Homeপশ্চিমবঙ্গভোটের মুখে কলকাতায় নোটের বান্ডিল! শোভাবাজারে বড়সড় উদ্ধার

ভোটের মুখে কলকাতায় নোটের বান্ডিল! শোভাবাজারে বড়সড় উদ্ধার

সামনেই West Bengal Assembly Election 2026, আর সেই কারণেই রাজ্যজুড়ে নজরদারি এখন অনেকটাই কড়া। বিশেষ করে Kolkata-সহ বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং জোরদার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই মঙ্গলবার সকালে Sovabazar এলাকায় চেকিং চলাকালীন এক গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছে Kolkata Police। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৬ লক্ষ […]

- Advertisement -

সামনেই West Bengal Assembly Election 2026, আর সেই কারণেই রাজ্যজুড়ে নজরদারি এখন অনেকটাই কড়া। বিশেষ করে Kolkata-সহ বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং জোরদার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই মঙ্গলবার সকালে Sovabazar এলাকায় চেকিং চলাকালীন এক গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছে Kolkata Police।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৬ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় গাড়িসহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে এবং বিষয়টি ইতিমধ্যেই আয়কর দফতরকে জানানো হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ লেনদেন ও অর্থ পরিবহনের ওপর কড়া নজর রাখতেই এই ধরনের তল্লাশি অভিযান আরও বাড়ানো হয়েছে।

নাকা চেকিং-এ কলকাতায় একের পর এক সাফল্য

প্রসঙ্গত, Election Commission of India ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে নজরদারি অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। গত কয়েকদিনে একাধিক জায়গায় নাকা চেকিংয়ে বড় অঙ্কের নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। দু’দিন আগেই Tollygunge-এর নেতাজিনগর এলাকায় প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়, যার কোনও বৈধ উৎস দেখাতে না পারায় তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুধু Kolkata নয়, উত্তরবঙ্গেও একইভাবে তল্লাশি চলছে—Cooch Behar-এ অসম থেকে আসা একটি বাস ও একটি গাড়ি থেকে মোট প্রায় ৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপটেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -

এদিকে প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee। তিনি অভিযোগ করেছেন, আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকদের বদলির মাধ্যমে বাইরে থেকে টাকা ঢোকানোর পথ তৈরি করা হচ্ছে এবং বর্ডার এলাকায় বেশি সংখ্যক অবজার্ভার পাঠানো হচ্ছে। এমনকি তিনি দাবি করেছেন, রাজ্যে অলিখিতভাবে রাষ্ট্রপতি শাসনের মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। তবে এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের মতে, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই কমিশন এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।

--Advertisement--

উল্লেখ্য, রাজ্যে শান্তি বজায় রাখার জন্য ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চলছে নাকা তল্লাশি। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোট মিটে যাওয়ার পরেও রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, যাতে পরবর্তীতে কোনও রকম হিংসা না হয়। এমনকি পুলিশ সূত্রে খবর, ভোটের আগে কালো টাকার ব্যবহার রুখতে এই ধরনের তল্লাশি আরও জোরদার করা হবে।

- Advertisement -
- Advertisement -

Breaking News

- Advertisement -

Related Stories

- Advertisement -