Home প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 127

Voter List Name Check 2025: আপনার ভোটার নম্বরে অন্য কারও নাম নেই তো? এখনই চেক করুন!

Voter List Name Check 2025: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলীয় কর্মী সম্মেলনে তিনি কাগজ-কলমে প্রমাণ তুলে ধরে দাবি করেন, বাংলার প্রকৃত ভোটারদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পরিকল্পিতভাবে বাইরের লোকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, একই এপিক কার্ডে একাধিক বাইরের রাজ্যের মানুষের নাম যোগ করা হয়েছে। যেখানে একজন প্রকৃত বাঙালি ভোটারের নাম থাকার কথা, সেখানে হরিয়ানা, পাঞ্জাব, রাজস্থান ও বিহারের ব্যক্তিদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, অভিযোগ অনুযায়ী, পরিকল্পিতভাবে রেলযোগে এসব বহিরাগতদের বাংলায় আনা হবে এবং তাদের দিয়ে ভোট করানো হবে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি জনগণকে সতর্ক করে বলেছেন, “বাংলার মানুষকে আবেদন করবো, আপনারা আপনাদের ভোটার লিস্টটা দেখে নিন দয়া করে। আর তা না হলে, যেকোনো দিন NRC এর নাম করে ও CAA এর নাম করে আপনার কিন্তু নামটা ছলচাতুরী করে কেটে দিবে।”

এই পরিস্থিতিতে, নিশ্চিত হয়ে নেওয়া জরুরি যে আপনার নাম এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম ভোটার তালিকায় আছে কি না। চিন্তার কিছু নেই, কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করলেই আপনি এটি অনলাইনে চেক করতে পারবেন।

কীভাবে অনলাইনে ভোটার লিস্ট চেক করবেন?

ধাপ ১: প্রথমে জাতীয় ভোটার পরিষেবা পোর্টাল (NVSP) বা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট-এ যান।
ধাপ ২: সেখানে আপনার ভোটার আইডি (EPIC নম্বর) বা নাম, জন্মতারিখ ও ঠিকানা দিয়ে সার্চ করুন।
ধাপ ৩: তালিকায় আপনার নাম ও পরিবারের সদস্যদের নাম খুঁজে দেখুন।

মাত্র কয়েক মিনিটেই নিশ্চিত হয়ে নিতে পারবেন, আপনার নাম ভোটার তালিকায় রয়েছে কিনা! যদি কোনো সমস্যা হয় বা নাম না পান, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনার ভোট, আপনার অধিকার—এটি সুরক্ষিত রাখা আপনার দায়িত্ব!

WB Guest Teacher Job 2025: রাজ্যে মডেল স্কুলে নতুন নিয়োগ, ইন্টারভিউর মাধ্যমে আবেদন করুন

WB Guest Teacher Job 2025: এবার রাজ্যে Guest Teacher পদে শুধুমাত্র ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে নিয়োগ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিস অফ দ্য সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট অ্যান্ড সাব-ডিভিশনাল অফিসার এর পক্ষ থেকে এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। রাজ্যে সরকারি মডেল স্কুলে বিভিন্ন বিষয়ে Guest Teacher পদে নিয়োগ করা হচ্ছে। যাদের আগ্রহ রয়েছে, তাদের লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে না! বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, শুধুমাত্র ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে এই পদে নিয়োগ করা হবে। তাই যেকোনো যোগ্য প্রার্থী ইন্টারভিউর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

নিয়োগ করা হচ্ছে, গভর্নমেন্ট মডেল স্কুল, হরিরামপুর (ইংলিশ মিডিয়াম) ও গভর্নমেন্ট মডেল স্কুল, কুশমণ্ডি (ইংলিশ মিডিয়াম) বিদ্যালয়ে। যেখানে গভর্নমেন্ট মডেল স্কুল, হরিরামপুর (ইংলিশ মিডিয়াম) এ ইতিহাস ও ভূগোল বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। আর অপরদিকে গভর্নমেন্ট মডেল স্কুল, কুশমণ্ডি (ইংলিশ মিডিয়াম) এখানেও ভূগোল বিষয়ে Guest Teacher নিয়োগ করা হচ্ছে।

