Home প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 143

A R Rahman News: বিয়েটা শারীরিকের থেকেও বেশি…, ২৯ বছর আগে সায়রাকে কীভাবে জীবনসঙ্গী বানিয়েছিলেন রহমান?

A R Rahman News: এ আর রহমানের এবং তাঁর স্ত্রী সায়রা বানুর বিচ্ছেদের খবরটি সম্প্রতি আলোচনার ঝড় তুলেছে। যদিও সুরকার নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি প্রকাশ্যে কথা বলেন না, তবে তাদের ৩০ তম বিবাহ বার্ষিকীর আগে জীবন সম্পর্কে তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা শেয়ার করেছেন। এ খবরের পর রহমানের প্রেম, বিয়ে এবং সংসার নিয়ে আলোচনায় এক বিষণ্ণ ছায়া পড়েছে।

এক সাক্ষাৎকারে এ আর রহমান(A R Rahman) তার বিবাহিত জীবন নিয়ে নিজের অনুভূতি ভাগ করে বলেন, “বিয়ে আপনাকে বদলে দেয়। হ্যাঁ, আমি মনে করি আমার ক্ষেত্রে এটি উত্তেজনাপূর্ণ এবং ভয়ঙ্কর উভয়ই ছিল। এটি জানার ব্যাপার যে, আপনি একজন নতুন মানুষের সঙ্গে জীবন কাটাতে যাচ্ছেন, যাকে আগে আপনি ভালোভাবে জানতেন না। আমার জন্য, বিয়ে ছিল শারীরিকতার চেয়ে অনেক বেশি আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা।

২৯ বছর আগে, এ আর রহমান তার মাকে জীবনসঙ্গী খোঁজার দায়িত্ব দেন। সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে, রহমান তার পাত্রী খোঁজার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন। “সত্যি কথা বলতে, পাত্রী খোঁজার জন্য আমার কাছে সময় ছিল না। তবে, আমি জানতাম যে, বিয়ে করার জন্য এটাই সঠিক সময়। আমার বয়স তখন ২৯, আর আমি মাকে বললাম, আমার জন্য পাত্রী খুঁজে দাও। আমি এমন কাউকে চাইছিলাম, যিনি খুব নম্র স্বভাবের হবেন এবং আমাকে বেশি কষ্ট দেবেন না। বরং আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন।

সায়রা বানু এ আর রহমানের(A R Rahman) জীবনের সেই বিশেষ সঙ্গী হিসেবে নির্বাচিত হন, এবং একসাথে তারা ভালবাসা, সংগীত, এবং তিনটি সুন্দর সন্তান – খাতিজা (২৯), রহিমা এবং এ আর আমিন (২১) দিয়ে একটি সুন্দর জীবন গড়েছিলেন। তবে, আনন্দের মাঝে, রহমান কখনো কখনো তার মা, স্ত্রী এবং সন্তানদের মধ্যে আনুগত্যের ভারসাম্য বজায় রাখার চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করেছেন।

এ আর রহমান বিবাহের রূপান্তরকারী শক্তি সম্পর্কেও কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, “প্রতিটি বাড়িতে সমস্যা রয়েছে এবং প্রতিটি বাড়িতে ভালবাসা রয়েছে। বিবাহ আমার সহানুভূতি, বোঝাপড়া, ধৈর্য, এবং অনেক কিছুর সংবেদনশীলতাকে প্রসারিত করেছে।” তার মতে, বিবাহ কেবল দুইজন মানুষের মধ্যে সম্পর্কের পরিবর্তনই নয়, এটি একজনের মানসিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতি ঘটানোর এক মাধ্যমও।

এখন, যখন রহমান বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন, তার কথাগুলি আরও গভীর দুর্বলতার বোধের সাথে অনুরণিত হচ্ছে। তাদের প্রায় তিন দশকের দীর্ঘ যাত্রার আন্তরিক বিদায়, একটি মর্মস্পর্শী অনুস্মারক হিসেবে বাজছে দর্শকদের কানে। এই সিদ্ধান্তে।

Srijato-Pushpa 2: দিন রাত এক করে…’, বাংলা ভার্সনের স্ক্রিপ্ট ও গানের লিরিক্স লিখলেন শ্রীজাত!

Srijato: সদ্য মুক্তি পেয়েছে পুষ্পা ২ ছবির ট্রেলার। ছবিটি শুধু অন্যান্য ভাষাতেই নয়, বাংলা ভাষাতেও মুক্তি পাবে, এবং এর ট্রেলারও তাই মুক্তি পেয়েছে। সেই ট্রেলারটি শেয়ার করে ভক্তদের সঙ্গে একটি দারুণ খবর ভাগ করে নিলেন কবি এবং লিরিসিস্ট শ্রীজাত।

শ্রীজাত তাঁর পুষ্পা ২ সম্পর্কিত পোস্টে ভক্তদের জানিয়েছেন যে, তিনি শুধু ছবির প্রতিটি গানের বাংলা ভার্সনের লিরিক্সই লিখেছেন না, বরং গোটা বাংলা স্ক্রিপ্টও তিনি লিখেছেন। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেছেন, “এটা ছিল একেবারে কঠিন কাজ। যে কাজটি একবার করেনি, তার পক্ষে এটি কল্পনা করাও কঠিন। অন্য ভাষার ভাব ও প্রকাশভঙ্গি সময়সীমা মাথায় রেখে নিজের ভাষায় সঠিকভাবে সাজানো সত্যিই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।” শ্রীজাত আরও বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি পরবর্তীতে একটি বিস্তারিত রচনা লিখতেও চান।

শ্রীজাত তাঁর পোস্টে আরও জানিয়েছেন, “পুষ্পা ২-এর ট্রেলার এসে গেছে এবং ইতিমধ্যেই হালকা ঠান্ডা বাতাসে আগুনের আঁচ ছড়িয়ে দিয়েছে। দিন-রাত এক করে আমরা কাজ শেষ করেছি। এ কাজ সম্ভব হয়েছে Genesis Films-এর তত্ত্বাবধানে, শৌর্য ও তার তরুণ তুর্কিদের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। খুবই অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা ছিল, যা একদিন বিস্তারিত লিখব। এখন বাংলা ট্রেলার আপনারা দেখুন, এবং শিগগিরই আরও অনেক ভারতীয় ভাষায় পুষ্পা ২ আসবে।

এখানে কিছু প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেয়েছে, যেমন একজন লিখেছেন, “রিলিজের সময় হায়দরাবাদ আসার নিমন্ত্রণ রইল।” অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, “এতো অসাধারণ খবর! শুনে যারপরনাই আনন্দিত হলাম।” তৃতীয় ব্যক্তি লিখেছেন, “মুকুটে এই পালকের সঙ্গে আরো বহু পালক আগামীতে আসুক।” আর চতুর্থ জনের মতে, “এটি একটি অন্য ধরনের কাজ করার অভিজ্ঞতা। অনেক অভিনন্দন। সিনেমাটি অবশ্যই দেখব।”

এই ছবিটি হল ব্লকবাস্টার হিট পুষ্পা এর পরবর্তী ভাগ। সুকুমার পরিচালিত পুষ্পা ২ বা পুষ্পা: দ্য রুল ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় থাকবেন আল্লু অর্জুন এবং রশ্মিকা মন্দানা। এছাড়া থাকবেন ফাহাদ ফাসিল। পুষ্পা ১ অর্থাৎ পুষ্পা: দ্য রাইজ ছবিটি ২০২১ সালে মুক্তি পেয়েছিল এবং সেই ছবি বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করেছে। শুধু ব্যবসা নয়, ছবির সংলাপ, গান সবই দর্শকদের মুখে মুখে ঘুরেছে এবং রীতিমত ভাইরাল হয়েছিল।

Shefali Verma Dropped: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের আগে বাদ বিধ্বংসী ওপেনার, কবে ফিরবেন তারকা ব্যাটার?

Shefali Verma Dropped: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আসন্ন একদিনের সিরিজে ভারতীয় দলের স্কোয়াডে জায়গা পেলেন না বিধ্বংসী ওপেনার শেফালি ভার্মা। তিন ম্যাচের এই গুরুত্বপূর্ণ ওয়ানডে সিরিজে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সদ্যসমাপ্ত সিরিজে শেফালির ফর্ম ছিল হতাশাজনক। তিনটি ইনিংসে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ৫৬ রান। এই পারফরম্যান্সের ফলেই নির্বাচকরা তাঁকে দলের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মাত্র ২০ বছর বয়সেই শেফালি ভার্মা ভারতীয় মহিলা দলের অন্যতম আক্রমণাত্মক ব্যাটার হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ২৯টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন এবং তাঁর গড় রান ২৩। মোট ৬৪৪ রান সংগ্রহ করেছেন এই ফরম্যাটে, যার মধ্যে রয়েছে চারটি হাফ সেঞ্চুরি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজে শেফালির অনুপস্থিতি দলকে কিছুটা চিন্তায় ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে ওপেনিংয়ের দায়িত্ব নিতে পারেন প্রিয়া পুনিয়া বা ইয়াস্তিকা ভাটিয়া। তাঁদের মধ্যে যেকোনো একজন স্মৃতি মান্ধনার সঙ্গে ওপেন করতে দেখা যেতে পারে। এর মধ্যেই ভারতীয় শিবিরে একটি ভালো খবরও এসেছে। দীর্ঘদিন ইনজুরির কারণে বাইরে থাকা অলরাউন্ডার হারলিন দেওল দলে ফিরে এসেছেন।

ভারতের স্কোয়াড: হরমনপ্রীত কউর (অধিনায়ক), স্মৃতি মান্ধানা (সহ-অধিনায়ক), প্রিয়া পুনিয়া, জেমিমা রডরিগস, হারলিন দেওল, ইয়াস্তিকা ভাটিয়া (উইকেটরক্ষক), রিচা ঘোষ (উইকেটরক্ষক), তেজল হাসাবনিস, দীপ্তি শর্মা, মিন্নু মানি, প্রিয়া মিশ্র, রাধা যাদব, তিতাস সাধু, অরুন্ধতী রেড্ডি, রেনুকা সিং ঠাকুর, সাইমা ঠাকুর

ম্যাচতারিখবারসময়স্থান
প্রথম ম্যাচ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪বৃহস্পতিবারসকাল ৯টা ৫০ মিনিটঅ্যালান বর্ডার মাঠ, ব্রিসবেন
দ্বিতীয় ম্যাচ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪রবিবারসকাল ৫টা ১৫ মিনিটঅ্যালান বর্ডার মাঠ, ব্রিসবেন
তৃতীয় ম্যাচ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪বুধবারসকাল ৯টা ৫০ মিনিটডব্লিউএসিএ মাঠ, পার্থ

অনুরাগীরা শেফালির এই বাদ পড়ার ঘটনা সহজে মেনে নিতে পারছেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে বলছেন, শেফালি ভার্মা এতটাই প্রতিভাবান যে, তিনি পাকিস্তানের পুরুষ টি-২০ দলে সুযোগ পেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০১৯ সালে, শেফালি মহিলাদের টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেক করেছিলেন।

২০২১ সালের জুনে শেফালি ভার্মা ইতিহাস সৃষ্টি করেন, যখন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাটে প্রতিনিধিত্বকারী সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হয়ে ওঠেন। তার প্রতিভার উজ্জ্বল উদাহরণ দেখা যায় ২০২২ সালের ৮ অক্টোবর, যখন তিনি আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে ১ হাজার রান পূর্ণ করা সবচেয়ে কমবয়সী ক্রিকেটারের স্বীকৃতি অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, তার নেতৃত্বে ভারতীয় মহিলা দল ২০২৩ সালে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপ জয় করে।

Lakshmir Bhandar 2024: অবশেষে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধি নিয়ে বড় খবর।

পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প (West Bengal Lakshmir Bhandar Scheme) রাজ্যের মহিলাদের জন্য একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সহায়ক প্রকল্প। বর্তমানে, এই প্রকল্পের অধীনে মহিলারা প্রতি মাসে ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা এবং পরে ১০০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা পাচ্ছেন। এখন শোনা যাচ্ছে, এই প্রকল্পের ভাতা এক ধাক্কায় ১০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫০০ টাকা এবং ১২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০০ টাকা হতে পারে।

Lakshmir Bhandar Payment increase news

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারের সাফল্যের পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হয় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করা। প্রথমে, এই প্রকল্পের আওতায় সাধারণ বা জেনারেল কাস্ট এর মহিলাদের জন্য ৫০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি বা উপজাতি মহিলাদের জন্য ১০০০ টাকা ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকার এই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এখন সাধারণ কাস্টের মহিলারা প্রতি মাসে ১০০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতি মহিলারা পাচ্ছেন ১২০০ টাকা।

বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকারি প্রকল্প হিসেবে পরিণত হয়েছে, যা ২ কোটিরও বেশি মহিলা উপকৃত হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলারা প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পেয়ে থাকেন। বিশেষ করে মাসের প্রথম সপ্তাহে ভাতা পাওয়ার জন্য অনেক মহিলার মধ্যে উদ্বেগ থাকে, কারণ এই টাকা তাদের পরিবারের খরচ চালাতে এবং স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করে।

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ভাতা বাড়ছে?

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকেই আশাবাদী। বিশেষত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে অনেকের ধারণা, এই প্রকল্পের অনুদান পরিমাণ আরও বাড়ানো হতে পারে। কিছু সূত্রের মতে, ১৫০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত এই ভাতা বাড়ানো হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবুও গুঞ্জন রয়েছে যে নির্বাচনের আগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

তবে, কিছু কিছু সংবাদমাধ্যম আগে থেকেই এমনভাবে প্রচার করছে, যেন সত্যিই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকার পরিমাণ ১৫০০ বা ২০০০ টাকা হয়ে গেছে। এই ধরনের আগাম প্রচার বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে, যা দায়িত্ববান সংবাদমাধ্যমের কাছে কাম্য নয়। যদিও এই প্রকল্পের ভাতা পরিমাণ বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত সরকার বা সরকারের কোনো পদাধিকারী এ ব্যাপারে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি। তাই, সঠিক খবর জানুন এবং আপডেটেড থাকুন।

E Shram Card in bangla: প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাবে কারা? জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা

E Shram Card: কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই দরিদ্র এবং অসহায় মানুষদের জন্য বেশ কিছু আর্থিক সহায়তা প্রকল্প চালু করেছে। এরই মধ্যে নতুন এক উদ্যোগ হল E Shram Card। মূলত শ্রমিকদের জন্য তৈরি একটি বিশেষ কার্ড। মোদী সরকারের এই ই-শ্রম কার্ড থাকলে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। শুধু তাই নয়, এর সাথে আরও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাও রয়েছে। কাদের জন্য এই প্রকল্প? কিভাবে আবেদন করবেন এখানে? বিস্তারিত খুটিনাটি সমস্ত তথ্য জেনে নিন।

