Home প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 129

Aadhaar Card New Rules 2025: আধার কার্ডের নতুন নিয়ম জানুন!

Aadhaar Card New Rules 2025: ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতির পথে আরও একটি বড় পদক্ষেপ নিল সরকার। আধার কার্ড ব্যবস্থায় এমন এক নতুন পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা পরিচয় যাচাইয়ের পদ্ধতিকে আরও সহজ ও নিরাপদ করে তুলবে। এবার থেকে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনের পাশাপাশি ফেস অথেনটিকেশন (Face Authentication)-এর মাধ্যমেও পরিষেবা পাওয়া যাবে।

এখন থেকে বিভিন্ন পরিষেবা গ্রহণের সময় আর আধার কার্ড বা অন্য কোনো পরিচয়পত্র দেখানোর ঝামেলা থাকবে না! শুধুমাত্র মুখ স্ক্যান করলেই পরিচয় নিশ্চিত হয়ে যাবে। বিশেষ করে, বয়স্ক ও নিরক্ষর ব্যক্তিদের জন্য এটি বড় সুবিধা কারণ অনেক সময় তারা ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা অন্য বায়োমেট্রিক যাচাইয়ে সমস্যায় পড়েন। নতুন এই নিয়মের ফলে পরিষেবা নিতে সময়ও বাঁচবে। পাশাপাশি ডিজিটাল ভেরিফিকেশন আরও দ্রুত ও নিরাপদ হবে।

ফেস অথেনটিকেশন কী?

ফেস অথেনটিকেশন হলো এমন একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, যা মুখের বায়োমেট্রিক ডাটা ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে। সহজভাবে বললে, ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ দেখালেই প্রযুক্তি শনাক্ত করতে পারবে যে আপনি প্রকৃতপক্ষে কে। আধার কার্ডের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি চালু হওয়ায় এখন পরিচয় যাচাইয়ের জন্য OTP, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আইরিশ স্ক্যানের উপর নির্ভর করতে হবে না। অর্থাৎ, ঝামেলা কমবে, আর পরিষেবা পাওয়া হবে আরও দ্রুত ও সহজ! এই প্রযুক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং উন্নত বায়োমেট্রিক সিস্টেম ব্যবহার করে কাজ করবে। ফলে এটি খুবই নির্ভুল এবং দ্রুততার সঙ্গে তথ্য যাচাই করতে পারবে। বিশেষ করে যাঁদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলতে সমস্যা হয় বা OTP পেতে অসুবিধা হয়, তাঁদের জন্য এটি দারুণ সুবিধাজনক হবে!

PM Kisan: পিএম কিষান ১৯ তম কিস্তির টাকা কবে আসবে? কৃষক বন্ধুদের জন্য বড় সুখবর!

কোটি কোটি কৃষক বন্ধুদের জন্য পিএম কিষান যোজনার (PM Kisan Yojana) ১৯ তম কিস্তির টাকা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করা হয়। এবং সেই বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে কৃষকরা এর সুবিধা পাওয়া শুরু করেন। বর্তমানে প্রায় ১২ কোটির কাছাকাছি চাষি এই প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা পাচ্ছেন।

PM Kisan 19th Installment Payment

বিগত ৪ মাস আগে সরকারের তরফে পিএম কিষান ১৮ তম কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল, আর ফের একবারের জন্য কেন্দ্র সরকারের তরফে কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan) এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া নিয়ে বড় আপডেট দিয়েছেন। তার কথা অনুসারে চলতি মাসেই এই টাকা দেওয়া শুরু হতে পারে। ১৮ তম কিস্তির টাকা বিগত অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী মহারাষ্ট্রের ওয়াশিম জেলায় সেই রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে জারি করেছিলেন।

পিএম কিষান সম্মান নিধি যোজনা লিস্ট

সেই রীতি অনুসরণ করে আগামী ২৪ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ বিহারের ভাগলপুরে একটি জনসভায় পিএম কিষান যোজনার ১৯ তম কিস্তির টাকা ঘোষণা হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন। কিছুদিন আগে দিল্লিতে বিধানসভা ভোটে বিপুল জয়লাভ করেছে বিজেপি। আর এই বছরের মাঝেই বিহার বিধানসভা ভোট রয়েছে। তাই অনেকের ধারণা ভোটের আগে বিহার থেকেই ১৯ তম কিস্তির টাকা দেওয়া হতে পারে।

কৃষক বন্ধু টাকা কবে ঢুকবে?