উপরের উল্লেখিত পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের সর্বোচ্চ 62 বছর বয়স হতে হবে। বয়স গণনা করা হবে 01/01/2025 তারিখ অনুযায়ী। আবেদন করার আগে, দয়া করে অফিসিয়াল নোটিফিকেশনটি ভালোভাবে দেখে নিশ্চিত হয়ে আবেদন করুন।

অগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের অফলাইনে আবেদন করতে হবে। এর জন্য, আবেদন ফর্ম ও সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সহ The Sub-divisional Officer, Gangarampur Sub-division, P.O. Buniadpur, P.S.- Banshihari, Dist- Dakshin Dinajpur এই ঠিকানার নির্দিষ্ট ড্রপ বক্সে 19/03/2025 তারিখের মধ্যে জমা করতে হবে।

আবেদন করার জন্য যোগ্যতা থাকতে হবে, যে সমস্ত প্রার্থী সরকারী বিদ্যালয়, সরকার অনুমোদিত বিদ্যালয়, সরকার পৃষ্ঠপোষক বিদ্যালয় এবং বেসরকারি স্বনির্ভর ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তারা আবেদনের যোগ্য।

West Bengal Guest Teacher Recruitment Notification 2025:- Download

লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পেতে নতুন নিয়ম! না মানলেই বন্ধ হয়ে যাবে সুবিধা

লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পেতে নতুন নিয়ম। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকারি প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmir Bhandar Scheme) নিয়ে বড় আপডেট এসেছে। মার্চ মাস থেকে বন্ধ হয়ে যাবে অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা। সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১লা মার্চ ২০২৫ থেকে কিছু পরিবর্তন কার্যকর হতে চলেছে। যারা এই প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করছেন, তাদের অবশ্যই নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে। না হলে অ্যাকাউন্টে আর টাকা আসবে না। তাই এই পরিবর্তিত নিয়মগুলি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পেতে নতুন নিয়ম

আগের মতোই ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের আওতায় আসবেন। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী যারা ৬০ বছর পূর্ণ করেছেন, তারা আর এই সুবিধা পাবেন না। এজন্য নতুন করে আবেদন করার সময় বয়স যাচাই করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অর্থাৎ যদি কারও বয়স ৬০ পার হয়ে যায়, তাহলে তিনি আর এই প্রকল্পের অর্থ সাহায্য পাবেন না। তাই যারা নতুন আবেদন করতে চান বা যাদের বয়স এই সীমার কাছাকাছি, তাদের অবশ্যই এই নিয়মটি মাথায় রাখা দরকার।

প্রকল্পের টাকা পাওয়ার জন্য এখন থেকে একক (Single) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক। যদি কোনো আবেদনকারীর আগে থেকেই যৌথ (Joint) অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে তাকে নতুন করে একটি একক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং সেই তথ্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আপডেট করাতে হবে।

প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদনকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবশ্যই আধার নম্বরের সঙ্গে সংযুক্ত (Aadhaar Linked) থাকতে হবে। অর্থাৎ, যদি KYC আপডেট না থাকে, তাহলে টাকা পাওয়া যাবে না। তাই যাদের এখনও KYC সম্পন্ন হয়নি, তারা দ্রুত নিকটবর্তী ব্যাংকে গিয়ে এটি আপডেট করে নিন।

লক্ষ্মীর ভান্ডার স্ট্যাটাস চেক অনলাইন

প্রকল্পের আবেদন স্ট্যাটাস চেক করতে আপনাকে সহজ কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হবে:

1️⃣ প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান।
2️⃣ তারপর ‘ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস’ অপশনে ক্লিক করুন।
3️⃣ এরপর ‘অ্যাপ্লিকেশন আইডি’, ‘মোবাইল নম্বর’, ‘আধার কার্ড নম্বর’ অথবা ‘স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নম্বর’—এই বিকল্পগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিয়ে টাইপ করুন।
4️⃣ নির্দিষ্ট ক্যাপচা কোড লিখে সার্চ করলেই আপনার ৯ সংখ্যার অ্যাপ্লিকেশন আইডি ও আবেদনপত্রের বর্তমান স্ট্যাটাস স্ক্রিনে দেখা যাবে।

পেনশন থেকে বঞ্চিত রাজ্যের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা! কী বলছে হাইকোর্টের রায়?

