JKNews24 Disk: বিধানসভা ভোটের আগে বড় মাস্টারস্ট্রোক খেলল রাজ্য সরকার। বেকার যুবকদের আর্থিকভাবে সহায়তা করতে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন নতুন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ‘বাংলার যুব সাথী’। রাজ্যের ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে এই প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছে। মূলত চাকরির খোঁজে থাকা তরুণ-তরুণীদের ন্যূনতম আর্থিক সুরক্ষা দেওয়াই এই প্রকল্পের লক্ষ্য, যাতে কাজের সন্ধানে থাকার সময় তাঁদের উপর আর্থিক চাপ কিছুটা হলেও কমে।
বাংলার যুব সাথী প্রকল্প
এই প্রকল্পের অধীনে যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে বলে রাজ্য সরকার জানিয়েছে। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের নানা প্রান্তে থাকা বেকার যুবক-যুবতীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ‘বাংলার যুব-সাথী’ প্রকল্পে আবেদন করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত মানতে হবে। আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, তাঁকে অবশ্যই বেকার হতে হবে এবং ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে মাধ্যমিক পাশ করা বাধ্যতামূলক।
এই প্রকল্পের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ভাতা প্রদানের সময়সীমা। একবার আবেদন অনুমোদিত হলে সংশ্লিষ্ট যুবক বা যুবতী সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত এই মাসিক আর্থিক সহায়তা পেতে পারবেন। তবে এর মধ্যেই যদি কেউ স্থায়ী কর্মসংস্থান পেয়ে যান, সেক্ষেত্রে প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।
এই প্রকল্পে ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি, ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ করা বেকার প্রার্থীরা প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। তবে যাঁরা ইতিমধ্যেই অন্য কোনও রাজ্য সরকারি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের ভাতা পাচ্ছেন, তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না—যদিও শিক্ষা সংক্রান্ত স্কলারশিপ বা বৃত্তি প্রাপকদের জন্য দরজা খোলা রাখা হয়েছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৫ অগস্ট ২০২৬ থেকে প্রকল্পটি কার্যকর হবে এবং তার আগেই আবেদন ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে।