Homeলাইফস্টাইলরান্নাCapsicum Recipe: নিরামিষে নতুন চমক! ক্যাপসিকাম দিয়ে ঝাল-মশলাদার পদ

Capsicum Recipe: নিরামিষে নতুন চমক! ক্যাপসিকাম দিয়ে ঝাল-মশলাদার পদ

JKNews24 Disk: রান্নাঘরে ঢুকে যখন দেখেন হাতে সময় খুব কম, অথচ জিভ চাইছে রাজকীয় কিছু—তখন উদ্ধারকর্তা হিসেবে এগিয়ে আসে রঙিন ক্যাপসিকাম (Capsicum Recipe)। অনেকে একে শিমলা লঙ্কাও বলেন। তবে নাম যাই হোক, এর গায়ের ঔজ্জ্বল্য আর মুচমুচে টেক্সচার যেকোনো সাধারণ খাবারকেও অসাধারণ করে তোলে। আমরা সাধারণত চাইনিজ খাবারে ক্যাপসিকাম দেখে অভ্যস্ত, কিন্তু বিশ্বাস করুন, ঘরোয়া মশলা […]

- Advertisement -

JKNews24 Disk: রান্নাঘরে ঢুকে যখন দেখেন হাতে সময় খুব কম, অথচ জিভ চাইছে রাজকীয় কিছু—তখন উদ্ধারকর্তা হিসেবে এগিয়ে আসে রঙিন ক্যাপসিকাম (Capsicum Recipe)। অনেকে একে শিমলা লঙ্কাও বলেন। তবে নাম যাই হোক, এর গায়ের ঔজ্জ্বল্য আর মুচমুচে টেক্সচার যেকোনো সাধারণ খাবারকেও অসাধারণ করে তোলে। আমরা সাধারণত চাইনিজ খাবারে ক্যাপসিকাম দেখে অভ্যস্ত, কিন্তু বিশ্বাস করুন, ঘরোয়া মশলা দিয়ে তৈরি একটি ক্যাপসিকাম রেসিপি আপনার দুপুরের গরম ভাত বা রাতের রুটির স্বাদ বদলে দিতে পারে নিমেষেই।

ক্যাপসিকাম খেলে শরীরের কী উপকার হয়?

ক্যাপসিকাম শুধু রঙিন আর সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। একটি মাঝারি সাইজের ক্যাপসিকামে থাকে প্রায় ৩০ ক্যালরি, কিন্তু ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ থাকে প্রচুর পরিমাণে। স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থা Harvard Health Publishing–এর তথ্য অনুযায়ী, এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদ্‌যন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বককে রাখে উজ্জ্বল ও সতেজ। বাচ্চাদের জন্যও এটি দারুণ, কারণ অতিরিক্ত ঝাল বা জটিল মশলা ছাড়াই সহজভাবে রান্না করা যায়, ফলে খেতেও সুবিধা হয়। তাই সপ্তাহে অন্তত দু’-তিনদিন ক্যাপসিকাম মেনুতে রাখলে একসঙ্গে স্বাদ আর স্বাস্থ্য—দুটোই মিলবে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

উপকরণপরিমাণ
বড় ক্যাপসিকাম (সবুজ বা রঙিন)৩টি (কিউব করে কাটা)
আলু (ঐচ্ছিক)১টি মাঝারি (ছোট ডুমো করে কাটা)
পেঁয়াজ কুচি১টি বড়
আদা-রসুন বাটা১ চা চামচ
ঘরোয়া মশলাহলুদ, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো ও লঙ্কা গুঁড়ো
আমচুর পাউডার বা লেবুর রসসামান্য (স্বাদ ব্যালেন্স করতে)
তেল ও নুনপ্রয়োজনমতো

ক্যাপসিকাম রেসিপি প্রস্তুতি প্রণালী (Capsicum Recipe)

প্রথমে ক্যাপসিকামগুলো ভালো করে ধুয়ে ভেতরের বীজ ফেলে সমান মাপের চারকোণা কিউব করে কেটে নিন—খেয়াল রাখবেন খুব ছোট না হয়, তাহলে রান্নার সময় নরম হয়ে ঘেঁটে যেতে পারে; আমরা চাই হালকা মুচমুচে টেক্সচার থাকুক। এরপর কড়াইতে দুই চামচ তেল গরম করে সামান্য কালো জিরে বা জিরে ফোড়ন দিন, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা লাল হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। আদা-রসুন বাটা দিয়ে কাঁচা গন্ধ কাটিয়ে নিয়ে হলুদ, ধনে ও জিরে গুঁড়ো সামান্য জল ছিটিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে কাটা ক্যাপসিকাম (চাইলে ছোট কিউব করা আলুও) দিয়ে স্বাদমতো নুন ছড়িয়ে মিশিয়ে দিন। এবার ঢেকে একেবারে কম আঁচে রান্না করুন—অতিরিক্ত জল দেবেন না, কারণ ক্যাপসিকামের নিজের জলেই এটি সেদ্ধ হয়ে যাবে। প্রায় হয়ে এলে ওপর থেকে সামান্য আমচুর পাউডার বা লেবুর রস ছড়িয়ে দিন; চাইলে এক চিমটি চিনি দিতে পারেন। সবশেষে অল্প গরম মশলা বা এক চামচ ঘি ছড়িয়ে নামিয়ে নিলেই ঘরোয়া মশলায় তৈরি সুগন্ধি, হালকা মুচমুচে ক্যাপসিকামের অনন্য পদ প্রস্তুত।

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপটেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -

শেষ কথা

রান্না মানেই যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কড়াইয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ঘাম ঝরানো, সেই ধারণা এখন সেকেলে। আজকের এই ক্যাপসিকাম রেসিপি প্রমাণ করে দেয় যে সাধারণ উপকরণ দিয়েও অসাধারণ স্বাদ তৈরি করা সম্ভব। এটি আপনি রুটি, পরোটা বা ডাল-ভাতের সাথে সাইড ডিশ হিসেবে অনায়াসেই পরিবেশন করতে পারেন।

--Advertisement--
- Advertisement -
- Advertisement -

Breaking News

- Advertisement -

Related Stories

- Advertisement -