পিএম কিষান যোজনায় প্রতি বছরে ৬০০০ টাকা দেওয়া হয়, যা তিনটি কিস্তিতে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হয় সরকারের তরফে। এবার ফের একবারের জন্য এই তারিখে এই টাকা দেওয়া হয় কিনা, সেটা দেখার অপেক্ষা। এই টাকা পেয়ে চাষিদের কিছুটা হলেও সাহায্য হয়, কিন্তু তাদের আরও বেশি সুবিধা দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকারের তরফে এবারের বাজেটে কিছু বড় ঘোষণা করা হয়েছে। এখন সবাই আশা করছে, এই নতুন সুবিধাগুলির মাধ্যমে চাষিরা আরও ভালোভাবে তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

কিন্তু আগের থেকে জেনে রাখে ভালো যে সকলকে এই সুবিধা দেওয়া হয়না, বিশেষ করে যেই সকল চাষিরা অন্যের জমিতে চাষ করে তারা এই সুবিধা পায় না। এছাড়াও যেই চাষিদের নিজের নামে জমি আছে তারাই এই টাকা পাবেন এবং ২ হেক্টর জমি থাকলে তবেই এই আবেদন করা সম্ভব। আর নতুন করে আবেদন করার জন্য পিএম কিষানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তাড়াতাড়ি আবেদন করে নেওয়া উচিত সকলের।

রমজান মাসে রাজ্য সরকারের বিশেষ চমক: রেশনে দেওয়া হবে অতিরিক্ত সামগ্রী

দেশবাসীর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার একের পর এক অভিনব প্রকল্প চালু করছে। যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বিনামূল্যে রেশন সামগ্রী প্রকল্প। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে নিম্নদরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর প্রতিদিনের খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৬ কোটি মানুষ এই রেশন ব্যবস্থার সুবিধা পাচ্ছে। এখন এই প্রেক্ষাপটে রাজ্য সরকারও নিয়ে এসেছে এক বড় চমক! ফের নতুন এক সুখবর শোনাল রাজ্য সরকার। যেখানে আরও বেশি রেশন সামগ্রী পাওয়া যাবে। এই উদ্যোগটি আরও অনেক মানুষকে সহায়তা করবে। বিশেষত যারা আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে হাজার হাজার পরিবারের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে।

রমজান মাসে রাজ্য সরকারের বড় চমক

সামনেই শুরু হতে চলেছে রমজান মাস, আর প্রতি বছরের মতো এবারও রমজান মাসে অতিরিক্ত রেশন সামগ্রী দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতি বছর এই সময়ে প্রায় ১০ কোটি মানুষ রেশনের মাধ্যমে খাদ্য দ্রব্য পেয়ে থাকেন। এবারের অতিরিক্ত খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ময়দা, চিনি ও ছোলা। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের সঙ্গে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের একটি বৈঠকও হয়ে গেছে। তবে, এখনও পর্যন্ত রমজান উপলক্ষে বিশেষ অতিরিক্ত রেশন সামগ্রীর প্যাকেজ সিস্টেমে যে খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হবে, তার দাম সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।

অতিরিক্ত খাদ্যসামগ্রীর ব্যবস্থা

রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে কিছুটা বেকায়দায় পড়েছেন রেশন ডিলারদের একাংশ। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন। যে বিক্রয় মূল্য আগে থেকে জানা যাচ্ছে না। তার ফলে খাদ্য সামগ্রীর বিশেষ প্যাকেজের চাহিদা কতটা হবে। তা আগে থেকে আন্দাজ করা বেশ কঠিন। তাই খাদ্যদপ্তরের প্রধান সচিব পারভেজ আমেদ সিদ্দিকিকে ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়ে এই বিষয়ে দাম সম্পর্কে জানার আবেদন করা হয়েছে। যাতে বিশেষ প্যাকেজের খাদ্য সামগ্রীর প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়।

এদিকে কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় খাদ্য সচিব সঞ্জীব চোপড়া কলকাতায় রাজ্য খাদ্য বিভাগ, ভারতীয় খাদ্য নিগম এবং কেন্দ্রীয় গুদাম কর্পোরেশন এর কর্মকর্তাদের সাথে একটি বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে রেশনিংয়ের জন্য খাদ্য সরবরাহ এবং ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কয়েকটি আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে রাজ্যের পাওনা অর্থের বিষয়টিও আলোচনা করা হয়।

West Bengal DEO Job 2025: রাজ্যে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকরি – বেতন, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি জানুন!

West Bengal DEO Job 2025: চাকরি খুঁজছেন? তাহলে আপনার জন্যে সুখবর! রাজ্যে নতুন চাকরির নোটিফিকেশন প্রকাশিত হয়েছে। এবার চুক্তিভিত্তিক ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে, Office of the District Magistrate-এর অফিস থেকে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের জন্য সুখবর! মিড ডে মিল (MDM) বিভাগের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে নিয়োগ করা হচ্ছে। আজকের প্রতিবেদনে আমরা জানাবো কীভাবে এই পদে আবেদন করবেন, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স সীমা, মাসিক বেতন, আবেদন শেষ তারিখ সহ সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকরি প্রার্থীদের জন্য মাসিক বেতন দেওয়া হবে ১৬,০০০ টাকা। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তবে, OBC প্রার্থীদের জন্য তিন বছরের বয়সের ছাড় এবং SC/ST প্রার্থীদের জন্য পাঁচ বছরের বয়সের ছাড় দেওয়া হবে। প্রার্থীদের বয়স হিসেব করা হবে ০১/০১/২০২৫ তারিখ অনুযায়ী।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক। এছাড়া, প্রার্থীদের কম্পিউটার সার্টিফিকেট থাকতে হবে এবং যদি কোনো রকম ডাটা এন্ট্রি কাজের অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে সেই অভিজ্ঞতা আবেদন করার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে।

আবেদন পদ্ধতিঃ

আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের জন্য আবেদন করার পদ্ধতি হলো অফলাইন। প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন এবং সেটি সঠিকভাবে পূর্ণ করুন। এরপর, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসসহ আবেদন ফর্মটি নির্দিষ্ট ঠিকানায় জমা দিন।

ডকুমেন্টসঃ– ডাটা এন্ট্রি অপেরটর পদে আবেদন করার জন্য যেসমস্ত নথি লাগবে, তা হলো-

  1.  বয়সের প্রমাণ পত্র।
  2.  শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমান পত্র।
  3.  ঠিকানার প্রমাণ পত্র হিসাবে – আধার কার্ড / ভোটার কার্ড / ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি নথি লাগবে।
  4.  ১ কোপি পাসপোর্ট সাইজের কালার ফটো।
  5.  কম্পিউটার সার্টিফিকেট।
  6.  অভিজ্ঞতা সার্টিফিকেট (যদি থাকে)।

আবেদন পত্র জমা করার ঠিকানাঃ Mid-Day-Meal (PM POSHAN) Section, Office of the District Magistrate, Cooch Behar।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে প্রার্থী বাছাই করা হবে কয়েকটি ধাপে। প্রথমে ৭০ নাম্বারের মধ্যে একটি লিখিত পরীক্ষা হবে। এরপর ২০ নাম্বারের মধ্যে কম্পিউটার টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে এবং শেষের ধাপে ১০ নাম্বারের ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। এই তিনটি ধাপের পরীক্ষার নাম্বারের ভিত্তিতে একটি ফাইনাল মেরিট লিস্ট প্রকাশিত হবে।

লিখিত পরীক্ষার সময় থাকবে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট। নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর প্রশ্ন থাকবে – ইংরেজি (১৫ নাম্বর), পুষ্টি, স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যবিধি এবং শিশু কল্যাণ (২৫ নাম্বর), গণিত (১৫ নাম্বর) এবং সাধারণ শিক্ষা (১৫ নম্বর)।

আবেদনের শেষ তারিখঃ ডাটা এন্ট্রি পদে আবেদন করতে পারবেন ২৫/০২/২০২৫ তারিখের মধ্যে।

লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখঃ– ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে লিখিত পরীক্ষা হতে পারে ০৯/০৩/২০২৫ তারিখে। তবে অবশ্যই প্রতিনিয়ত অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ফলো করুন পরীক্ষা ও এডমিট কার্ড সংক্রান্ত সমস্ত আপডেট জানার জন্য।

NotificationDownload
West Bengal Data Entry Operator Recruitment 2025Click Here

| Official Website Link | Click Here |

দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টি: কোন কোন জেলা ভিজবে? জানাল আবহাওয়া দফতর

নতুন সপ্তাহের শুরুতেই বাংলার আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে, এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে টানা চারদিন বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টির সাথে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। এছাড়া, পারদের পরিমাণ বাড়বে এবং শীত একেবারে বিদায় নিতে চলেছে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের মতে, আগামী ১৯শে ফেব্রুয়ারি, বুধবার থেকে ২২শে ফেব্রুয়ারি, শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়া অফিসের খবর অনুযায়ী, ১৯শে ফেব্রুয়ারি কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং বাঁকুড়ার কিছু অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। ২০শে ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

এছাড়া ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 21শে ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার উত্তর এবং দক্ষিণ 24 পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা। 22শে ফেব্রুয়ারি, শনিবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জানিয়ে রাখি, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টির কারণে হলুদ সতর্কবার্তা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এই সপ্তাহে উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হবে। তবে দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর কিছু অংশে হালকা বৃষ্টি এবং উঁচু অঞ্চলে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাগুলোতে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া পরিবর্তনের মূল কারণ কী?

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এই বৃষ্টির মূল কারণ পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজ্যে বৃষ্টি হতে পারে, তবে বৃষ্টির পরিমাণ হালকা থেকে মাঝারি থাকবে। ভারী বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। এছাড়া, দক্ষিণ-পূর্ব বাতাসের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকছে, যার ফলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে এবং দক্ষিণবঙ্গের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

অঙ্গনওয়াড়ি ও আশা কর্মীদের স্মার্টফোন দেবে রাজ্য সরকার! কবে থেকে পাবেন? জানুন বিস্তারিত

পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবার তাদের কাজে ডিজিটাল সুবিধা যুক্ত করতে স্মার্টফোন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ৭০ হাজারের বেশি আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী স্মার্টফোন পাবেন। রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বাজেট ভাষণে এই ঘোষণা করেছেন।

অঙ্গনওয়াড়ি ও আশা কর্মীদের স্মার্টফোন দেবে রাজ্য সরকার

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামীণ স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করা, যাতে তারা সহজেই সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে তারা তাদের দৈনন্দিন কাজগুলো আরও দ্রুত এবং কার্যকরভাবে করতে সক্ষম হবেন। পশ্চিমবঙ্গের আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা মূলত মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, টিকাকরণ, পুষ্টি পর্যবেক্ষণ, এবং ডেঙ্গু, যক্ষ্মা, মধুমেহ রোগের নজরদারি সহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেন। স্মার্টফোন পাওয়ার মাধ্যমে তাদের এই কাজগুলোর দক্ষতা আরও বাড়বে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিক্রিয়া

রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপে খুশি আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। হুগলির এক আশাকর্মী মিতা সাহা বলেন, “অনেক সময় মোবাইলের সমস্যার কারণে আমরা সরকারি অ্যাপে তথ্য আপলোড করতে পারি না। স্মার্টফোন পেলে আমাদের কাজের অনেক সুবিধা হবে।”
পাশাপাশি মালদার এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী পিয়ালী দাস জানান, “একটি ভালো স্মার্টফোন থাকলে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট সঠিক সময়ে আপলোড করা সম্ভব হবে। অনেক সময় পুরনো ফোন হ্যাং করে যায়, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠানো সম্ভব হয় না।

স্মার্টফোন কবে থেকে দেওয়া হবে?

বাজেট অধিবেশন চলছে এবং ১ এপ্রিল থেকে নতুন অর্থবর্ষ শুরু হবে। এই নতুন অর্থবর্ষের জন্যই বাজেটে বিশেষ কিছু ঘোষণা করা হয়েছে। তাই নতুন অর্থবর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকেই স্মার্টফোন দেওয়া শুরু হবে।

মাধ্যমিক অঙ্ক পরীক্ষার ভয় কাটানোর উপায়! ভালো নম্বর পেতে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের করণীয়

0

মাধ্যমিক অঙ্ক পরীক্ষার ভয় কাটানোর উপায়: অঙ্ক নিয়ে ভয় পাওয়া খুবই স্বাভাবিক, বিশেষ করে মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়। তবে দুশ্চিন্তা না করে সঠিক প্রস্তুতি নিলে এই ভয় কাটানো সম্ভব। নিয়মিত অনুশীলন, কঠিন অধ্যায়গুলো ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করে পড়া, মক টেস্ট দেওয়া, এবং সময় ধরে অঙ্ক করার অভ্যাস গড়ে তুললে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। পাশাপাশি, ইতিবাচক মনোভাব রাখা, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নেওয়া, এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা অত্যন্ত জরুরি। মনে রাখবেন, অঙ্ক যত বেশি অনুশীলন করবেন, ততটাই সহজ মনে হবে!

মাধ্যমিক অঙ্ক পরীক্ষার ভয় কাটানোর উপায়

অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের পাশে থাকা, না যে শুধু পড়াশোনার জন্য চাপ দেওয়া। “সব অঙ্ক পারতেই হবে” বা “ভালো নম্বর না পেলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার” — এ ধরনের কথা বললে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে। বরং পড়াশোনাকে আনন্দদায়ক করে তুলুন। ভুল করলে ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে দিন, এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখুন। পরীক্ষার আগে সন্তানকে মানসিকভাবে স্বস্তি দিন, যাতে তারা নির্ভয়ে প্রস্তুতি নিতে পারে।

Madhyamik Exam এর আগে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে অঙ্কের অনুশীলন করুন। টেস্ট পেপার থেকে প্রশ্ন বেছে নিয়ে সমাধান করুন এবং প্রয়োজনে শিক্ষকের মাধ্যমে তা মূল্যায়ন করিয়ে নিন। এতে ভুল ধরতে সুবিধা হবে এবং পরীক্ষার আগে আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

রাত জেগে বেশি পড়লে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে যায়, ফলে শেখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। বরং রাতে পর্যাপ্ত ঘুম নিয়ে সকালে উঠে ফ্রেশ মনে পড়তে বসাই ভালো। সঙ্গে যদি কিছুক্ষণ হালকা ব্যায়াম করা যায়, তাহলে মন আরও সতেজ থাকবে এবং পড়াশোনায় মনোযোগও বাড়বে।

পরীক্ষার আগের রাতে নতুন অঙ্ক বা কঠিন নিয়ম শিখতে গেলে অযথা মানসিক চাপ বাড়তে পারে। এতে আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং পরীক্ষার হলে গুলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই যা আগে থেকে জানা আছে, সেটাই ভালোভাবে রিভিশন করুন এবং আত্মবিশ্বাস ধরে রাখুন। শান্ত মনে পরীক্ষা দিন, ভালো ফল আসবেই!

সারাদিন টানা অঙ্ক কষা উচিত নয়। মাঝে মাঝে বিরতি নিন। পরীক্ষার আগের দিন হালকা ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি বা বন্ধুদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বললে মানসিক চাপ কমবে।

অভিভাবকদের করণীয়

সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে তাকে সবসময় ইতিবাচকভাবে উৎসাহ দিন। তার ছোট ছোট সাফল্যেরও প্রশংসা করুন, যাতে সে নিজের উপর ভরসা রাখতে পারে। অন্যদের সঙ্গে তুলনা না করে তার প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিন। মনে রাখবেন, ইতিবাচক কথা ও সমর্থনই পারে তাকে আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করতে!

শারীরিক সুস্থতা মানসিক স্বস্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাবার ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের মাধ্যমে সন্তানের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখুন।

দক্ষিণবঙ্গে আজ বৃষ্টি হতে পারে! জানুন আজকের আবহাওয়ার আপডেট

আজকের আবহাওয়ার আপডেট: বাংলার আবহাওয়া যেন একদম মুড সুইং করছে! কখনো গরম, কখনো ঠান্ডা—প্রকৃতি যেন তার নিজস্ব খেলা খেলছে। সকালে ঠান্ডা অনুভব হলেও বেলা বাড়তেই রোদের তেজে বেরোনো কঠিন হয়ে পড়ে। তবে এবার প্রকৃতি আরও বড় চমক দিতে আসছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে এক বিরাট দুর্যোগ। ঝড় এবং বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া আরও কঠিন হতে পারে। সেই সাথে আজ শনিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। আর কয়েকদিন শীতের আমেজ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

আজ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। এর ফলে ঠান্ডা অনুভূতি আরও বেশি হতে পারে। বিশেষ করে, কুয়াশা থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে। যারা পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ এলাকায় আছেন, তারা আজ শীতের আমেজ আরও বেশি অনুভব করবেন।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

উত্তরবঙ্গে বেশিরভাগ জায়গাতেই শীত বহাল থাকছে। দার্জিলিং , কালিম্পং, জলপাইগুড়িতে শীত যথেষ্ট লক্ষ্য করা যাবে। তীব্র শীত থাকবে কিছু কিছু জায়গায়।বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও জলপাইগুড়ি জেলায়।

আগামীকালের আবহাওয়া

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সকালের দিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঘন কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘন কুয়াশার কারণে কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারেরও নিচে নেমে যেতে পারে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে শেষ অবধি দক্ষিণা হওয়া বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমগ্র জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কবে বৃষ্টি হবে? হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ১৯ থেকে ২২শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে, তবে এই বৃষ্টিপাত খুবই ক্ষণস্থায়ী প্রকৃতির হবে এবং কোথাও কোথাও এটি বজ্রবিদ্যুৎ সহ হতে পারে

পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ! অগণিত শূন্যপদে চাকরির সুযোগ, জানুন বিস্তারিত

পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির গুঞ্জনে যখন গোটা বাংলা সরগরম, তখনই রাজ্যের নতুন নিয়োগের ঘোষণা! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার বিশেষ শিক্ষক বা স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগের জন্য খসড়া নির্দেশিকা প্রস্তুত করেছে। এই শিক্ষকরা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পড়ানোর দায়িত্বে থাকবেন।

এই প্রথম রাজ্য সরকার এই জাতীয় শিক্ষকদের জন্য শূন্যপদের ১০ শতাংশ সংরক্ষণ করবে। এর আগে রাজ্য চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করত। সূত্রের খবর, ২০২৪ সালের শেষ থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে শিক্ষা দফতর। রাজ্য মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই এই নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশন শিক্ষক নিয়োগে সংশোধনী আনছে।

নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বড় আপডেট! শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার মাঝে রাজ্য সরকার এবার নিয়মে কিছু বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। খসড়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট কমপক্ষে ১০ বছর সংরক্ষণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের জটিলতা বা অভিযোগ এলে তা যাচাই করা সম্ভব হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর, পরীক্ষার্থীদের হাতে ওএমআর শিটের একটি কপি তুলে দেওয়া হবে। এছাড়া, সাক্ষাৎকারের ক্ষেত্রে নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে—আগে যেখানে ১০০ জন শিক্ষকের বিপরীতে ১৪০ জন প্রার্থীকে ডাকা হতো, এবার সেই সংখ্যা কমিয়ে ১২০ জন করা হচ্ছে।

এবার চলুন দেখে নেওয়া যাক, বিশেষ শিক্ষক হতে হলে কী যোগ্যতা লাগবে। যারা এই পদের জন্য আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই ভারতের পুনর্বাসন কাউন্সিল (RCI) অনুমোদিত ইনস্টিটিউট থেকে বিশেষ বিএড বা ডি এল ইড (D.El.Ed) ডিগ্রি থাকতে হবে। আসলে, এর আগেও বিশেষ শিক্ষকদের নিয়োগ নিয়ে আইনি লড়াই হয়েছে। এক মামলার পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে রাজ্যের প্রতিটি চারটি স্কুলের জন্য অন্তত একজন বিশেষ শিক্ষক রাখা বাধ্যতামূলক। সেই নির্দেশনার ভিত্তিতেই সরকার এবার বড় উদ্যোগ নিচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে, রাজ্যে প্রায় ২০,০০০ বিশেষ এডুকেটর নিয়োগ করা হবে।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ফের বদলে যাবে টিম ইন্ডিয়া? আশঙ্কা জেনেই BCCI-র বড় বন্দোবস্ত