বাম আমলে নিযুক্ত পৌরসভা কর্মীদের ওপর ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট (Calcutta High Court)! পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পৌরসভায় সিপিআইএমের শাসনকালে চুক্তির ভিত্তিতে চাকরি পাওয়া কর্মীদের অবসরকালীন পেনশন ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাতে দাড়ি টানল উচ্চ আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দের সিঙ্গেল বেঞ্চে রায় প্রদান করেছেন যে, রাজ্যের যেসব চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা বর্তমানে পৌরসভায় কর্মরত তাদের পেনশনসহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা দেয়া হবে না।

মূলত বাম জামানায় রাজ্যের বিভিন্ন পৌরসভা গুলিতে চুক্তির ভিত্তিতে চাকরি পাওয়া কর্মীদের নিয়ে এক প্রকার বেসুরো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, উচ্চ আদালতের বিচারপতি কৌশিক চন্দের বিশেষ পর্যবেক্ষণ, রাজ্য সরকারের অনুমোদন ছাড়া শুধুমাত্র পুর বোর্ডের অনুমতিতে বাম আমলে যাদের নিয়োগ হয়েছে তাদের কেউই সরকারের তরফে কোনও রকম আর্থিক সাহায্য পাওয়ার যোগ্যই নন।

বিচারপতির বক্তব্য, 36 বছরের বাম জমানায় যারা চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের কেউই সরকারের তরফে পাওয়া অর্থ সাহায্যের যোগ্য নয়। সূত্রের খবর, সিপিআইএম আমলে রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও সরকারী অনুমতি না নিয়ে শুধুমাত্র পুর বোর্ডের অনুমতি নিয়ে একাধিক চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। তখন পৌরসভার ফান্ড থেকেই তাদের বেতন দেওয়া হতো। তবে, পুর আইন অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, যা শুরুর দিকে মানা হয়নি।

কেন আচমকা এমন সিদ্ধান্ত জানালো আদালত?

বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, রায়গঞ্জ পৌরসভার একটি প্রাথমিক স্কুলে চুক্তির ভিত্তিতে কাজ করতেন এক ব্যক্তি। তাঁর মৃত্যুর পর, ওই ব্যক্তির স্ত্রী অবসরকালীন পেনশন ও ভাতা বাবদ অন্যান্য আর্থিক সাহায্যের দাবিতে আদালতে মামলা করেন। কিন্তু, সেই মামলা খারিজ করে রাজ্যের সকল চুক্তিভিত্তিক পৌরসভা কর্মীদের জন্য একটি বড়সড় নির্দেশনা দেন আদালত। আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পৌরসভায় চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগের আগে রাজ্যের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তাই, পুর আইন অনুযায়ী রাজ্যের অনুমতি ছাড়া নিয়োগ হওয়ায় ওই ব্যক্তি আর্থিক সাহায্য পাবেন না।

মৃত পৌরসভাকর্মীর স্ত্রীর মামলার ভিত্তিতে পৌরসভার আইনজীবী শীর্ষেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ও অর্ক নাগ জানিয়েছেন, ২০১১ সালের পর যারা চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে পৌরসভায় কাজ শুরু করেছেন, তাদের সকলকেই রক্ষাকবচ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে যারা চুক্তিতে চাকরি পেয়েছেন, তারা রাজ্য সরকারের অনুমোদনপ্রাপ্ত কর্মী হিসেবে বিবেচিত। এর ফলে, শাসকদলের আমলে চাকরিতে নিযুক্ত চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য সরকারের তরফ থেকে আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধার পথ আপাতত বন্ধ হচ্ছে না।

ফিক্সড ডিপোজিটে নতুন নিয়ম, এবার আরও বেশি লাভ নিশ্চিত!

সঞ্চয় করা আমাদের সবারই প্রয়োজন। আর সাধারণ মানুষের জন্য সঞ্চয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়গুলোর মধ্যে একটি হল ফিক্সড ডিপোজিট (Fixed Deposit)। কম ঝুঁকিতে নিশ্চিত সুদের সুবিধা থাকায় এটি ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমানোর একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত FD-এর সুদ থেকে পাওয়া আয়ের উপর কর দিতে হতো, যা অনেকের জন্যই বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়াত। এবার সেই বোঝা কিছুটা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ঘোষণা করেছে যে, ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রে কোন রকম আয়কর দিতে হবে না। অর্থাৎ, যদি কারোর একাধিক ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট থাকে এবং মোট মূলধন ৫০ লক্ষ টাকার মধ্যে হয় তাহলে সেখান থেকে অর্জিত সুদের উপর কোন রকম কর প্রদান করতে হবে না।

ফিক্সড ডিপোজিটে নতুন নিয়ম

আপনার যদি ফিক্সড ডিপোজিট (FD) থাকে এবং তার পরিমাণ ৫০ লক্ষ টাকার মধ্যে হয়, তাহলে সুসংবাদ! আপনার সুদের উপর সরকার কোনও ট্যাক্স কাটবে না। তবে এখানে একটা ছোট শর্ত আছে—আপনার বার্ষিক সুদের আয় ৪ লক্ষ টাকার কম হলে, আপনাকে কোনও আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে না।

শুধু তাই নয়, TDS-এর ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্র সরকার। TDS-এর নিয়ম ঘাটলে আমরা দেখতে পাবো, বয়স ৬০ বছরের বেশি হলে যদি ১ লক্ষ টাকার বেশি সুদ আয় হয় তবে TDS কাটবে এবং বয়স ৬০ বছরের কম হলে যদি ৫০ হাজার টাকার বেশি সুদ আয় হয় সেক্ষেত্রে TDS কাটবে।

তবে এক্ষেত্রে মনে রাখা জরুরি, যদি আপনার বয়স ৬০ বছরের কম হয়, তাহলে ব্যাঙ্কে Form 15G জমা দিতে হবে। আর যদি ৬০ বছরের বেশি হয়, তাহলে Form 15H জমা দিতে হবে। এই ফর্মগুলি অর্থবছরের শুরুতেই ব্যাঙ্কে জমা দিলে, সুদের উপর কোনো TDS (Tax Deducted at Source) কাটা হবে না। তাই সময়মতো ফর্ম জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করুন, যাতে আপনার সুদের পুরো টাকাটাই হাতে পান!

রমজান উপলক্ষে বাড়তি রেশন: মার্চ মাসে কোন কার্ডে কী পাবেন?

রমজান উপলক্ষে বাড়তি রেশন: রেশন কার্ড গ্রাহকদের জন্য দারুণ খবর! মার্চ মাসের রেশনে মিলবে বস্তা ভর্তি খাদ্যসামগ্রী। প্রতিমাসের শুরুতেই রাজ্য সরকার রেশন সামগ্রীর তালিকা প্রকাশ করে, আর এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। করোনা পরবর্তী সময় থেকে রাজ্য সরকার বিনামূল্যে রেশন দিয়ে আসছে, আর এই মাসে বিশেষ কারণেও রেশন সামগ্রীতে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেহেতু মার্চ মাসে শুরু হচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র রমজান মাস, তাই অতিরিক্ত খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে রেশন কার্ডধারীদের জন্য এটি একটি বড় সুখবর!

মার্চ মাসে কোন কার্ডে কী পাবেন?

রাজ্য সরকার বিভিন্ন ক্যাটাগরির রেশন কার্ড অনুযায়ী খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে থাকে, যাতে সবাই প্রয়োজনীয় সুবিধা পেতে পারেন। বর্তমানে পাঁচটি প্রধান ক্যাটাগরির রেশন কার্ড রয়েছে—অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা (AAY), বিশেষ অগ্রাধিকার পরিবার (SPH), অগ্রাধিকার পরিবার (PHH), RKSY-1 এবং RKSY-2। এছাড়াও, জঙ্গলমহল ও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য বিশেষ রেশন ব্যবস্থা রয়েছে।

অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা (AAY) কার্ডধারীরা কী পাবেন?

এই কার্ড সাধারণত সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলিকে দেওয়া হয়। মার্চ মাসে এসব পরিবারের জন্য ২১ কেজি চাল, ১৩,৩০০ গ্রাম (অথবা ১৪ কেজি) গম (বর্তমানে গমের বদলে আটা) এবং ১ কেজি চিনি প্রদান করা হবে।

RKSY-1 কার্ডধারীরা কী পাবেন?

এই কার্ডের অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেক সদস্য ৫ কেজি করে চাল পাবেন।

জঙ্গলমহল ও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য রেশন সুবিধা

এই বিশেষ অঞ্চলের জনগণের জন্য অতিরিক্ত খাদ্যসামগ্রী বরাদ্দ করা হয়েছে। কারণ, এখানে বেশিরভাগ মানুষ আরথিকভাবে পিছিয়ে পড়া এবং অনেকেই চা-বাগানের শ্রমিক। তাই রাজ্য সরকার এই অঞ্চলের জন্য অলাদা বরাদ্দ রেখেছে, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারে।

Today Tollywood News Bangla: সিরিয়ালে অভিনয় করলেন জিত? প্রকাশ্যে এল ভিডিও ক্লিপ!

Today Tollywood News Bangla: টলিউড হার্টথ্রব জিত, রুপ ও ক্যারিশ্মায় তিনি যে কোনো তাবড় তাবড় বলিউড নায়ককেও অনায়াসে পিছনে ফেলতে পারেন। টলিউডের এই “বস”, রোম্যান্স হোক বা একশন, সবেতেই বাজিমাত করেন। একের পর এক ব্লকবাস্টার উপহার দিয়েছেন তিনি এবং বঙ্গললনাদের ফরেভার ক্রাশ হয়ে আছেন। তাঁর চোখ ধাঁধানো স্টারডমে এক লহমায় তার অগুণতি ফ্যান ও দর্শকদের ভালোবাসা প্রকাশ পায়। তবে জানেন কি? একসময় অনেক স্ট্রাগলের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল আজকের সুপারস্টার জিতকে। তিনি টেলিভিশনেও অভিনয় করেছিলেন, কিন্তু আজ সব বাধা পেরিয়ে “জিত” হয়ে উঠেছেন।

সিনেমা জগতে জিতের প্রথম প্রবেশ ২০০২ সালে হরনাথ চক্রবর্তীর “সাথী” ছবির মাধ্যমে। এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী। প্রথম ছবিতেই দর্শক ও টলিউড বুঝতে পেরেছিল যে, ভবিষ্যতে এক নতুন সুপারস্টার আসছে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে। আর সময় যত এগিয়েছে, ততই সেই অনুমান সত্যি হতে শুরু করেছে। তবে, তাঁর এই সফলতার পথটা এত সহজ ছিল না। অনেকেই অবাক হবেন জানলে, কেরিয়ারের শুরুতে টেলিভিশন ধারাবাহিকেও অভিনয় করেছিলেন জিত!

জিত কেরিয়ার শুরু করেছিলেন মডেলিং দিয়ে, তখন তিনি ‘জিত’ হয়ে ওঠেননি ছিলেন শুধু জিতেন্দ্র মদনানি। ১৯৯৪ সালে ‘বিষবৃক্ষ’ নামে একটি সিরিয়ালে অভিনয় শুরু করেন তিনি। যেখানে পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন বিষ্ণু পাল চৌধুরী। সেই সময় ধারাবাহিকটি ছিল যথেষ্ট জনপ্রিয় এবং প্রথম কাজেই তাঁর অভিনয় দক্ষতা নজর কেড়ে নেয় পরিচালক ও দর্শকদের। এই সময় বেশ কিছু বিজ্ঞাপনও করেছেন জিত। যার মধ্যে একটি ছিল গেঞ্জির বিজ্ঞাপন। কিন্তু এতদিন পর এই প্রসঙ্গ কেন এসেছে? কারণ সম্প্রতি নায়ক জিতের একটি ফ্যান পেজ থেকে শেয়ার করা হয়েছে ‘বিষবৃক্ষ’ ধারাবাহিকের একটি ভিডিও ক্লিপ, যা দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন তাঁর অনুরাগীরা। প্রথমে এই ধারাবাহিকটি হিন্দিতে প্রচারিত হলেও পরে এটি বাংলাতেও সম্প্রচারিত হয়। সবশেষে জিতের চোখ ধাঁধানো স্টারডম এবং অগণিত অনুরাগীর তাঁর প্রতি ভালোবাসা বলে দেয়, সব বাধা অতিক্রম করে তিনি হয়ে উঠেছেন ‘জিত’।

March 2025 Movie Release: মুক্তি পাচ্ছে সলমনের সিকন্দর সহ এই ৩ ছবি

March 2025 Movie Release: বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক লক্ষ্মণ উতেকরের ছবি ‘ছাবা’ (Chhaava) বর্তমানে বক্স অফিসে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছে। দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও ছবিটি ভালো আয় করছে। ভিকি কৌশল এই ছবিতে মারাঠা যোদ্ধা ছত্রপতি সম্ভাজী মহারাজের চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং বড় পর্দায় তিনি এই চরিত্রটি অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তারই কারণে ছবিটির কালেকশনের গ্রাফ ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী। তবে এখন মার্চ শুরু হয়ে গেছে, আর কয়েকটি প্রতীক্ষিত ছবি এবার মুক্তি পাবে—যা ছাবা’র সাফল্যকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।

বলিউড সিনেমাপ্রেমীরা নতুন ছবি মুক্তির জন্য সব সময় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। আর যদি ছবিটি হয় ভাইজানের, তাহলে তো হিন্দি সিনেমা প্রেমীদের উত্তেজনা সত্যিই দেখার মতো! এই মুহূর্তে বক্স অফিসে ‘ছাবা’ (Chhaava Movie) দারুণ সাড়া ফেলেছে। তবে মার্চ মাসে মুক্তি পাওয়া কিছু দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ছবি ভিকি কৌশলের ছবির বক্স অফিস রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলুন, দেখে নেওয়া যাক সেই ছবি গুলোর তালিকা, যা বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস তৈরি করতে পারে!

অল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২’ বড় পর্দায় ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলেছিল এবং তারই ধারে ‘ছাবা’ ১৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়ে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দেয়। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, এই ছবির জনপ্রিয়তা আর কতদিন বজায় থাকবে? কারণ, মার্চ মাসে মুক্তি পেতে চলেছে একের পর এক বড় ছবি, আর এই মাসটি সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সত্যিই বিশেষ হতে চলেছে। অনেকেই মনে করছেন, দু’টি বড় স্টারের ছবি ‘ছাবা’’র আয় ছাপিয়ে যেতে পারে। চলুন, জেনে নিন সেই ছবি গুলোর সম্পর্কে।

মার্চে মুক্তি পাচ্ছে ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’

মার্চে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জন আব্রাহাম তাঁর প্রতীক্ষিত ছবি ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ (The Diplomat) নিয়ে আসছেন। বর্তমানে তিনি ছবির প্রচারে ব্যস্ত। প্রথমে ছবিটি ৭ মার্চ মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও, পরে তা পরিবর্তন করে ১৪ মার্চ মুক্তির দিন ঠিক করা হয়েছে।

