ভোট West Bengal Assembly Election 2026-এ তৃণমূলকে দেওয়ার কথা বলায় এক মহিলাকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। শুধু ওই মহিলাই নন, তাঁর স্বামীকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি দম্পতির নাবালিকা কন্যাকেও চড় মারা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাণ্ডবেশ্বর এলাকা। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত্র শুক্রবার সকালে। বিজেপির প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারির সমর্থনে প্রচারে বেরন একদল বিজেপির কর্মীরা। সেই দলে ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ শাহ। পাণ্ডবেশ্বরের বাঙালপাড়া এলাকার বাসিন্দা শ্রাবণী চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মফুল চিহ্নে ভোট আবেদন করেন বিজেপির নেতারা। তবে মহিলা পষ্ট জানান, তিনি তৃণমূলকে ভোট দেবেন।
অভিযোগ, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ শাহ। এরপর শ্রাবণী চক্রবর্তী ও তাঁর নাবালিকা কন্যার গালে সজোরে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় প্রতিবাদ করতে গেলে মহিলার স্বামীকেও বেধড়ক মারধর করা হয় বলে দাবি পরিবারের। এই ঘটনার পরই পাণ্ডবেশ্বর -এর স্থানীয় থানায় প্রহ্লাদ শাহর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও মারধরের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শ্রাবণী চক্রবর্তী। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ এবং গতকাল রাতেই অভিযুক্ত বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ শাহকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -
এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল। নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী অভিযোগ করেছেন, “পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই বিজেপি এখন সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালাচ্ছে।” অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছে। ঘটনাকে ঘিরে আতঙ্কে রয়েছে চক্রবর্তী পরিবার।