E Shram Card self registration online কী এই ই শ্রম কার্ড

ই-শ্রম কার্ড প্রকল্পটি মূলত দিনমজুর, অস্থায়ী শ্রমিক, এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য চালু করা হয়েছে। ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বিশেষ কার্ডটি চালু করেন, যাতে শ্রমিকদের জন্য কিছু আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা যায়। আমাদের দেশে প্রায় ৪০ কোটি মানুষ অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন, এবং ইতিমধ্যেই ২৯ কোটিরও বেশি শ্রমিক এই ই-শ্রম কার্ডের সুবিধা গ্রহণ করেছেন।

ই-শ্রম কার্ড এর সুবিধা

ই-শ্রম কার্ড থাকলে শ্রমিকদের জন্য অনেক ধরনের সুবিধা রয়েছে। ৬০ বছর বয়সের পর কার্ডধারীরা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে পেনশন পাবেন, যা তাদের বুড়ো বয়সে আর্থিক নিরাপত্তা দেবে। এছাড়া, কর্মরত অবস্থায় দুর্ঘটনার শিকার হলে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বীমা সুবিধা পাওয়া যাবে এবং মৃত্যুজনিত কারণে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা মিলবে। এই ই-শ্রম কার্ড থাকলে আরও অনেক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, যেমন PMAY (প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা), PMJAY (প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা), এবং PM Kisan

কারা আবেদন যোগ্য?

ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে আপনাকে অবশ্যই অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিক হতে হবে। অর্থাৎ, কৃষক, নির্মাণ শ্রমিক, রিকশাচালক, গৃহকর্মী বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী—এ ধরনের পেশার মানুষরাই এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বয়সসীমা ১৬ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে হতে হবে, অর্থাৎ তরুণ থেকে মধ্যবয়সী শ্রমিকরা এই সুবিধার আওতায় আসবেন। তবে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, যারা ইতিমধ্যে EPF (Employee Provident Fund) বা ESI (Employee State Insurance) এর সুবিধা পান, তারা এই ই-শ্রম কার্ডের আওতায় আবেদন করতে পারবেন না।

কীভাবে আবেদন করবেন?

যদি আপনি E Shram Card এর জন্য যোগ্য হন এবং এখনও আবেদন না করে থাকেন, তবে চিন্তার কিছু নেই! আপনি ঘরে বসেই সহজেই আপনার স্মার্টফোন দিয়ে আবেদন করতে পারেন।

  1. প্রথমে eshram.gov.in ওয়েবসাইটে যান।
  2. তারপর “Register On e-Shram” অপশনটি সিলেক্ট করুন।
  3. আপনার আধার লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বর এবং ক্যাপচা কোড লিখে রেজিস্ট্রেশন শুরু করুন।
  4. এরপর মোবাইলে পাওয়া OTP দিয়ে যাচাই করুন এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করুন।

আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:

  1. আধার কার্ড
  2. আধার লিঙ্ক মোবাইল নম্বর
  3. ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য

salman khan today news: কপিলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, সাফ জানালেন সালমান খান

salman khan: ভারতের জনপ্রিয় কমেডি অনুষ্ঠান ‘কপিল শর্মা শো’তে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে ব্যঙ্গ করার অভিযোগে তোলপাড় বিনোদন জগৎ। বিশেষ করে ‘একলা চলো’ মতো গভীর ও জনপ্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতকে মজা করে উপস্থাপন করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অনেকে। কপিল শর্মার শোয়ের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

এই বিতর্কের মূল কারিগর ক্রুষ্ণা অভিষেক, যিনি ‘দায়সারা’ ক্ষমা চাইলেও নেটিজেনদের ক্ষোভ থামেনি। বরং তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে কপিল শর্মার শো ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’। এর জেরে আইনি ঝামেলায় পড়তে হয়েছে শো-এর পুরো টিমকে। এই বিতর্কে নাম জড়িয়েছে সালমান খানেরও, যিনি শো-এর প্রযোজক। একদিকে লাগাতার প্রাণনাশের হুমকি, অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অবমাননার অভিযোগ — এমন পরিস্থিতিতে সালমানের(salman khan) টিমকেও মুখ খুলতে বাধ্য হতে হয়েছে।

বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছিল যে, ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’ সালমান খানের প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে জড়িত। এমনকি কেউ কেউ বলছিলেন, শোটি সালমানের প্রযোজনায় তৈরি হয়। এই গুঞ্জনের পরই বঙ্গবাসী মহাসভা ফাউন্ডেশন থেকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়, যা দেখে নড়েচড়ে বসে সালমানের টিম।

বুধবার এক বিবৃতিতে বলিউড সুপারস্টার সালমান(salman khan) তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তিনি বা তার প্রযোজনা সংস্থা ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-এর সঙ্গে আর কোনোভাবেই যুক্ত নন। এর মানে, কপিল শর্মার শোয়ের সঙ্গে এখন ভাইজানের কোনও সম্পর্ক নেই।

আগে টেলিভিশনে যখন এই শো সম্প্রচারিত হত, তখন তা সালমানের প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে তৈরি হত। তবে বর্তমানে শোটি নেটফ্লিক্সের অধীনে চলে গিয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অবমাননার অভিযোগে সালমান খানের নাম জড়ানোর পরই তার টিম থেকে এই বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে, যাতে বিষয়টি নিয়ে কোনো ভুল ধারণা না থাকে।

বলিউডের সিনেমায় বাংলা ভাষা বা সংস্কৃতিকে খাটো করে দেখানো যেন এক পুরনো অভ্যাস! সম্প্রতি ‘ভুলভুলাইয়া ৩’ ছবিতে বাঙালি ভূত ‘মঞ্জুলিকা’র চরিত্র নিয়ে আপত্তি তুলেছে নেটিজেনদের একাংশ। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, “বাঙালিরা তুকতাক বা কালাজাদু করে — এই ভুল ধারণা কবে যাবে?”

এবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’। হাস্যরসের নাম করে শোতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো মহান ব্যক্তিত্বকেও ব্যঙ্গ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি শোয়ের সঞ্চালক কপিল শর্মা এবং অতিথিরাও সেই মজায় মেতে ওঠেন। এই ঘটনার জেরে নেটিজেনদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে, এবং বেশ কয়েকজন আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কপিলের শোয়ের বিরুদ্ধে।

India Safest Bank:রিজার্ভ ব্যাংকের তালিকায় ভারতের ৩টি নিরাপদ ব্যাংক, যেখানে টাকা থাকলে জীবনে কোনো ঝুঁকি নেই

ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (Reserve Bank of India) সম্প্রতি দেশের সবচেয়ে নিরাপদ ব্যাংকের তালিকা প্রকাশ করেছে, যা “India Safest Bank” হিসেবেও পরিচিত। এই তালিকাটি “Domestic Systemically Important Banks” বা সংক্ষেপে D-SIB নামে পরিচিত। এই ব্যাংকগুলো দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যে, কোনো বড় অর্থনৈতিক সংকটের সময়ও এগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই ব্যাংকগুলোতে যাদের অ্যাকাউন্ট আছে, তাদের টাকা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই।

D-SIB তালিকা এবং এর গুরুত্ব (India Safest Bank)

RBI প্রথমবার ২০১৪ সালে D-SIB তালিকা প্রকাশের নিয়ম চালু করে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৫ সালে SBI, ২০১৬ সালে ICICI ব্যাংক, এবং ২০১৭ সালে HDFC ব্যাংক এই তালিকায় যুক্ত হয়। প্রতি বছর এই তালিকাটি আপডেট করা হয় এবং ব্যাংকের আকার, আর্থিক সংযোগ এবং সিস্টেমে তাদের ভূমিকা অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।

RBI-এর মতে, D-SIB তালিকায় থাকা ব্যাংকগুলো দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। যদি এই ব্যাংকগুলো কোনো অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে, তবে এর প্রভাব পুরো দেশের অর্থনীতির ওপর পড়তে পারে। এজন্য, RBI এই ব্যাংকগুলোর জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো, বাড়তি মূলধন বজায় রাখা, যাতে যে কোনো সংকটের সময়ে তাদের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

D-SIB তালিকায় থাকার যোগ্যতা

D-SIB তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোকে তাদের গুরুত্বের ভিত্তিতে অতিরিক্ত Common Equity Tier 1 (CET1) মূলধন এবং Capital Conservation Buffer (CCB) বজায় রাখতে হয়। RBI ব্যাংকগুলিকে তাদের আর্থিক গুরুত্ব অনুযায়ী তিনটি আলাদা ক্যাটেগরি বা বালতিতে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। ব্যাংক যত বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তত বেশি মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়।

ভারতের নিরাপদ ব্যাংকের তালিকা

ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কিছু ব্যাংককে “Domestic Systemically Important Banks” (D-SIB) বা নিরাপদ ব্যাংক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই তালিকায় থাকা ব্যাংকগুলো এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, কোনো বড় অর্থনৈতিক সংকটের সময়ও এই ব্যাংকগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

 স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI)

SBI (State Bank of India) ভারতের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক। এটি D-SIB তালিকার সর্বোচ্চ ক্যাটেগরি বা বালতি 4-এ স্থান পেয়েছে। RBI-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, SBI-কে তার মোট মূলধনের অতিরিক্ত 0.80% Common Equity Tier 1 (CET1) মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। এই বাড়তি মূলধন সংরক্ষণের মূল কারণ হলো, সংকটের সময়েও ব্যাংকটি যাতে স্থিতিশীল থাকে এবং গ্রাহকদের টাকা সুরক্ষিত থাকে।

আইসিআইসিআই ব্যাংক (ICICI Bank)

ICICI ব্যাংক D-SIB তালিকার বালতি 1-এ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই ক্যাটেগরির ব্যাংকগুলিকে তুলনামূলকভাবে কম অতিরিক্ত Common Equity Tier 1 (CET1) মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়, যা মাত্র 0.20%। ICICI ব্যাংক ভারতের অন্যতম বড় বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এবং এটি গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের আর্থিক পরিষেবা প্রদান করে, যেমন লোন, ইনভেস্টমেন্ট, ক্রেডিট কার্ড, এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং। যেহেতু এটি D-SIB তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, তাই RBI এই ব্যাংকটির উপর বিশেষ নজর রাখে।

এইচডিএফসি ব্যাংক (HDFC Bank)

