JKNews24 Disk: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন গোটা রাজ্য জুড়ে ভোটের উত্তাপ বাড়ছে, ঠিক সেই সময়েই বীরভূমের শান্তিনিকেতনে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র শোরগোল। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার মালিকানাধীন একটি হোটেলে নাকি গোপনে চলত মধুচক্রের আসর। বিষয়টি সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। শাসকদল ও বিরোধীদের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধছে। ইতিমধ্যেই অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
তৃণমূল নেতার হোটেলে রমরমিয়ে মধুচক্র
রিপোর্ট মোতাবেক শান্তিনিকেতনের প্রান্তিক রেলস্টেশনের ধারে সেখানকার এক তৃণমূল নেতার তত্ত্বাবধানে একটি হোম স্টে-তে মধুচক্র কাণ্ডের অভিযোগ উঠে এসেছে। অনেকদিন ধরেই এই অভিযোগ উঠে আসছিল। অবশেষে গতকাল অর্থাৎ বুধবার, শান্তিনিকেতন থানার একটি বিশেষ টিম সেই হোম স্টে-তে আচমকা হানা দেয়। আর তাতেই বেরিয়ে আসে ভয়ংকর তথ্য। গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ ৪ জনকে। জানা গিয়েছে আজ অভিযুক্তদের বোলপুর আদালতে তোলা হবে।
গ্রেফতার করা হয় ৪ জনকে
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই হোটেলটি বহুদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। বেশ কিছু দিন ধরে তারা লক্ষ্য করেছেন, প্রতিদিনই অচেনা পুরুষ ও মহিলারা হোটেলে প্রবেশ করছেন। তাঁদের আচরণ ও কথাবার্তা ছিল ভিন্ন ধরনের, যা স্থানীয়দের সন্দেহ বাড়িয়েছে। পরে জানা যায়, সেখানে কিছু অশ্লীল কার্যকলাপ হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, আরও কয়েকজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। গোটা ঘটনার বিষয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে। অন্যদিকে স্থানীয়রা দাবি করছেন, দ্রুত হোটেলটি সিল করা হোক এবং তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হোক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই হোটেলটি বহুদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। বেশ কিছু দিন ধরে তারা লক্ষ্য করেছেন, প্রতিদিনই অচেনা পুরুষ ও মহিলারা হোটেলে প্রবেশ করছেন। তাঁদের আচরণ ও কথাবার্তা ছিল ভিন্ন ধরনের, যা স্থানীয়দের সন্দেহ বাড়িয়েছে। পরে জানা যায়, সেখানে কিছু অশ্লীল কার্যকলাপ হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, আরও কয়েকজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। গোটা ঘটনার বিষয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে। অন্যদিকে স্থানীয়রা দাবি করছেন, দ্রুত হোটেলটি সিল করা হোক এবং তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হোক।