প্রথম দফার West Bengal Assembly Election-এর আগে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে Election Commission of India। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইভিএমে প্রার্থীদের নামের পাশে যে ভোট দেওয়ার বোতাম থাকে, সেখানে যদি পারফিউম, কালি, আঠা বা অন্য কোনও রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি দেখা যায়, তাহলে সেটিকে সন্দেহজনক হিসেবে ধরা হবে। এমন পরিস্থিতিতে ‘ভোট ট্যাম্পারিং’-এর অভিযোগ উঠতে পারে এবং প্রয়োজনে সেই বুথের ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে। ফলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে কমিশন এই বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে।
এছাড়া প্রত্যেক প্রিসাইডিং অফিসারকে কমিশনের কড়া নির্দেশিকা, ভোট শুরুর আগে এবং ভোট চলাকালীন ইভিএম ব্যালট ইউনিট খতিয়ে দেখতে হবে। প্রার্থীর নাম স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে কিনা, ইভিএমের বোতামের উপর কিছু লেগে আছে কিনা, সেদিকে নজর রাখতে হবে। যদিও কোনও অসংগতি থাকে, তবে তড়িঘড়ি তা রিটার্নিং অফিসার কিংবা সেক্টর অফিসারকে জানাতে হবে। তড়িঘড়ি সেই অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
প্রথম দফার West Bengal Assembly Election ঘিরে এবারে একের পর এক কড়া ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে Election Commission of India। কমিশনের দাবি, এই সমস্ত পদক্ষেপই সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। যেমন—ভোটের দু’দিন আগে থেকে মোটরবাইক চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ, জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। পাশাপাশি ২১ তারিখ বিকেল থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত দিঘা, মন্দারমণি ও তাজপুরের মতো পর্যটনস্থলের হোটেল ও গেস্ট হাউসে বাইরের লোক থাকার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভোটের দিন বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া অন্য কারও প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি অভিযোগ উঠেছে, ভোটের তিন দিন আগে থেকে কার্যত থানার নিয়ন্ত্রণ আধা সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে তারা পুলিশের অনুমতি ছাড়াই ব্যবস্থা নিতে পারে। তবে এই সব সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্কও কম নয়, কারণ অনেকেই মনে করছেন এতে সাধারণ মানুষের উপর চাপ ও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -