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৫ (ICC Champions Trophy 2025) আসরের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, চোট-আঘাতের সম্ভাবনা মাথায় রেখে, ১৫ জন খেলোয়াড়ের সাথে আরও ৩ জন ব্যাকআপ প্লেয়ারের নাম যুক্ত করেছে। এই সিদ্ধান্ত মিনি বিশ্ব কাপের সংশোধিত ভারতীয় স্কোয়াডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এহেন আবহে বিকল্প 3 খেলোয়াড়ের নাম স্কোয়াডে যুক্ত করায় প্রশ্ন উঠছে দুই ভারতীয় তারকার চোট নিয়ে। মনে করা হচ্ছে, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আসরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের চোট নিয়ে চিন্তায় রয়েছে বোর্ড। আর সেই কারণেই আগেভাগে বিপদ এড়াতে দলে 3 বিকল্পকে স্কোয়াডে ভিড়িয়েছে ম্যানেজমেন্ট।

আসন্ন আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য গত ১৮ জানুয়ারি প্রথম স্কোয়াড ঘোষণা করেছিল ভারত। তবে সেটি ছিল চূড়ান্ত স্কোয়াড নয়। পরবর্তীতে, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের নির্ধারিত সময় অনুসারে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৫ সদস্যের পরিবর্তে ব্যাকআপ প্লেয়ার সহ ১৮ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করে BCCI। এই পরিবর্তন নিয়ে বোর্ড এখন বেশ বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে, কারণ অতিরিক্ত খেলোয়াড় যোগ করা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান।

প্রশ্ন উঠছে, ভারতের দুই তাবড় তারকা বিরাট কোহলি ও মহম্মদ শামিকে নিয়ে। কারণ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে ম্যাচের আগে কোহলি সম্প্রতি একটি চোট কাটিয়ে উঠেছেন, এবং শামি দীর্ঘ চোট-যন্ত্রণা শেষে ঘেরাটোপ ও খোলা অনুশীলনের পর মাঠে ফিরেছেন। এ পরিস্থিতিতে, আসন্ন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দিকে তাকিয়ে, এই দুই মহা তারকার চোট নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছেন বোর্ড কর্তারা।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক ঘোষিত চূড়ান্ত স্কোয়াডে এবার ৩ জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় যোগ হয়েছে। অন্যান্য বারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি টুর্নামেন্টের তুলনায় এবার ১৮ সদস্যের স্কোয়াড নিয়ে আইসিসি ইভেন্টে পাড়ি জমাবে ভারত। মূলত, দলের খেলোয়াড়দের চোট-আঘাতের আশঙ্কা মাথায় রেখে অতিরিক্ত ৩ জন ক্রিকেটারকে বিকল্প হিসেবে হাতে রেখেছে বোর্ড, যাতে কোনো অঘটন ঘটলে দ্রুত সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।

সেই সূত্র ধরেই বিরাটের বিকল্প হিসেবে জায়গা পেয়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল। একইভাবে অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাকআপ প্লেয়ার হয়ে খেলবেন শিবম দুবে। সবশেষে সম্প্রতি চোট আঘাত কাটিয়ে ওঠা পেসার শামির ব্যাকআপ হিসেবে দলে রাখা হয়েছে মহম্মদ সিরাজকে।

এক নজরে 2025 চ্যাম্পিয়নস ট্রফির টিম ইন্ডিয়া

রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমন গিল (সহ-অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, কেএল রাহুল (উইকেটরক্ষক), ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, বরুণ চক্রবর্তী, মহম্মদ শামি, আর্শদীপ সিং, হর্ষিত রানা।