ভোটার তালিকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি বিরোধীদের

- Advertisement -

JKNews24 Disk: পশ্চিমবঙ্গে এখনও শেষ হয়নি এসআইআর (SIR West Bengal) প্রক্রিয়া, আর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। ঠিক এই সময়েই একটি অডিও ক্লিপ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, টাকার বিনিময়ে পাঁচ বাংলাদেশির নাম ভোটার তালিকায় তোলা হবে—এমন কথোপকথন শোনা যাচ্ছে ওই অডিওতে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে গেছে। ইতিমধ্যে এই অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিরোধী দল বিজেপি, এবং গোটা বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা দিলে নাম থাকবে এসআইআর (SIR) তালিকাতে:

বাগদার ১২০ নম্বর বুথের বিএলও চন্দ্রকান্তের বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। ভাইরাল হওয়া এক অডিও ক্লিপে শোনা যাচ্ছে, এক বাংলাদেশির সঙ্গে তার কথোপকথনে নাকি পাঁচজনের নাম ভারতের ভোটার তালিকায় তুলতে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে—অর্থাৎ মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা দিলেই কাজ হয়ে যাবে বলে দাবি করা হচ্ছে। এমনকি তালিকায় যে অংশ ‘আনম্যাপড’ রয়েছে, তা সাদাকালি দিয়ে মুছে দেওয়ার কথাও নাকি শোনা গেছে ওই অডিওতে। সেখানে বিএলও, ইআরও, এইআরও এবং মাইক্রো অবজার্ভারের নামও আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে অভিযোগ সামনে আসতেই চন্দ্রকান্ত সবকিছু অস্বীকার করে বলেন, “এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এআইয়ের যুগে এমন অডিও বানানো অসম্ভব নয়। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। কোন অডিও ভাইরাল হয়েছে সেটাও আমার জানার প্রয়োজন নেই। তদন্তেই সত্যতা সামনে আসবে।”

এ বিষয়ে বাগদার প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল ধর নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি বলেন এক বাংলাদেশীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন, পাঁচটা নাম তুলে দেবেন, তার জন্য ৫০ হাজার টাকা নেবেন। অডিওটা আমাদের কাছে এসেছে, আমি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। সত্যিই যদি বিএলও এই ধরনের কাজ করে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। শোনা যাচ্ছে তিনি ইমেইলের মাধ্যমে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক ও বিডিও-র কাছেও বিএলও-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন এই ব্যাপারে।

যার কাছ থেকে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ, তিনি নাকি একজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী—এমন দাবিও উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তার পরিবারের সদস্যরাও খুব বেশি দিন আগে বাংলাদেশ থেকে এ দেশে এসেছেন এবং তাদের পরিচয়পত্র নাকি ঘুরপথে তৈরি করা হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে অনেকেই জানেন বলেই দাবি। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাদের নাম ছিল না বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন সেই পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকায় তুলতেই ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে—এমনটাই অভিযোগের কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

--Advertisement--
- Advertisement -
Pinky Khan
Pinky Khanhttps://jknews24.in/
সাত বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডিজিটাল মিডিয়া পেশাজীবী, যিনি অনলাইন কনটেন্ট তৈরি, গণমাধ্যম ও তথ্যসংক্রান্ত কাজে দক্ষ। সরকারি প্রকল্প, স্কলারশিপ ও চাকরির আপডেট নিয়মিতভাবে পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য।
Latest news
- Advertisement -
Related news