প্রবল গরমে নাকাল অবস্থা আমজনতার, আর এই একই চিত্র এখন চোখে পড়ছে বাংলাতেও—যেখানে তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং, ফলে সাধারণ মানুষের রাতের ঘুম কার্যত উধাও। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এতটাই বেড়েছে যে দিনের বেলাতেই হঠাৎ করে কারেন্ট চলে যাচ্ছে, আর কখন ফিরবে তারও কোনও নিশ্চয়তা থাকছে না। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম Jugantor-এর প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে এই ভোগান্তির ছবি। এর প্রভাব শুধু ঘরোয়া অস্বস্তিতেই সীমাবদ্ধ নয়—শিল্প উৎপাদন, কৃষি কাজ থেকে শুরু করে নানা উৎপাদন ক্ষেত্রেই পড়ছে সরাসরি ধাক্কা।
কবে থেকে কমবে লোডশেডিং?
বাংলাদেশে বাড়তে থাকা লোডশেডিং নিয়ে কিছুটা স্বস্তির বার্তা মিলেছে—এর আগেই বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উন্মে রেহানা জানিয়েছিলেন, ২৮ এপ্রিল থেকে প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে, যার ফলে চলমান সংকট কিছুটা হলেও কমবে। পাশাপাশি জ্বালানি সমস্যার কারণে বন্ধ হয়ে থাকা আরএনপিএন ইউনিটগুলিও ধীরে ধীরে চালু করা হবে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই মোট বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় ২০০০ মেগাওয়াটে পৌঁছতে পারে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই Iqbal Hasan Mahmud Tuku, যিনি Bangladesh-এর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, তিনি Bangladesh-China Renewable Energy Forum-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন যে আগামী সপ্তাহ থেকেই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই উন্নত হবে এবং লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
বাংলাদেশে লোডশেডিং নিয়ে বড় আপডেট
এদিন বাংলাদেশের ওই মন্ত্রী এও বলেন, তারেক রহমান সরকার আগামী 5 বছরে 10 হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরিকল্পনা করছে। এর জন্য রেলওয়ে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অব্যবহিত জমিগুলি ব্যবহার করা হতে পারে। এদিন বাংলাদেশের ওই মন্ত্রী এও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে আজও 56 হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। যা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। এদিকে, একনাগাড়ে প্রতিদিন লোডশেডিংয়ের কারণে একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছেন ওপারের বাসিন্দারা।
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -
