের মাধ্যমে দেওয়া হয়, যেটা নির্দিষ্ট কোনও জায়গায় ব্যবসা বা বাণিজ্য চালানোর আইনি অনুমতি হিসেবে কাজ করে। সহজভাবে বললে, আপনি যেখানেই দোকান বা ব্যবসা শুরু করতে চান, সেই এলাকার পৌর সংস্থা আপনার ব্যবসাকে আইনগতভাবে স্বীকৃতি দেয় এই লাইসেন্সের মাধ্যমে। তবে কোন রাজ্যে কেমনভাবে লাইসেন্স দেওয়া হবে, সেটা ওই এলাকার পৌরসভার নিয়ম ও নীতির উপর নির্ভর করে বদলে যেতে পারে।

ট্রেড লাইসেন্স করার নিয়ম

আপনি যেখানেই ব্যবসা বা বাণিজ্য শুরু করতে চান, সেখানকার পৌর সংস্থা বা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। তবে আবেদনের সময়সীমা রাজ্যভেদে আলাদা হয়ে থাকে। যেমন, কিছু রাজ্যে ব্যবসা শুরুর এক মাস আগে আবেদন করতে হয়, আবার কোথাও ব্যবসা শুরু করার ৩০ দিনের মধ্যেও আবেদন করার সুযোগ থাকে। ভালো খবর হচ্ছে, আপনি চাইলে অনলাইন বা অফলাইন – দুইভাবেই এই ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। পুরো প্রক্রিয়াটাই খুব সহজ, শুধু নিয়ম মেনে আবেদন করলেই হবে।

ট্রেড লাইসেন্স ফি ২০২৫

ট্রেড লাইসেন্সের ফি নির্ভর করে আপনার ব্যবসার ধরন, ঠিকানা এবং লাইসেন্সের মেয়াদের ওপর। এর মধ্যে থাকে আবেদন ফি, প্রক্রিয়াকরণ ফি এবং বছরে একবার যে নবায়ন ফি দিতে হয়, সেগুলো মিলিয়ে মোট খরচ গঠন হয়। সহজভাবে বললে, আপনার ব্যবসার ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী এই ফি কিছুটা ভিন্ন হতে পারে, আর এটা লাইসেন্স কতদিনের জন্য নেওয়া হচ্ছে তার ওপরও নির্ভর করে।

ট্রেড লাইসেন্সের ফি সাধারণত আপনার রাজ্যের পৌর সংস্থা থেকে নির্ধারিত হয়, তাই রাজ্য অনুযায়ী এই ফি ভিন্ন হতে পারে। কোনো কোনো রাজ্যে ফি বার্ষিক ভিত্তিতে নেওয়া হয়, আর কোথাও আবার আপনার ব্যবসার বার্ষিক টার্নওভারের একটা নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে ফি নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ, রাজ্যের নিয়ম ও ব্যবসার আকার অনুযায়ী ফি কত হবে সেটা আলাদা হয়ে থাকে।

নিচে স্থানীয় বাণিজ্যিক অথবা গৃহস্থালি এলাকার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সের রেজিস্ট্রেশন এবং প্রক্রিয়াকরণ ফি সম্পর্কিত তথ্য দেওয়া হলঃ

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রফি
১০ বর্গমিটার পর্যন্তবার্ষিক ₹২০০/- টাকা
১০-২০ বর্গমিটার পর্যন্তবার্ষিক ₹৫০০/- টাকা
২০ বর্গমিটারের উপরেপ্রতি বর্গমিটারে ₹৫০/- টাকা
গুরুত্বপূর্ণ খবরের জন্যJoin Group
চাকরির খবরের জন্যJoin JKNEWS24 Jobs
রাশিফলের জন্যJoin NEWS24
খেলার খবরের জন্যJoin Whatsapp
- Advertisement -

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন