নিম পাতার পকোড়া, ভাবতেই পারছেন না তাই তো! এই গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখতে প্রাকৃতিক উপায়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো নিম পাতা। নিমের তেতো স্বাদ অনেকের অপছন্দ হলেও, মচমচে পাকোড়া হিসেবে এটি খেতে বেশ দারুণ লাগে। বিশেষ করে গরম ভাতের সাথে প্রথম পাতে এটি অত্যন্ত উপকারী। নিচে দেওয়া পদ্ধতিতে বানালে, বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই খাবে। সহজ পদ্ধতিতে নিম পাতা পাকোড়া বানানোর রেসিপি নিচে দেওয়া হলো:
উপকরণ
পাকোড়া বানাতে আপনার রান্না ঘরের এই সাধারণ উপকরণগুলো লাগবে:
●কচি নিম পাতা: ১ কাপ (ডাঁটা ছাড়ানো)
●বেসন: ৪-৫ টেবিল চামচ
●চালের গুঁড়ো: ২ টেবিল চামচ (মচমচে ভাব আনার জন্য)
●কালো জিরে: সামান্য
●হলুদ গুঁড়ো: হাফ চা চামচ
●কাঁচালঙ্কা কুচি: ঝাল অনুযায়ী
●নুন: স্বাদমতো
●সাদা তেল: ভাজার জন্য
প্রণালী:
১. পাতা পরিষ্কার করা: প্রথমে নিম পাতাগুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। কচি পাতা ব্যবহার করলে তেতো ভাব কিছুটা কম হয় এবং স্বাদ ভালো লাগে।
২. ব্যাটার তৈরি: একটি পাত্রে বেসন, চালের গুঁড়ো, নুন, হলুদ, কালো জিরে এবং কাঁচালঙ্কা কুচি মিশিয়ে নিন। এবার অল্প অল্প জল দিয়ে একটি ঘন ব্যাটার বা গোলা তৈরি করুন। খেয়াল রাখবেন ব্যাটার যেন খুব পাতলা না হয়ে যায়।
৩. মাখানো: ধুয়ে রাখা নিম পাতাগুলো এই ব্যাটারের মধ্যে দিয়ে দিন। আলতো হাতে মেখে নিন যাতে প্রতিটি পাতায় ব্যাটার লেগে যায়।
FAQs: গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে বানান নিম পাতা পাকোড়া
প্রশ্ন ১: নিম পাতা পাকোড়া কী?
উত্তর: নিম পাতা পাকোড়া হলো নিম পাতার সঙ্গে বেসন ও মশলা মিশিয়ে তৈরি একটি ভাজা খাবার, যা সাধারণত গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে খাওয়া হয়।
প্রশ্ন ২: এটা খেলে কী উপকার হয়?
উত্তর: নিম পাতায় থাকা প্রাকৃতিক গুণ শরীরের তাপ কমাতে সাহায্য করে এবং হজম শক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে।
প্রশ্ন ৩: নিম পাতা পাকোড়া কীভাবে তৈরি করা হয়?
উত্তর: পরিষ্কার করা নিম পাতা বেসন, লবণ, মশলা ও জল মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করে তেলে ভেজে নেওয়া হয়।
প্রশ্ন ৪: এটা কি প্রতিদিন খাওয়া যায়?
উত্তর: না, এটি মাঝে মাঝে খাওয়া ভালো। বেশি খেলে তেতো স্বাদ ও পেটে অস্বস্তি হতে পারে।
প্রশ্ন ৫: কোন সময়ে খাওয়া ভালো?
উত্তর: গরমের দিনে বিকেলের নাস্তা হিসেবে বা মাঝে মাঝে খেলে ভালো লাগে।
প্রশ্ন ৬: শিশুদের কি দেওয়া যাবে?
উত্তর: অল্প পরিমাণে দেওয়া যেতে পারে, তবে তেতো স্বাদের কারণে সবাই পছন্দ নাও করতে পারে।
প্রশ্ন ৭: কী দিয়ে পরিবেশন করা যায়?
উত্তর: চাটনি, সস বা চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করলে খেতে আরও ভালো লাগে।
