স্বয়ং Narendra Modi এক ঝালমুড়ি বিক্রেতার দোকানে থেমে “ভাই, আমায় তোমার ঝালমুড়ি খাওয়াও!” বলে ডাক দেন। এই ঘটনায় প্রথমে হতবাক হয়ে যান বিক্রেতা বিক্রম শাউ। পরে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ঝালমুড়ি তুলে দেন এবং বদলে একটি ১০ টাকার নোট পান। তবে আসল চমকটা আসে তার কিছুক্ষণ পরই—সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হতেই সেই ১০ টাকার নোটের দাম লাফিয়ে ওঠে। জানা যাচ্ছে, হরিয়ানা থেকে এক ব্যক্তি ওই নোটটি কিনতে ১ লাখ ১১ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছেন!
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া 10 টাকা হয়ে গেল 1 লাখ 11 হাজার!
গত ২০ এপ্রিল বাংলায় ভোট প্রচারে এসে ঝাড়গ্রামে একেবারে অন্যরকম দৃশ্য দেখা গিয়েছিল। সভা শেষে রাস্তার ধারে গাড়ি থামিয়ে এক দোকান থেকে ঝালমুড়ি কিনে খান প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। শুধু নিজে খাওয়াই নয়, নিজের ঠোঙা থেকে আশেপাশের মানুষদেরও মুড়ি বিলি করতে দেখা যায় তাঁকে। এই সহজ-সরল মুহূর্ত খুব দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে—অনেকে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন, আবার অনেকেই একে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগের এক বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। এরই মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্ট ঘুরছে, যা নিয়ে আলোচনা এখনও থামেনি।
নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলিতে দাবি করা হচ্ছে, হরিয়ানার সোনিপথের এক ব্যবসায়ী রোহিত খালসা ঝাড়গ্রামের ওই ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত থেকে পাওয়া 10 টাকার নোটের জন্য 1 লাখ 11 হাজার টাকা অফার করেন। জানা যায়, নরেন্দ্র মোদি এদিন ঝালমুড়ি খেয়ে চলে যাওয়ার কিছু ঘন্টার মধ্যেই বিক্রেতা বিক্রমের সাথে যোগাযোগ করে 10 টাকার ওই নোটটি এই দামে কিনে নিতে চান রোহিত। যদিও এমন খবরের সত্যতা যাচাই করিনি আমরা। একই সাথে ওই ঝালমুড়ি বিক্রেতা আদৌ সেই নোটটি বিক্রি করেছেন কিনা সেই সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি।
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -
ঝাড়গ্রাম শহরের স্টেশনপাড়া এলাকায় থাকেন ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম কুমার সাউ, যার আদি বাড়ি বিহারে হলেও কর্মসূত্রে এখন তিনি বাংলাতেই স্থায়ী। সম্প্রতি তাঁর ছোট্ট দোকানেই থেমে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন Narendra Modi, আর সেই ঘটনার পর থেকেই যেন রাতারাতি বদলে গেছে বিক্রমের ভাগ্য। প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার পর থেকেই তাঁর দোকানে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে—সাংবাদিক, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, সকলেই একবার দেখতে বা কথা বলতে আসছেন। এক কথায়, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন নেট দুনিয়ায় বেশ চর্চায় উঠে এসেছেন বিক্রম, আর তাঁর ছোট্ট ঝালমুড়ির দোকানও হয়ে উঠেছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
