ভোটের আবহে ফের কেন্দ্রীয় সংস্থার তৎপরতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। প্রথম দফার West Bengal Assembly Election-এর পর আবারও তলব করা হয়েছে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী Sujit Bose ও Rathin Ghosh-কে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগামী ২৪ এপ্রিল তাঁদের সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে অবস্থিত Enforcement Directorate (ইডি) দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগেও তিনবার এই দুই প্রার্থীকে তলব করা হয়েছিল, তবে প্রচারের ব্যস্ততার কারণে তাঁরা যেতে পারেননি। সেই সময় Sujit Bose-এর ছেলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে ইডি আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তবুও ফের তলব করা হওয়ায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
ইডি সূত্রে খবর, বুধবার ফের বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করা হয়েছে। এর আগেও দু’বার তলব করা হয়েছে তাঁকে। ১০ এপ্রিল সুজিত বসুকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আগামী ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফা ভোট সুজিতের কেন্দ্রে। তাই প্রচারের কাজে আপাতত তুমুল ব্যস্ত তিনি। তাই স্বাভাবিকভাবেই হাজিরা দিতে না পেরে ছেলে সমুদ্র বসুর মাধ্যমে নথিপত্র পাঠিয়েছিলেন। তারপরও সুজিত বসুকে তলব করা হয়েছে।
একই মামলায় তৃতীয়বার তলব করা হয়েছে মধ্যমগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী মন্ত্রী Rathin Ghosh-কে, যদিও তিনি এই মুহূর্তে প্রচারে ব্যস্ত থাকায় ভোটের পরই কেন্দ্রীয় সংস্থার সামনে হাজির হবেন বলে জানিয়েছেন। এদিকে Sujit Bose ও রথীন ঘোষ—দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে ভোটের মাঝেই ঘনঘন তলব করা নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। শুধু এই দুই নেতা নন, তৃণমূলের আরেক প্রার্থী Debasish Kumar-কেও জমি দুর্নীতি মামলায় ডেকেছিল Enforcement Directorate (ইডি)। তিনি অবশ্য সল্টলেকের দপ্তরে গিয়ে নথিপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, “আমার মার্জিন আরও বাড়ল।” ফলে ভোটের আবহে এই তলব ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও জোরদার হয়েছে।
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -
