অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার আবেদন বাতিল? ফের বাড়ি বাড়ি যাবে আধিকারিকরা, বড় খবর!

-

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্পে আবেদন বাতিল হওয়া নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চা তুঙ্গে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই জানানো হয়েছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো অনিয়ম যাতে না হয়, সেজন্য আবেদন যাচাইয়ে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। সরকারের দাবি, শুধুমাত্র যোগ্য ও প্রকৃত উপভোক্তারাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। একইসঙ্গে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও স্পষ্ট করেছেন, আয়করদাতা বা সরকারি চাকরিজীবীরা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য নন। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, যোগ্য দাবি করেও বহু আবেদনকারীর ফর্ম বাতিল হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবেদন বাতিলের সমস্যার সমাধান এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন মেদিনীপুরের এক বিধায়ক।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বড় আপডেট

এতদিন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনের স্ট্যাটাস দেখা যাচ্ছিল না। তবে গত পরশুদিন সন্ধ্যা থেকে সোশ্যাল রেজিস্ট্রির সরকারি ওয়েবসাইটে লগইন করতেই অনেক মহিলা দেখতে পাচ্ছেন যে তাঁদের আবেদন ‘Rejected’ দেখাচ্ছে। এর ফলে যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্যেও উদ্বেগ বেড়েছে। অনেকেই দাবি করছেন, সব শর্ত পূরণ করেও তাঁদের আবেদন বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যের ১ কোটি ৯ লক্ষের বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩,০০০ টাকা করে পাঠানো হয়েছে এবং আরও প্রায় ২৮ লক্ষ আবেদন এখনও যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। তবে স্ট্যাটাসে বিপুল সংখ্যক আবেদন বাতিল দেখানোয় অনেক আবেদনকারী এখন কী করবেন, তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন।

- Advertisement -

এই সমস্যা সমাধানের জন্যই মেদিনীপুরের বিধায়ক ডক্টর শঙ্কর কুমার গুচ্ছাইত আজ জানিয়েছেন, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম রিজেক্ট হওয়া নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। ৪ জুলাই থেকেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবার আবেদনকারীদের তথ্য ও নথি যাচাই করা হবে। যারা অফলাইনের মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন কিন্তু এখনও অনলাইনে আবেদন নথিভুক্ত হয়নি, তাদের আবেদন দ্রুত সরকারি পোর্টালে আপলোড করা হবে। এমনকি যে সমস্ত আবেদন অসম্পূর্ণ বা পূর্বে বাতিল হয়ে গিয়েছে সেগুলি পুনরায় পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিধায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, আবেদন যাচাই, সুপারিশ এবং তথ্য আপলোডের কাজ ১০ জুলাইয়ের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, আধার লিঙ্ক বা অর্থপ্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও সমস্যা থাকলে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক বা সরকারি দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঠিক করে নিতে হবে। তিনি আবেদনকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন, যাচাইয়ের সময় বাড়িতে উপস্থিত থেকে সঠিক তথ্য দিতে এবং প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে। তাই আধার কার্ড, ভোটার আইডি, রেশন কার্ড এবং আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য আগে থেকেই হাতের কাছে রাখার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কোনও গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা করারও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

🔔 সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে যুক্ত হন

ব্রেকিং নিউজ, চাকরির খবর, টেক আপডেট ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাদের WhatsAppTelegram চ্যানেলে এখনই যুক্ত হন।

Breaking News