ছবির গল্প যদি বলি, এটি ভারতের খ্যাতনামা কূটনীতিক জে.পি. সিং-এর জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যিনি পাকিস্তান থেকে এক ভারতীয় মেয়েকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিলেন। সেই মেয়েটিকে জোর করে পাকিস্তানে বিয়ে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, আর সেখানে থেকে মুক্তি পেতে মেয়েটি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। ছবিতে জন আব্রাহামের সঙ্গে সাদিয়া খতিবও মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন। এখন দেখার বিষয় হবে, বক্স অফিসে ছবিটি কেমন পারফর্ম করে!

সলমন খানের ছবি মুক্তি পেতে চলেছে

বলিউডের ‘দবাং’ অভিনেতা সালমান খানের ছবির জন্য ভক্তরা সবসময় মুখিয়ে থাকেন। বর্তমানে তাঁর আসন্ন ছবি ‘সিকন্দর’ (Sikandar) নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। ছবিতে সালমানের সঙ্গে রাশ্মিকা মন্দানা মুখ্য ভূমিকায় থাকবেন, আর এ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। টিজার রিলিজ হওয়ার পর থেকে উত্তেজনার পারদ দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। মেকাররা ছবির মুক্তির তারিখ নিয়ে কিছুটা রহস্য রেখে দিয়েছেন, তবে এটুকু নিশ্চিত হয়েছে যে ছবিটি ঈদ ২০২৫-এ মুক্তি পাবে। ধারণা করা হচ্ছে, মার্চ মাসেই ঈদ পড়ায় তখনই রিলিজ হতে পারে। ছবির অগ্রিম বুকিংও শুরু হয়ে গেছে, যা দর্শকদের মধ্যে এক চমকপ্রদ ক্রেজ তৈরি করেছে। যদি ‘সিকন্দর’ এবং অন্য কোনো বড় ছবি ভালো আয় করে, তাহলে ‘ছাবা’’র কিছু রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে।

সুনীল শেট্টির ‘কেরি বীর’ মুক্তি পাবে

মার্চে মুক্তি পাওয়া ছবির তালিকায় ‘কেরি বীর: লিজেন্ড অফ সোমনাথ’-এর নামও রয়েছে। ছবিতে সুনীল শেট্টি, সুরজ পঞ্চোলি এবং বিবেক ওবেরয়ের মতো তারকাদের দেখা যাবে। এটি একটি বায়োপিক। ছবির কিছু দৃশ্য এতটাই চমকপ্রদ যে চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। ঐতিহাসিক এই ড্রামা ছবি ১৪ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। আশা করা হচ্ছে, এই ছবিটিও ‘ছাবা’-র মতো দর্শকদের ভালোবাসা পাবে।

সরকারি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, ভারতীয় পোস্ট পেমেন্ট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ!

যারা ব্যাংকিং সেক্টরে ভালো চাকরির সুযোগ খুঁজছেন, তাদের জন্য দারুণ খবর! ভারতীয় পোস্ট পেমেন্ট ব্যাংক (IPPB) সার্কেলভিত্তিক এক্সিকিউটিভ পদে বিপুল সংখ্যক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে পরিচালিত এই ব্যাংকে চাকরি মানেই শুধু মোটা বেতন নয়, সঙ্গে থাকবে একাধিক সুবিধাও। সবচেয়ে বড় কথা, ভারতীয় নাগরিক হলে পশ্চিমবঙ্গের যে কোনো জেলা থেকেই আবেদন করা যাবে।

কোন সার্কেলের জন্য কয়টি শূন্যপদ রয়েছে, শিক্ষাগত যোগ্যতা কী লাগবে, বয়স সীমা কত লাগবে, কত টাকা বেতন দেওয়া হবে, কীভাবে আবেদন করবেন, নিয়োগ কীভাবে করা হবে ইত্যাদি তথ্যগুলি বিস্তারিত জানতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

ভারতীয় পোস্ট পেমেন্ট ব্যাংকে চাকরি

ভারতীয় পোস্ট পেমেন্ট ব্যাংকের তরফ থেকে যে অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগের কথা উল্লেখ করেছে। শূন্যপদ সম্পর্কে যদি আলোচনা করি তাহলে এখানে মোট ৫১টি শূন্যপদ পাওয়া যাবে। 

শিক্ষাগত যোগ্যতা কী লাগবে?

অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই পদের জন্য স্নাতক পাশ প্রার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন। তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখা দরকার—শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বাসিন্দারাই এই সুযোগ পাবেন। অন্য কোনো রাজ্যের প্রার্থীরা এখানে আবেদন করতে পারবেন না।

আগেই বলা হয়েছে, এটি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে একটি চাকরি, তাই বেতনের দিক থেকেও দারুণ সুবিধা পাওয়া যাবে। অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভারতীয় পোস্ট পেমেন্ট ব্যাংকের এই এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি পেলে প্রতি মাসে ₹৩০,০০০ বেতন দেওয়া হবে! ফলে যারা স্থায়ী ও ভালো বেতনের চাকরি খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি দারুণ সুযোগ।

আবেদন কীভাবে করবেন?

অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এজন্য প্রথমে ভারতীয় পোস্ট পেমেন্ট ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখা দরকার—আবেদন ফি জমা না দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

🔹 SC/ST/PWD প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি: ₹১৫০
🔹 অন্যান্য সকল প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি: ₹৭৫০

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখানে আবেদন শুরু হয়েছে ১লা মার্চ, ২০২৫ তারিখ থেকে এবং আবেদন চলবে ২১শে মার্চ, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত। তাই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন সেরে নেওয়াই ভালো।

বিষয়লিংক
অফিশিয়াল ওয়েবসাইটClick Here
অফিশিয়াল নোটিশDownload Now

আজকের আবহাওয়া: দক্ষিণবঙ্গের দুই জেলায় ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস, সক্রিয় ঘূর্ণাবর্তের সতর্কতা!

আজকের আবহাওয়া: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলার বেশ কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হতে পারে! আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ রবিবার ছুটির দিনে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে বিভিন্ন জেলায়। এছাড়াও, কিছু জায়গায় ৩০-৪৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস। মূলত পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবেই এই পরিবর্তন ঘটছে, যার ফলে বাংলার বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাহলে আর দেরি না করে, চলুন জেনে নেওয়া যাক দুই বঙ্গের আজকের বিস্তারিত আবহাওয়া আপডেট!

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকছে। ধীরে ধীরে গরমের দাপট বাড়তে শুরু করেছে এখানে। ভোরের দিকে কিছু জেলায় কুয়াশার আভাস থাকলেও, বেলা বাড়তেই সেটা মিলিয়ে যাচ্ছে। আর সকাল ১০টা বাজতে না বাজতেই রোদের তেজে যেন কালঘাম ছুটছে!

এদিকে, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের কিছু অংশে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও, সেটাই সামান্য স্বস্তি এনে দিতে পারে। তবে গরমের প্রকোপ এখানেই থামছে না! হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, মার্চের মাঝামাঝি সময়েই কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে ফেলতে পারে। একইসঙ্গে, রাজ্যের অধিকাংশ জেলায়ও পারদ আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গে আবহাওয়া সম্পর্কে। আলিপুর জানিয়েছে, এদিনও উত্তরের জেলাগুলিতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং পার্বত্য অঞ্চল ছাড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর দিনাজপুর, মালদায় বৃষ্টি হবে।

আগামীকালের আবহাওয়া

সোমবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহারে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গের জন্য কোনও স্বস্তির খবর নেই, কারণ এখানে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারেই নেই। ফলে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজস্থানে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। সেই সঙ্গে রাজস্থান থেকে আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অক্ষরেখার কারণে অসম, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড় ও দিল্লিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই যারা এই রাজ্যগুলিতে থাকেন, তাদের জন্য ছাতা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিয়ে রাখাই ভালো!