Homeপশ্চিমবঙ্গরাজ্য সরকারকে সাঁড়াশি আক্রমণ! বকেয়া DA আদায়ে রাস্তায় নামছে সরকারি কর্মীরা

রাজ্য সরকারকে সাঁড়াশি আক্রমণ! বকেয়া DA আদায়ে রাস্তায় নামছে সরকারি কর্মীরা

JKNews24 Disk: বকেয়া ডিএ মামলাকে ঘিরে রাজ্যে চাপানউতোর আরও তীব্র হচ্ছে। Bengal DA Case ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলতে একের পর এক কর্মসূচি নিচ্ছেন সরকারি কর্মীরা। বৃহস্পতিবার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ডাকে শুরু হয়েছে “কালীঘাট চলো” আন্দোলন। বকেয়া Dearness allowance মেটানো এবং কয়েক লক্ষ শূন্যপদ দ্রুত পূরণের দাবিতে পথে নেমেছেন হাজার হাজার কর্মী। আজকের মিছিলে চোখে পড়েছে […]

- Advertisement -

JKNews24 Disk: বকেয়া ডিএ মামলাকে ঘিরে রাজ্যে চাপানউতোর আরও তীব্র হচ্ছে। Bengal DA Case ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলতে একের পর এক কর্মসূচি নিচ্ছেন সরকারি কর্মীরা। বৃহস্পতিবার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ডাকে শুরু হয়েছে “কালীঘাট চলো” আন্দোলন। বকেয়া Dearness allowance মেটানো এবং কয়েক লক্ষ শূন্যপদ দ্রুত পূরণের দাবিতে পথে নেমেছেন হাজার হাজার কর্মী। আজকের মিছিলে চোখে পড়েছে কাতারে কাতারে মানুষের উপস্থিতি। তবে আন্দোলন এখানেই থামছে না—আগামী ২ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আরও বড় মিছিলের ডাক দিয়েছেন সরকারি কর্মীরা।

DA মামলায় ফের ২ মার্চ মিছিলের ডাক

আগামী ২ মার্চের মিছিল নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন Confederation of State Government Employees-এর সাধারণ সম্পাদক Malay Mukherjee। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তিনি নিজেই ডিএ মামলার অন্যতম মামলাকারী। তাঁর সাফ বার্তা, সর্বোচ্চ আদালতের রায় মানতেই হবে এবং বকেয়া ডিএ সরকারকে দিতেই হবে। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, জয়েন্ট মুভমেন্ট ফোরামের ডাকে ২ মার্চ, সোমবার মিছিল হবে—যেখানে সপ্তম রাজ্য বেতন কমিশন গঠন, বিপুল শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং অস্থায়ী কর্মচারী ও শিক্ষকদের স্থায়ী করার দাবিতে রাজপথে নামবেন কর্মীরা। সব মিলিয়ে ডিএ ইস্যুতে আন্দোলনের তাপ যে আরও বাড়ছে, তা বলাই বাহুল্য।

কোথা থেকে শুরু হবে মিছিল?

জানা গিয়েছে, ২ মার্চের এই মিছিল শুরু হবে দুপুর ১টা থেকে—রুট ধরা হয়েছে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে রানী রাসমনি রোড পর্যন্ত। সংগঠনের তরফে সকল সরকারি কর্মীকে এই কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে ডিএ আন্দোলন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন, “এই জন্যই সরকার ডিএ দেয় না। রাজনীতি শেষ করে দিল কর্মচারীদের। সংগঠনের নেতারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য একত্র হন না, যার সুযোগ শাসক নেয়।” সব মিলিয়ে ডিএ ইস্যু ঘিরে যেমন কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে, তেমনই জনমতেও তৈরি হচ্ছে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক।

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপটেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -

অন্য একজন লিখেছেন, আন্দোলনটা আলাদা না করে সবাই একসাথে করুন। আরও একজন লিখেছেন, ‘আজ একসাথে করলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হতো?’ কেউ কেউ আবার ডিএ পাবেন না বলেই ধরেই নিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এরাজ্যের কর্মচারীরা এক অদৃশ্য কারণে এক হতে পারবে না, তাই যতই সর্বোচ্চ আদালতের রায় থাক না কেন ডিএ আমরা পাবো না। আমরা হাজারো ভাবে বিভক্ত।।’

--Advertisement--
- Advertisement -
- Advertisement -

Breaking News

- Advertisement -

Related Stories

- Advertisement -