দীর্ঘ ১০ বছর পর ইথিওপিয়ার ‘হেলি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি আবার সক্রিয় হয়েছে (Ethiopia Volcanic Ash)। এই অগ্নুৎপাতের ছাই (Ethiopia Volcanic Ash) এতদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে যে দিল্লির আকাশে তা দেখা যাচ্ছে। এমনকি গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ এবং হরিয়ানার আকাশেও ছাই ঢুকেছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আগ্নেয়গিরির প্রবল বিস্ফোরণে ছাই প্রায় ২৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উঠে গেছে। কিন্তু কীভাবে এটি এতদূর পর্যন্ত পৌঁছেছে, তা এখনো রহস্য।
‘হেলি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরির ছাই এতদূর ছড়িয়ে পড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, অগ্নুৎপাতের বিস্ফোরণে ছাই ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উঠে যায়। এরপর উচ্চতার তীব্র বাতাস তা লোহিত সাগরের ওপর দিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে আসে এবং ইয়েমেন ও ওমানের দিকে পৌঁছে দেয়। ধীরে ধীরে বাতাসের সঙ্গে ছাই আরব সাগরের উপরে এসে পড়ে। তবে এই ছাই পূর্বদিকে অগ্রসর হওয়ার আগে গুজরাট, রাজস্থান এবং উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোর আকাশে ঢুকে পড়েছিল।
আমজনতার এতে কী অসুবিধা হতে পারে? (Ethiopia Volcanic Ash)
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সাধারণ মানুষের উপর কি এই আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের কোনো প্রভাব পড়বে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ জীবনযাত্রায় কোনো দূষণজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আকাশ কিছুটা ঘোলাটে দেখাতে পারে এবং সূর্যোদয়ের সময় আকাশের রং খানিকটা বদলে যেতে পারে। এছাড়া কিছু এলাকায় আকাশ থেকে ছাই ঝরতে পারে, কিন্তু যেহেতু ছাই প্রায় ২৫ হাজার ফুট উচ্চতায় রয়েছে, তাই কোনো বড় ক্ষতির আশঙ্কা নেই।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১০ বছর পর এই আগ্নেয়গিরিটি জেগে ওঠায় বিজ্ঞানীরা এটিকে ঐতিহাসিক আর বিরল ঘটনা বলে ব্যাখ্যা করছে। ‘হেলি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরির এই অগ্নুৎপাতে গোটা বিশ্বের উড়ান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। এমনকি দিল্লিতে পড়েছে প্রভাব। বলাই বাহুল্য, ছাইয়ের অভিমুখ নিয়ন্ত্রণে বায়ুপ্রবাহ সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করছে। সে কারণেই দিল্লি এনসিআর অঞ্চলে শেষ পর্যন্ত এই ছাই এসে পৌঁছেছে।