HDFC ব্যাংক, দেশের অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংক, D-SIB তালিকার বালতি 2-এ অন্তর্ভুক্ত। এই ক্যাটেগরির জন্য HDFC ব্যাংককে অতিরিক্ত 0.40% Common Equity Tier 1 (CET1) মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। এটি মূলত ব্যাংকের স্থিতিশীলতা এবং গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। HDFC ব্যাংক গ্রাহক পরিষেবার মান এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতার জন্য সুপরিচিত, যা এটিকে দেশের শীর্ষ ব্যাংকগুলোর একটি করে তুলেছে।

Krishak Bandhu ID check 2024: কৃষক বন্ধু টাকা কবে ঢুকবে? কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফর্ম আইডি স্ট্যাটাস চেক!

Krishak Bandhu ID check 2024: পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক ও গ্রামীন কৃষকদের আর্থিক সাহায্যের জন্য চালু হয়েছে কৃষক বন্ধু প্রকল্প (Krishak Bandhu Scheme), যা মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান যোজনা (PM Kisan Yojana)-এর আদলেই তৈরি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার কৃষকেরা সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন। শুধু কৃষকরাই নয়, বাংলার মা-বোনেরাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar Scheme) এর আওতায় প্রতি মাসে সরকারি ভাতা পান। এবার, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা কবে ঢুকবে? এবং নতুন করে কিভাবে আবেদন করবেন? এইসব প্রশ্নের উত্তরসহ সমস্ত বিস্তারিত তথ্য আমরা আজকের প্রতিবেদনে তুলে ধরেছি। যারা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে চান, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য রয়েছে এখানে। সুতরাং, দেরি না করে দেখে নিন কিভাবে আবেদন করবেন।

Krishak Bandhu Status Check

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সামাজিক ও আর্থিক প্রকল্পের সূচনা করেছেন, যা রাজ্যের জনগণকে নানাভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প হলো কৃষকবন্ধু প্রকল্প, যা ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের কৃষকরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পান, যা মূলত তাদের কৃষিকাজের খরচের জন্য দেওয়া হয়। কৃষকবন্ধু প্রকল্পের আওতায় একজন কৃষক বছরে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক অনুদান পেতে পারেন।

Krishak Bandhu next installment date

কৃষকবন্ধু প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দুটি পর্যায়ে প্রদান করা হয়।

  1. খারিফ মরশুমের জন্য: এই সময়ে সাধারণত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে খারিফ শস্য চাষের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।
  2. রবি মরশুমের জন্য: অক্টোবর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে রবি শস্য চাষের সময় এই অনুদান প্রদান করা হয়।

এ বছর খারিফ মরশুমের জন্য রাজ্যের কৃষকরা ইতিমধ্যেই তাদের আর্থিক অনুদান পেয়ে গিয়েছেন। তবে এখন রবি মরশুমের জন্য কবে টাকা ব্যাংক একাউন্টে আসবে। সবকিছু সঠিক থাকলে, ডিসেম্বরের মধ্যেই রবি শস্যের জন্য পরবর্তী কিস্তির টাকা একাউন্টে জমা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, যারা এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাননি, তাদের জন্য সুখবর রয়েছে—সোমবারের মধ্যেই তারা তাদের ব্যাংক একাউন্টে টাকা পেয়ে যাবেন। ফলে, এই প্রকল্পগুলি রাজ্যের সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের জন্য আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কৃষকবন্ধু প্রকল্পের একজন কৃষক কত টাকা আর্থিক অনুদান পাবেন

কৃষকবন্ধু প্রকল্পের আওতায় একজন কৃষক কত টাকা আর্থিক অনুদান পাবেন, তা নির্ভর করে তার চাষযোগ্য জমির পরিমাণের ওপর। নিচে একটি তালিকা দেওয়া হলো, যা থেকে বোঝা যাবে কত একর জমি থাকলে একজন কৃষক কত টাকা অনুদান পাবেন:

জমির পরিমাণ (একর)প্রতি কিস্তিতে অনুদান (টাকা)বার্ষিক মোট অনুদান (টাকা)
০.৪০ একর পর্যন্ত২,০০০ টাকা৪,০০০ টাকা
১.০০ একর পর্যন্ত৩,০০০ টাকা৬,০০০ টাকা
২.০০ একর পর্যন্ত৫,০০০ টাকা১০,০০০ টাকা

উদাহরণ:

যদি কোনো কৃষকের ০.৪০ একর জমি থাকে, তাহলে তিনি প্রতি কিস্তিতে ২,০০০ টাকা এবং বছরে মোট ৪,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান পাবেন। এইভাবে, জমির পরিমাণ যত বেশি হবে, আর্থিক সহায়তার পরিমাণও তত বেশি হবে।

কৃষকবন্ধু প্রকল্পে জমির পরিমাণ অনুযায়ী আর্থিক অনুদানের তালিকা:

জমির পরিমাণ (একর)প্রতি কিস্তিতে অনুদান (টাকা)বার্ষিক মোট অনুদান (টাকা)হিসাবের নিয়ম
০.৫০ একর২৫০০ টাকা৫০০০ টাকা০.৫০ × ৫০ = ২৫০০ টাকা
০.৬০ একর৩০০০ টাকা৬০০০ টাকা০.৬০ × ৫০ = ৩০০০ টাকা
০.৭৫ একর৩৭৫০ টাকা৭৫০০ টাকা০.৭৫ × ৫০ = ৩৭৫০ টাকা
০.৯৯ একর৪৯৫০ টাকা৯৯০০ টাকা০.৯৯ × ৫০ = ৪৯৫০ টাকা
১.০০ একর বা তার বেশি৫০০০ টাকা১০,০০০ টাকাসর্বাধিক ৫০০০ টাকা প্রতি কিস্তিতে

উল্লেখ্য:

  • ১ একর বা তার বেশি জমির ক্ষেত্রে, প্রতি কিস্তিতে সর্বাধিক ৫০০০ টাকা এবং বছরে মোট ১০,০০০ টাকা দেওয়া হয়।
  • ১ একরের কম জমির জন্য, জমির পরিমাণকে ৫০ দিয়ে গুণ করে প্রতি কিস্তির টাকা নির্ধারণ করা হয়।

Krishak bandhu online Application

কৃষকবন্ধু প্রকল্পে আবেদন করতে হলে প্রথমেই কৃষকবন্ধু ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। ফর্মটি পূরণ করে জমা করতে হবে। সাধারণত দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে আবেদন গ্রহণ করা হয়। এই ক্যাম্পগুলোতে গিয়ে আপনি সহজেই ফর্ম জমা দিতে পারবেন।

অনলাইনে আবেদন:

খুব শীঘ্রই অনলাইনে আবেদন করার সুবিধাও চালু হচ্ছে। এতে কৃষকদের আর ক্যাম্পে গিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে না, ঘরে বসেই সহজে আবেদন করতে পারবেন।যারা অনলাইনে আবেদন করতে আগ্রহী, তারা নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে সরাসরি আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন। এখানে ক্লিক করুন আবেদন করতে

কিভাবে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের স্ট্যাটাস চেক করবেন?(Krishak Bandhu ID check 2024)

অনেকেই জানতে চান, কৃষকবন্ধু প্রকল্পের টাকা কবে আপনার ব্যাংক একাউন্টে জমা হবে। আপনি খুব সহজেই নিজের আবেদন এবং পেমেন্টের স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি দেখে নিন:

  • স্ক্রিনে আপনারকৃষক বন্ধু প্রকল্পের স্ট্যাটাস চেক করার সহজ উপায়:
  • আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা এসেছে কিনা, তা জানার জন্য আপনি সহজেই কৃষক বন্ধু পোর্টাল থেকে স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। নিচে ধাপে ধাপে পদ্ধতি দেওয়া হল:
  • ১) প্রথমে কৃষক বন্ধু পোর্টালের ওয়েবসাইটে (krishakbandhu.net) যান।
  • ২) এরপর “নথিভুক্ত কৃষকের তথ্য” অপশনটি সিলেক্ট করুন।
  • ৩) আপনি স্ট্যাটাস চেক করতে ভোটার কার্ড বা আধার কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে, “আধার কার্ড” বা “ভোটার কার্ড” অপশনটি নির্বাচন করুন।
  • ৪) এরপর নির্ভুলভাবে আপনার ভোটার কার্ড বা আধার কার্ডের নম্বর প্রদান করুন।
  • ৫) স্ট্যাটাস চেক করার পরে যদি “Delete Farmer/ No Data Found” দেখায়, তাহলে আপনাকে নতুন করে আবেদন করতে হবে। এছাড়া, কেওয়ায়সি (KYC) জমা না দিলে আপনি প্রকল্পের টাকা পাবেন না।
  • এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনি দ্রুত আপনার স্ট্যাটাস জানতে পারবেন। আবেদন এবং পেমেন্টের বিস্তারিত তথ্য দেখানো হবে।

স্ট্যাটাসে যদি “Delete Farmer/ No Data Found” লেখা থাকে, তাহলে কী করবেন?

  • যদি এই লেখাটি দেখা যায়, তাহলে আপনার আবেদন বাতিল হয়েছে বা ডেটা পাওয়া যাচ্ছে না।
  • এই অবস্থায়, আপনাকে নতুন করে আবেদন করতে হবে।
  • এছাড়া কেওয়াইসি (KYC) আপডেট করা বাধ্যতামূলক। কেওয়াইসি জমা না দিলে আপনি এই প্রকল্পের টাকা পাবেন না।

ইরানে হামলা চালাতে পারবে না ইসরায়েল: মন্তব্য সৌদি যুবরাজের

সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারবে না। আজ রিয়াদে অনুষ্ঠিত আরব লিগ ও ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) যৌথ শীর্ষ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি। সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েলের হামলার ফলে ফিলিস্তিনের গাজা ও লেবাননের উদ্ভূত সংকটের সমাধান খোঁজা।

রিয়াদে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান গাজায় ইসরায়েলের অভিযানের কড়া নিন্দা জানান। তিনি ইসরায়েলের এই তৎপরতাকে “গণহত্যা” হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, “গাজা ও লেবাননে আমাদের ভাইদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যে হামলা চালাচ্ছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। যুবরাজ আরও উল্লেখ করেন, এই সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে এবং ইসরায়েলের আক্রমণ বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। তার বক্তব্যে গাজার জনগণের প্রতি সহমর্মিতা ও সমর্থনের স্পষ্ট বার্তা উঠে আসে।

রিয়াদে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে আরব লিগ ও ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্যদেশগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবু, এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট নাজিব মিকাতি।

তবে এই সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উপস্থিত ছিলেন না। তিনি সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানকে ফোনকলে জানান, ইরানের পক্ষ থেকে সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ। ইরানের প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, দেশটির পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং সংকট মোকাবিলায় ইরানের অবস্থানকে তুলে ধরে। এই প্রতিনিধিত্ব মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিরসনে একটি সমন্বিত সমাধানের গুরুত্বকে আরও জোরালো করে।

ভারতীয় রেলে কি কি চাকরি রয়েছে? টেকনিক্যাল, নন টেকনিক্যাল, অফিসার – সমস্ত তথ্য দেখে নাও

তোমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ভারতীয় রেলে চাকরি করতে চান, কিন্তু ঠিকমতো জানেন না কোন কোন পদে চাকরির সুযোগ রয়েছে। তোমাদের জন্যই আজকের প্রতিবেদনে ভারতীয় রেলের বিভিন্ন চাকরির তথ্য তুলে ধরা হবে। এখানে জানতে পারবে রেলের টেকনিক্যাল, নন-টেকনিক্যাল এবং অফিসার পদে চাকরির সমস্ত তথ্য। পাশাপাশি, জানাবে কী যোগ্যতা লাগবে, কোন পরীক্ষাগুলো দিতে হয়, এবং কীভাবে প্রস্তুতি নেবে। যদি তোমার স্বপ্ন হয় ভারতীয় রেলে চাকরি করা, তাহলে অবশ্যই এই প্রতিবেদনটি মনোযোগ দিয়ে পড়ো এবং সমস্ত তথ্য ভালোভাবে জেনে নাও।

Indian Railway Management Service: রেলওয়ে ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস

ভারতীয় রেল (Indian Railway) প্রতি বছর Indian Railway Management Service (IRMS) নামক একটি গ্রেড A সার্ভিসের জন্য একটি পরীক্ষার আয়োজন করে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়। IRMS মূলত টেকনিক্যাল চাকরি, যেখানে প্রার্থীদের টেকনিক্যাল দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়। তবে, নন-টেকনিক্যাল প্রার্থীদের জন্য একটি আলাদা পথ রয়েছে। তারা UPSC CSE (Union Public Service Commission Civil Services Examination) পরীক্ষার মাধ্যমে Indian Railway Management Service এ যোগদান করতে পারেন।

IRMS – অফিসার হিসাবে নিয়োগ পদ্ধতি

IRMS (Indian Railway Management Service) পরীক্ষাটি ভারতীয় রেলের গ্রেড A নিয়োগ পরীক্ষা, যা মূলত টেকনিক্যাল ক্ষেত্রের জন্য আয়োজিত হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধানত Mechanical Engineering, Civil Engineering, Electrical Engineering এবং Telecommunication Engineering সহ বিভিন্ন টেকনিক্যাল ক্যাটাগরিতে প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়।

Non-Technical Post-এ নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের Civil Services পরীক্ষা দিতে হয়। এই পরীক্ষাটি তিনটি ধাপে হয়—Prelims, Mains এবং Interview। প্রতিটি ধাপে প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করা হয় এবং শেষমেশ এই ধাপগুলোর মাধ্যমে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

ভারতীয় রেলে টেকনিক্যাল ও নন টেকনিক্যাল চাকরি

ক্যাটাগরিপরীক্ষানিয়োগের পদ
Technical (টেকনিক্যাল)RRB ALP (Assistant Loco Pilot), RRB JE (Junior Engineer)Junior Engineer (JE), Junior Engineer (Information Technology), Depot Material Superintendent (DMS), Chemical & Metallurgical Assistant (CMA), Assistant Loco Pilot, Technician প্রভৃতি
Non-Technical (নন টেকনিক্যাল)RRB Group D, RRB NTPC (Non-technical popular categories), RRB Ministerial & Isolated CategoriesJunior Clerk cum Typist, Account Clerk cum Typist, Junior Time Keeper, Trains Clerk and Commercial cum Ticket Clerk, Traffic Assistant, Goods Guard, Senior Clerk cum Typist, Station Master, Track Maintainer Grade-IV, Helper, Assistant Pointman প্রভৃতি

তোমাদের সুবিধার্থে বলে রাখি, ভারতীয় রেলে Technical (RRB JE, RRB ALP) এবং Non-Technical (RRB Group D, RRB NTPC) ক্যাটেগরির জন্য আলাদা আলাদা যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কিছু চাকরির যোগ্যতাগুলি একে একে তোমাদের জানাচ্ছি –

বিষয়লিঙ্ক
ভারতীয় রেলওয়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটindianrailways.gov.in
রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড (RRB Apply)rrbapply.gov.in